AHSEC Class 12 History Chapter 3 Books Solution Bengali Medium 2026 – 2027 | AHSEC দ্বাদশ শ্রেণীর ইতিহাস অধ্যায় ৩ বাংলা মাধ্যমের সমাধান ২০২৬ – ২০২৭

 Chapter 3 – 

জ্ঞাতিত্ব, বর্ণ ও শ্রেণি

পাঠ্যপুস্তকভিত্তিক প্রশ্নোত্তর (Textbook Questions):

প্রশ্ন ১: ‘জ্ঞাতিত্ব’ বলতে কী বোঝায়?
উত্তর:
 ‘জ্ঞাতিত্ব’ বলতে বংশানুক্রমিক আত্মীয়তার ভিত্তিতে গঠিত সামাজিক গোষ্ঠীকে বোঝানো হয়, যা সাধারণত একটি পেশা বা কৃত্যকেন্দ্রিক হয়।

প্রশ্ন ২: বর্ণব্যবস্থা কী?
উত্তর:
 বর্ণব্যবস্থা হলো একটি সামাজিক স্তরীকরণ পদ্ধতি, যেখানে সমাজকে প্রধানত চারটি বর্ণে ভাগ করা হয়েছে — ব্রাহ্মণ, ক্ষত্রিয়, বৈশ্য ও শূদ্র।

প্রশ্ন ৩: শ্রেণিব্যবস্থা ও বর্ণব্যবস্থার মধ্যে পার্থক্য কী?
উত্তর: বর্ণব্যবস্থা জন্মভিত্তিক এবং কঠোর; শ্রেণিব্যবস্থা আর্থ-সামাজিক ভিত্তিতে পরিবর্তনশীল ও অপেক্ষাকৃত নমনীয়।

প্রশ্ন ৪: ঋগ্বেদীয় সমাজে নারী-পুরুষের অবস্থান কেমন ছিল?
উত্তর: ঋগ্বেদীয় সমাজে নারীদের সম্মানজনক স্থান ছিল, তাঁরা শিক্ষা, ধর্ম ও সমাজজীবনে অংশগ্রহণ করতেন।

প্রশ্ন ৫: ঋগ্বেদীয় সমাজে ‘রাজন্য’ বলতে কাকে বোঝানো হয়?
উত্তর: ‘রাজন্য’ শব্দ দ্বারা যোদ্ধা শ্রেণি বা ক্ষত্রিয়দের বোঝানো হয়।

প্রশ্ন ৬: পূর্ব ঋগ্বেদীয় সমাজে জীবিকা কী ছিল?
উত্তর: প্রধানত পশুপালন ও কৃষিকাজ ছিল জীবিকার মূল উৎস।

প্রশ্ন ৭: বর্ণ পদ্ধতির উদ্ভব কীভাবে হয়েছিল?
উত্তর:
 বর্ণ পদ্ধতির ভিত্তি ছিল কর্ম ও গুণ, কিন্তু পরবর্তীতে এটি জন্মসূত্রে নির্ধারিত হয়ে যায়।

প্রশ্ন ৮: শূদ্রদের সামাজিক অবস্থান কেমন ছিল?
উত্তর: শূদ্রদের অবস্থান সমাজে নিচু ছিল এবং তাঁদের উপর নানা বিধিনিষেধ আরোপিত ছিল।

প্রশ্ন ৯: জাতি ও বর্ণের মধ্যে সম্পর্ক কী?
উত্তর: জাতি হলো একটি নির্দিষ্ট বর্ণভুক্ত গোষ্ঠী, যা নির্দিষ্ট কাজের সঙ্গে যুক্ত থাকে।

প্রশ্ন ১০: ব্রাহ্মণদের সামাজিক ভূমিকা কী ছিল?
উত্তর: 
তাঁরা পুরোহিত, শিক্ষক ও জ্ঞানচর্চার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন এবং সমাজে উচ্চ স্থান অধিকার করতেন।

অতিরিক্ত প্রশ্নোত্তর (Additional Questions):

প্রশ্ন ১১: ‘দাস’ ও ‘দাসী’ শব্দের প্রাচীন ব্যবহার কেমন ছিল?
উত্তর: প্রাচীন ভারতীয় সমাজে ‘দাস’ ও ‘দাসী’ শব্দগুলি দাসত্ব বা শ্রম নির্ভর ব্যক্তিদের বোঝাতে ব্যবহৃত হতো। অনেক সময় যুদ্ধবন্দীকেও দাস বানানো হতো।

প্রশ্ন ১২: সংস্কৃত সাহিত্যে বর্ণ ও জাতি সম্পর্কে কী বলা হয়েছে?
উত্তর: সংস্কৃত সাহিত্যে বর্ণ ও জাতিকে সমাজের শ্রেণি ও কর্ম অনুযায়ী বর্ণনা করা হয়েছে এবং একে ধর্মের সঙ্গে যুক্ত করা হয়েছে।

প্রশ্ন ১৩: ব্রাহ্মণ ও ক্ষত্রিয়দের মধ্যে কখনও কখনও দ্বন্দ্ব কেন সৃষ্টি হতো?
উত্তর: ক্ষমতা ও শ্রেষ্ঠত্ব নিয়ে দ্বন্দ্ব হতো। ব্রাহ্মণরা ধর্মীয় প্রাধান্য, আর ক্ষত্রিয়রা রাজক্ষমতার দাবি করতেন।

প্রশ্ন ১৪: বৈশ্যরা কী কী পেশার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন?
উত্তর: বৈশ্যরা কৃষিকাজ, পশুপালন, ব্যবসা ও শিল্পকর্মের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।

প্রশ্ন ১৫: ‘অশুচি’ ও ‘স্পৃশ্যতা’ কী?
উত্তর: ‘অশুচি’ বলা হতো সমাজে এমন কিছু গোষ্ঠীকে যাঁদের কাজ ‘অপবিত্র’ বলে বিবেচিত হতো এবং যাঁদের সঙ্গে ‘স্পর্শ’ করা নিষিদ্ধ ছিল — যা ‘অস্পৃশ্যতা’ নামে পরিচিত।

প্রশ্ন ১৬: উপনিষদে নারী শিক্ষার কী উল্লেখ আছে?
উত্তর: কিছু উপনিষদে নারী ঋষি ও জ্ঞানচর্চায় অংশগ্রহণকারী নারীদের কথা উল্লেখ করা হয়েছে, যেমন গার্গী ও মৈত্রেয়ী।

প্রশ্ন ১৭: প্রাচীন ভারতে ভিক্ষুক ও ভবঘুরেদের অবস্থান কেমন ছিল?
উত্তর: সমাজে তাঁদের নিচু স্তরে দেখা হতো, যদিও অনেকে আধ্যাত্মিক সাধনার পথে গিয়েছিলেন।

প্রশ্ন ১৮: জাতপাতের কারণে সামাজিক বিভাজন কেমন হতো?
উত্তর: জাতপাতের কারণে সমাজে অনানুষ্ঠানিক ও কঠোর ভেদরেখা তৈরি হতো, যা সামাজিক অসাম্য সৃষ্টি করত।

প্রশ্ন ১৯: প্রাচীন ভারতীয় সমাজে আত্মপরিচয় কিসের উপর নির্ভর করত?
উত্তর: প্রধানত ব্যক্তি কোন জাতি বা বর্ণভুক্ত, সে অনুযায়ী আত্মপরিচয় নির্ধারিত হতো।

প্রশ্ন ২০: ‘মনুস্মৃতি’ গ্রন্থে জাতিভেদ সম্পর্কে কী বলা হয়েছে?
উত্তর: ‘মনুস্মৃতি’তে বর্ণ ও জাতি ভিত্তিক কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে এবং শূদ্রদের নিম্নস্থান নির্ধারণ করা হয়েছে।

✏️

এই Post টো Update কৰাত সহায় কৰিব বিচাৰে নেকি?

ইয়াত কিবা ভুল, অসম্পূৰ্ণ তথ্য বা নতুন তথ্য থাকিলে আপুনি এটা উন্নত version প্ৰস্তুত কৰিব পাৰে। Live Post তৎক্ষণাৎ সলনি নহ'ব।

Update This Post

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to Top