AHSEC Class 12 History Chapter 12 Solution Bengali Medium 2026 – 2027 | AHSEC দ্বাদশ শ্রেণীর ইতিহাস অধ্যায় ১২ বাংলা মাধ্যমের সমাধান ২০২৬ – ২০২৭

 Chapter 12 –

বিদ্রোহ ও রাজ

পাঠ্যপুস্তক ভিত্তিক প্রশ্নোত্তর (Textbook Question Answer)

প্রশ্ন ১: ১৮৫৭ সালের বিদ্রোহ কোন ঘটনার মাধ্যমে সূচিত হয়?
উত্তর:
 মঙ্গল পাণ্ডে নামক এক সিপাহির কার্তুজ ব্যবহারে আপত্তি জানিয়ে ব্রিটিশ অফিসারকে গুলি করার মাধ্যমে বিদ্রোহের সূচনা হয়।

প্রশ্ন ২: ১৮৫৭ সালের বিদ্রোহের অন্যতম কারণ কী ছিল?
উত্তর: ধর্মীয় বিশ্বাসে হস্তক্ষেপ, সামরিক বৈষম্য, জমিদার ও তালুকদারদের উপর অবিচার, অর্থনৈতিক শোষণ প্রভৃতি।

প্রশ্ন ৩: বাহাদুর শাহ জাফর কে ছিলেন?
উত্তর:
 তিনি মুঘল সম্রাট ছিলেন, যাকে ১৮৫৭ সালের বিদ্রোহের সময় নেতা হিসেবে ঘোষণা করা হয়।

প্রশ্ন ৪: লক্ষ্মীবাই বিদ্রোহে কী ভূমিকা পালন করেন?
উত্তর: ঝাঁসির রানী লক্ষ্মীবাই সাহসিকতার সাথে ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেন এবং বিদ্রোহের নেতৃত্ব দেন।

প্রশ্ন ৫: বিদ্রোহের ফলাফল কী হয়েছিল?
উত্তর:
 ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির শাসনের অবসান ঘটে, ভারতের শাসন ব্রিটিশ রাজদ্বারা পরিচালিত হয়, এবং সেনা সংগঠনের পরিবর্তন হয়।

প্রশ্ন ৬: ১৮৫৭ সালের বিদ্রোহ কেন ব্যর্থ হয়?
উত্তর:
 নেতৃত্বের অভাব, সমন্বয়হীনতা, আধুনিক অস্ত্রের অভাব এবং রাজাদের মধ্যে দ্বন্দ্ব ছিল এর প্রধান কারণ।

প্রশ্ন ৭: ১৮৫৭ সালের বিদ্রোহকে কেউ কেউ ‘প্রথম স্বাধীনতা সংগ্রাম’ কেন বলেন?
উত্তর:
 কারণ এতে দেশপ্রেম ও ব্রিটিশ শাসনের বিরুদ্ধে এক যৌথ প্রতিরোধ দেখা গিয়েছিল।

প্রশ্ন ৮: বিদ্রোহে কোন কোন শহর প্রধান কেন্দ্র ছিল?
উত্তর: দিল্লি, কানপুর, লক্ষ্ণৌ, ঝাঁসি, গ্বালিয়র, বারাণসী প্রভৃতি।

প্রশ্ন ৯: ১৮৫৭ সালের বিদ্রোহে নানাসাহেবের ভূমিকা কী ছিল?
উত্তর: 
নানাসাহেব কানপুরে বিদ্রোহের নেতৃত্ব দেন এবং ব্রিটিশ বাহিনীর বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেন।

প্রশ্ন ১০: ব্রিটিশ সরকার কীভাবে বিদ্রোহ দমন করেছিল?
উত্তর: 
প্রচণ্ড সামরিক শক্তি, স্থানীয় রাজাদের সাহায্য এবং নৃশংস দমন-পীড়নের মাধ্যমে বিদ্রোহ দমন করা হয়।

 অতিরিক্ত প্রশ্নোত্তর (Additional Question Answer)

প্রশ্ন ১১: বিদ্রোহের সময় তান্তিয়া টোপের ভূমিকা কী ছিল?
উত্তর: তিনি নানাসাহেবের প্রধান সেনাপতি ছিলেন এবং বিদ্রোহকে সুসংগঠিত করার চেষ্টা করেন।

প্রশ্ন ১২: বিদ্রোহে কৃষকদের ভূমিকা কেমন ছিল?
উত্তর: কৃষকেরা বিদ্রোহীদের সমর্থন করলেও তাদের মধ্যে সংগঠিত নেতৃত্বের অভাব ছিল।

প্রশ্ন ১৩: ১৮৫৭ সালের বিদ্রোহে মৌলভী আহমদুল্লাহর ভূমিকা কী ছিল?
উত্তর:
 তিনি ফৈজাবাদের এক বিশিষ্ট মুসলিম ধর্মীয় নেতা ছিলেন এবং বিদ্রোহে সক্রিয়ভাবে অংশ নেন।

প্রশ্ন ১৪: ব্রিটিশ সরকার বিদ্রোহের পর সেনা বিভাগে কী পরিবর্তন আনে?
উত্তর: 
ভারতীয় সৈনিকদের সংখ্যা হ্রাস ও ব্রিটিশ সৈনিকদের সংখ্যা বাড়ানো হয়, এবং জাতিগত বিভাজন ঘটানো হয়।

প্রশ্ন ১৫: ব্রিটিশদের ‘Divide and Rule’ নীতি কীভাবে বিদ্রোহের পরে জোরদার হয়?
উত্তর:
 বিদ্রোহ প্রতিহত করার পর ব্রিটিশরা হিন্দু-মুসলিম বিভাজনকে ইন্ধন দিয়ে ‘বিভাজন ও শাসন’ নীতিকে শক্তিশালী করে।

প্রশ্ন ১৬: ১৮৫৭ সালের বিদ্রোহের সাহিত্যিক প্রভাব কী হয়?
উত্তর: 
বহু উপন্যাস, কবিতা ও ইতিহাস রচিত হয় – যেমন বঙ্কিমচন্দ্রের “আনন্দমঠ” এবং অন্যান্য জাতীয়তাবাদী সাহিত্য।

প্রশ্ন ১৭: বিদ্রোহের সময় বৃটিশদের রাজনৈতিক পরিবর্তনের ঘোষণাটি কী নামে পরিচিত?
উত্তর: রানীর ঘোষণা বা Queen’s Proclamation (১৮৫৮) নামে পরিচিত।

প্রশ্ন ১৮: রানীর ঘোষণায় কী বলা হয়েছিল?
উত্তর: ভারতীয়দের ধর্ম, জমি ও সামাজিক রীতিনীতি রক্ষা করা হবে এবং সকলের সমান আইনি অধিকার থাকবে বলা হয়।

প্রশ্ন ১৯: বিদ্রোহের পর ব্রিটিশ ভারতের শাসন কীভাবে পাল্টে যায়?
উত্তর:
 ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি বিলুপ্ত হয় ও ভারতে ব্রিটিশ রাজের সূচনা হয়; ভারতের প্রথম ভাইসরয় নিয়োগ হয়।

প্রশ্ন ২০: কেন এই বিদ্রোহ সর্বভারতীয় রূপ নিতে পারেনি?
উত্তর: 
দক্ষিণ ভারতে বিদ্রোহের কোনও ছোঁয়া পড়েনি, প্রাদেশিকতা ও নেতৃত্বহীনতার ফলে এটি সীমিত থাকে।

✏️

এই Post টো Update কৰাত সহায় কৰিব বিচাৰে নেকি?

ইয়াত কিবা ভুল, অসম্পূৰ্ণ তথ্য বা নতুন তথ্য থাকিলে আপুনি এটা উন্নত version প্ৰস্তুত কৰিব পাৰে। Live Post তৎক্ষণাৎ সলনি নহ'ব।

Update This Post

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to Top