SEBA Class 7 Bangla Chapter 14 Answer 2026 – 2027 (SCERT Assam Board) | হে ভারতের শ্রমজীবি অধ্যায়ের উত্তর

  Chapter 14 – 

হে ভারতের শ্রমজীবি 

পাঠ্যপুস্তকের প্রশ্নোত্তর

প্রশ্ন ১: কবিতাটির মূল ভাব কী?
উত্তর: 
কবিতাটি ভারতের শ্রমজীবী মানুষদের সংগ্রাম, কঠোর পরিশ্রম এবং আত্মত্যাগের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করে। এতে শ্রমিকদের কঠোর পরিশ্রমের গুরুত্ব বোঝানো হয়েছে এবং সমাজের উন্নয়নে তাদের ভূমিকার প্রশংসা করা হয়েছে।

প্রশ্ন ২: কবি শ্রমজীবীদের প্রতি কী বার্তা দিতে চান?
উত্তর: 
কবি শ্রমজীবীদের উদ্দেশ্যে বলতে চান যে তাদের কঠোর পরিশ্রম ও আত্মত্যাগের ফলেই সমাজ ও দেশ গড়ে উঠেছে। তারা যেন কখনো হতাশ না হন এবং নিজেদের শ্রমের মর্যাদা বোঝেন।

প্রশ্ন ৩: শ্রমজীবীদের কঠোর পরিশ্রমের কয়েকটি উদাহরণ দাও।
উত্তর:

  1. কৃষকরা মাঠে কাজ করে আমাদের খাদ্যের যোগান দেন।
  2. কলকারখানার শ্রমিকেরা দিনরাত পরিশ্রম করে শিল্প উৎপাদন করেন।
  3. নির্মাণ শ্রমিকরা বহুতল ভবন, সেতু, রাস্তা তৈরি করেন।
  4. মজুররা দৈনিক কঠোর পরিশ্রম করে জীবিকা নির্বাহ করেন।

প্রশ্ন ৪: সমাজের উন্নয়নে শ্রমজীবীদের ভূমিকা কী?
উত্তর: শ্রমজীবীরা সমাজের উন্নয়নের প্রধান স্তম্ভ। তাদের কঠোর পরিশ্রম ছাড়া কৃষি, শিল্প, পরিবহন, নির্মাণ, বাণিজ্য, এবং অন্যান্য ক্ষেত্র অচল হয়ে পড়বে। তাদের নিরলস পরিশ্রমের মাধ্যমেই দেশ এগিয়ে যায়।

প্রশ্ন ৫: শ্রমের মর্যাদা কেন রক্ষা করা উচিত?
উত্তর: শ্রমিকদের সম্মান না দিলে সমাজের অগ্রগতি সম্ভব নয়। তারা দিনরাত কাজ করে সভ্যতাকে এগিয়ে নিয়ে যায়। তাই শ্রমিকদের সঠিক মজুরি, কাজের সুষ্ঠু পরিবেশ ও সামাজিক মর্যাদা দেওয়া জরুরি।

অতিরিক্ত প্রশ্নোত্তর

প্রশ্ন ৬: “হে ভারতের শ্রমজীবী” কবিতার ভাষার বৈশিষ্ট্য কী?
উত্তর: 
কবিতার ভাষা শক্তিশালী, অনুপ্রেরণামূলক ও সংগ্রামী চেতনা জাগ্রতকারী। এতে শ্রমজীবী মানুষের প্রতি শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা প্রকাশ করা হয়েছে।

প্রশ্ন ৭: শ্রমিকদের কষ্ট কমাতে কী কী ব্যবস্থা নেওয়া যেতে পারে?
উত্তর:

  1. ন্যায্য মজুরি প্রদান করা।
  2. কাজের নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করা।
  3. স্বাস্থ্যসেবা ও বিশ্রামের সুযোগ দেওয়া।
  4. শিশু শ্রম বন্ধ করা।
  5. শ্রমিকদের অধিকার সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি করা।

প্রশ্ন ৮: তুমি শ্রমজীবী মানুষদের প্রতি কীভাবে সম্মান দেখাতে পারো?
উত্তর:

  • তাদের প্রতি সদয় আচরণ করে।
  • তাদের পরিশ্রমের গুরুত্ব বুঝে।
  • তাদের কাজের যথাযথ মূল্যায়ন করে।
  • তাদের সুবিধার জন্য সামাজিক উদ্যোগ গ্রহণ করে।

প্রশ্ন ৯: শ্রমজীবী মানুষের অবদান ছাড়া সমাজের অবস্থা কেমন হতো?
উত্তর:
 শ্রমজীবী মানুষের অবদান ছাড়া সমাজ অচল হয়ে পড়ত। কৃষকরা ফসল ফলাতেন না, নির্মাণ শ্রমিকেরা রাস্তা, সেতু বানাতেন না, কলকারখানা বন্ধ হয়ে যেত এবং সভ্যতার অগ্রগতি থমকে যেত।

প্রশ্ন ১০: কবিতাটি পড়ে তোমার কী অনুভূতি হয়েছে?
উত্তর: 
কবিতাটি পড়ে শ্রমজীবী মানুষের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতা জন্মায়। এটি আমাদের তাদের কঠোর পরিশ্রমের মর্যাদা দিতে শেখায় এবং সমাজে তাদের অবদান উপলব্ধি করতে সাহায্য করে।

✏️

এই Post টো Update কৰাত সহায় কৰিব বিচাৰে নেকি?

ইয়াত কিবা ভুল, অসম্পূৰ্ণ তথ্য বা নতুন তথ্য থাকিলে আপুনি এটা উন্নত version প্ৰস্তুত কৰিব পাৰে। Live Post তৎক্ষণাৎ সলনি নহ'ব।

Update This Post

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to Top