SEBA Class 8 Social Science Chapter 11 Answer Bengali Medium 2026 – 2027 (SCERT Assam Board) | অসমের আর্থ-সামাজিক জীবনে মধ্যযুগের শাসকদের অবদান অধ্যায়ের উত্তর

 Chapter 11 –

অসমের আর্থ-সামাজিক জীবনে মধ্যযুগের শাসকদের অবদান

পাঠ্যপুস্তকের প্রশ্নোত্তর:

১. মধ্যযুগের অসমের প্রধান শাসকদের নাম লেখ।
উত্তর:
 মধ্যযুগের অসমের প্রধান শাসকরা হলেন—

  • আহোম রাজবংশ: চাও লুং সুকাফা, স্বর্গদেউ সুসেনফা, স্বর্গদেউ প্রাতাপসিংহ, স্বর্গদেউ রুদ্রসিংহ।
  • কোচ রাজবংশ: মহারাজ বিশ্বসিংহ, মহারাজ নরনারায়ণ।
  • চুতিয়া রাজবংশ: মহারাজ বিষ্মল্লা।
  • কচার রাজবংশ: ধনমানিক্য।

২. আহোম শাসকরা অসমের সমাজে কী ধরনের পরিবর্তন আনেন?
উত্তর: 
আহোম শাসকরা অসমের সমাজে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আনেন—

  • ভূমি সংস্কার ও কৃষির উন্নয়ন।
  • বৈজ্ঞানিক উপায়ে জলব্যবস্থার উন্নতি।
  • নতুন নতুন জনপদের সম্প্রসারণ।
  • বিভিন্ন জনজাতিকে সমাজের মূল স্রোতে অন্তর্ভুক্ত করা।
  • অসমীয় ভাষা ও সংস্কৃতির বিকাশ।

৩. মধ্যযুগের অসমের অর্থনীতি কেমন ছিল?
উত্তর: 
মধ্যযুগের অসমের অর্থনীতি ছিল কৃষিনির্ভর। প্রধান বৈশিষ্ট্যগুলো হল—

  • ধান ছিল প্রধান শস্য।
  • ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসার ঘটেছিল, বিশেষ করে হাতির দাঁত, লাক্ষা, রেশম ও বাঁশজাত সামগ্রীর ব্যবসা।
  • মুদ্রা বিনিময় প্রচলিত ছিল না, বিনিময় প্রথা চালু ছিল।
  • কাঠমিস্ত্রি, কামার, তাঁত শিল্পীদের বড়ো ভূমিকা ছিল।

৪. নরনারায়ণের শাসনকালকে স্বর্ণযুগ বলা হয় কেন?
উত্তর: 
নরনারায়ণের শাসনকালকে স্বর্ণযুগ বলা হয় কারণ—

  • তিনি প্রশাসন ও বিচার ব্যবস্থাকে সুসংহত করেন।
  • শিল্প, সাহিত্য ও সংস্কৃতির প্রসার ঘটান।
  • বৈদেশিক বাণিজ্য সম্প্রসারিত করেন।
  • কামতাপুর রাজ্যের সামরিক শক্তি বৃদ্ধি করেন।

অতিরিক্ত প্রশ্নোত্তর:

৫. চাও লুং সুকাফার ভূমিকা কী ছিল?

উত্তর: চাও লুং সুকাফা আহোম রাজবংশের প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন। ১২২৮ খ্রিস্টাব্দে তিনি ব্রহ্মপুত্র উপত্যকায় আসেন ও একটি শক্তিশালী শাসনব্যবস্থা গড়ে তোলেন। অসমীয় সমাজের সাথে আহোম সংস্কৃতির সংমিশ্রণ ঘটান।

৬. আহোমদের ‘পাইক’ ব্যবস্থা কী?
উত্তর: ‘
পাইক’ ব্যবস্থা ছিল আহোম সাম্রাজ্যের সামরিক ও প্রশাসনিক কাঠামো। এই ব্যবস্থায় প্রতিটি যুবককে সৈন্য, কৃষক বা কারিগর হিসেবে কাজ করতে হতো।

৭. মধ্যযুগে অসমে ধর্ম ও সংস্কৃতির বিকাশে কার অবদান ছিল?
উত্তর
: মধ্যযুগে অসমে ধর্ম ও সংস্কৃতির বিকাশে মহাপুরুষ শ্রীমন্ত শঙ্করদেব ও মাধবদেবের অবদান ছিল। তারা বৈষ্ণব ধর্ম প্রচার করেন ও অসমীয় সাহিত্য, সত্র সংস্কৃতি এবং নৃত্য-গীতের বিকাশ ঘটান।

৮. মধ্যযুগে অসমে কী ধরনের কৃষিজ ফসল উৎপাদিত হতো?
উত্তর: 
মধ্যযুগে অসমে ধান, সরষে, তিল, পাট, মোঙ, আখ ইত্যাদি কৃষিজ ফসল উৎপাদিত হতো।

৯. আহোম রাজত্বের প্রশাসনিক কাঠামো কেমন ছিল?
উত্তর: 
আহোম প্রশাসন তিনটি স্তরে বিভক্ত ছিল—

  • রাজা বা স্বর্গদেউ সর্বোচ্চ শাসক।
  • ‘বরগোহাঞি’, ‘বরপাত্রগোহাঞি’, ‘বরফুকন’ প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভ।
  • পাইক ব্যবস্থার মাধ্যমে প্রশাসন চালানো হতো।

১০. মধ্যযুগের অসমে শিক্ষার অবস্থা কেমন ছিল?
উত্তর: 
মধ্যযুগের অসমে শিক্ষার ব্যবস্থা প্রধানত মন্দির ও সত্রকেন্দ্রিক ছিল। বৈষ্ণব ধর্ম প্রচারকদের হাতে অসমীয় সাহিত্য ও সংস্কৃতির বিকাশ ঘটে।

এইভাবে, মধ্যযুগের শাসকদের শাসন ও সংস্কৃতির প্রভাব অসমের আর্থ-সামাজিক জীবনে গভীর ছাপ ফেলেছিল।

✏️

এই Post টো Update কৰাত সহায় কৰিব বিচাৰে নেকি?

ইয়াত কিবা ভুল, অসম্পূৰ্ণ তথ্য বা নতুন তথ্য থাকিলে আপুনি এটা উন্নত version প্ৰস্তুত কৰিব পাৰে। Live Post তৎক্ষণাৎ সলনি নহ'ব।

Update This Post

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to Top