AHSEC Class 12 Political Science Chapter 17 Solution Bengali Medium 2025 – 2026 | AHSEC দ্বাদশ শ্রেণীর রাষ্ট্রবিজ্ঞান অধ্যায় ১৭ বাংলা মাধ্যমের সমাধান ২০২৫ – ২০২৬

Chapter 17 – 

আঞ্চলিক প্রত্যাশা

✦ পাঠ্যপুস্তকভিত্তিক প্রশ্নোত্তর:

প্রশ্ন ১: আঞ্চলিক প্রত্যাশা বলতে কী বোঝায়?
উত্তর:
 কোনো নির্দিষ্ট অঞ্চলের জনগণের রাজনৈতিক, সাংস্কৃতিক, অর্থনৈতিক ও সামাজিক অধিকার বা স্বার্থের দাবি ও আকাঙ্ক্ষাকে আঞ্চলিক প্রত্যাশা বলা হয়।

প্রশ্ন ২: ভারতের কোন কোন রাজ্যে আঞ্চলিক প্রত্যাশার ভিত্তিতে আন্দোলন হয়েছে?
উত্তর: পাঞ্জাব, আসাম, তামিলনাড়ু, জম্মু ও কাশ্মীর, নাগাল্যান্ড, মিজোরাম, গোরখাল্যান্ড ইত্যাদি রাজ্যে আঞ্চলিক প্রত্যাশার ভিত্তিতে আন্দোলন হয়েছে।

প্রশ্ন ৩: আসামে ‘অসম আন্দোলন’ কেন শুরু হয়েছিল?
উত্তর: অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের বিরুদ্ধে এবং আসামিদের সাংস্কৃতিক, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক অধিকার রক্ষার দাবিতে অসম আন্দোলন শুরু হয়।

প্রশ্ন ৪: আঞ্চলিক প্রত্যাশা কীভাবে ভারতের জাতীয় ঐক্যকে প্রভাবিত করে?
উত্তর:
 আঞ্চলিক প্রত্যাশা কখনও কখনও জাতীয় ঐক্যের জন্য চ্যালেঞ্জ তৈরি করে, তবে সঠিক সমাধানের মাধ্যমে তা জাতীয় সংহতিকে শক্তিশালী করতেও সাহায্য করতে পারে।

প্রশ্ন ৫: শিখ সম্প্রদায়ের আলাদা রাষ্ট্র গঠনের দাবির নাম কী ছিল?
উত্তর:
 শিখ সম্প্রদায়ের একটি অংশের আলাদা রাষ্ট্র গঠনের দাবিকে “খালিস্তান” আন্দোলন বলা হয়।

প্রশ্ন ৬: ভারতীয় সংবিধান আঞ্চলিক প্রত্যাশা পূরণের কী কী ব্যবস্থা রেখেছে?
উত্তর: 
ভারতীয় সংবিধানে ভাষা, সংস্কৃতি, স্বায়ত্তশাসন, রাজ্যপুনর্গঠন ও ত্রৈমাসিক পরিকল্পনার মাধ্যমে আঞ্চলিক প্রত্যাশা পূরণের ব্যবস্থা রয়েছে।

প্রশ্ন ৭: মিজো আন্দোলনের ফলাফল কী হয়?

উত্তর: মিজো আন্দোলনের ফলাফলস্বরূপ ১৯৮৬ সালে মিজো চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় এবং ১৯৮৭ সালে মিজোরাম পূর্ণাঙ্গ রাজ্যে পরিণত হয়।

প্রশ্ন ৮: গোরখাল্যান্ড আন্দোলনের মূল দাবি কী ছিল?
উত্তর: পশ্চিমবঙ্গের দার্জিলিং এলাকায় বাসকারী গোর্খা জনগণ ‘গোরখাল্যান্ড’ নামে পৃথক রাজ্যের দাবি করেছিল।

প্রশ্ন ৯: নাগাল্যান্ড রাজ্য কবে গঠিত হয়?
উত্তর: নাগাল্যান্ড ১৯৬৩ সালে একটি পৃথক রাজ্য হিসাবে গঠিত হয়।

প্রশ্ন ১০: পাঞ্জাবে খালিস্তান আন্দোলনের প্রধান কারণ কী ছিল?
উত্তর: ধর্মীয় বিচ্ছিন্নতাবাদ, রাজনৈতিক বঞ্চনা, ভাষাগত ও অর্থনৈতিক সমস্যা খালিস্তান আন্দোলনের মূল কারণ ছিল।

✦ অতিরিক্ত প্রশ্নোত্তর (Additional Question Answer):

প্রশ্ন ১১: আঞ্চলিক প্রত্যাশার উৎস কী কী হতে পারে?
উত্তর: ভাষাগত বৈচিত্র্য, ধর্মীয় ভিন্নতা, অর্থনৈতিক বৈষম্য, সাংস্কৃতিক স্বাতন্ত্র্যবোধ, প্রশাসনিক অবহেলা ইত্যাদি আঞ্চলিক প্রত্যাশার উৎস হতে পারে।

প্রশ্ন ১২: ভারত সরকার কীভাবে আঞ্চলিক প্রত্যাশা মোকাবিলা করে?
উত্তর: ভারত সরকার সংলাপ, রাজ্যপুনর্গঠন, সাংবিধানিক স্বীকৃতি, উন্নয়নমূলক প্রকল্প এবং শান্তি চুক্তির মাধ্যমে আঞ্চলিক প্রত্যাশা মোকাবিলা করে।

প্রশ্ন ১৩: অসম চুক্তির (Assam Accord) প্রধান বৈশিষ্ট্য কী?
উত্তর: অসম চুক্তির প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো ১৯৭১-এর ২৪ মার্চের পরে আসা বিদেশিদের চিহ্নিত করে বহিষ্কার, আসামিদের সাংস্কৃতিক সুরক্ষা এবং উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি।

প্রশ্ন ১৪: রাজ্য পুনর্গঠনের মাধ্যমে কীভাবে আঞ্চলিক প্রত্যাশা পূরণ করা হয়েছে?
উত্তর: ভাষাভিত্তিক ও সাংস্কৃতিক স্বীকৃতির মাধ্যমে নতুন রাজ্য গঠন করে স্থানীয় জনগণের প্রত্যাশা পূরণ করা হয়েছে, যেমন—ত্রিপুরা, মেঘালয়, নাগাল্যান্ড ইত্যাদি।

প্রশ্ন ১৫: ভারতের গণতান্ত্রিক কাঠামো আঞ্চলিক প্রত্যাশা পূরণে কতটা সহায়ক?
উত্তর:
 ভারতের গণতান্ত্রিক কাঠামো জনগণকে দাবি জানানোর অধিকার দেয়, নির্বাচনের মাধ্যমে প্রতিনিধি নির্বাচনের সুযোগ দেয় এবং নীতিনির্ধারণে জনগণের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করে, যা আঞ্চলিক প্রত্যাশা পূরণে সহায়ক।

✏️

এই Post টো Update কৰাত সহায় কৰিব বিচাৰে নেকি?

ইয়াত কিবা ভুল, অসম্পূৰ্ণ তথ্য বা নতুন তথ্য থাকিলে আপুনি এটা উন্নত version প্ৰস্তুত কৰিব পাৰে। Live Post তৎক্ষণাৎ সলনি নহ'ব।

Update This Post

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to Top