West Bengal Class 4 Bangla Chapter 4 Solution 2026 | পশ্চিমবঙ্গ ৪র্থ শ্ৰেণির বাংলা চ্যাপ্টার 4 সমাধান | West Bengal Class 4 Bangla Chapter 4 Solution | পশ্চিমবঙ্গ ৪র্থ শ্ৰেণির বাংলা চ্যাপ্টার ৪ সমাধান | WBBSE Class 4 Bangla Books Chapter 4 Solution | তোত্তো-চানের অ্যাডভেঞ্চার | Bengali Medium।

 ৪। তোত্তো-চানের অ্যাডভেঞ্চার

Very Short Question Answer

১. তোত্তো-চান কথাটির অর্থ কী?

উ: তোত্তো-চান কথাটির অর্থ হল ছোটো খুকু।

২. ‘তোত্তো-চান’ বইটির লেখিকার নাম কী?

উ: ‘তোত্তো-চান’ বইটির লেখিকা হলেন- তেৎসুকো কুরোয়ানাগি।

৩. ‘নীচের এলোমেলো বর্ণগুলি সাজিয়ে শব্দ তৈরি করো।

উ: লো য়া পা ন -পালোয়ান। ঘ ল র হ – হলঘর। তি রী থা য-যথারীতি। ভি টে শ লি ন- টেলিভিশন। 

৪. তোত্তো-চান কাকে গাছে চড়ার নিমন্ত্রণ জানিয়েছিল?

উ: তোত্তো-চান ইয়াসুয়াকি চানকে গাছে চড়ার নিমন্ত্রণ জানিয়েছিল।

৫. গাছের চড়ার নিমন্ত্রণের কথা কারা জানতেন না?

উ: গাছে চড়ার নিমন্ত্রণের কথা তোত্তো-চানের বাবা-মা জানতেন না।

৬. কোথায় সবার একটা করে গাছ ছিল?

উ: তোত্তো তোমাই এর যে স্কুলে পড়ত, সেখানে সবার একটা করে গাছ ছিল।

৭. স্কুল চত্বরে কারা গাছগুলোর দখল নিয়েছিল?

উ: স্কুলের পড়ুয়ারা স্কুল চত্বরের গাছগুলোর দখল নিয়েছিল। 

৮.  টিফিনের সময় বা ছুটির পরে তোত্তো-চান কী করত?

উ: টিফিনের সময় বা ছুটির পরে তোতো গাছে উঠে নীচের লোকজন আর ওপরের আকাশটাকে দেখত।

৯.  ইয়াসুয়াকি-চানের পায়ে কী অসুবিধা ছিল?

উ: ইয়াসুয়াকি-চানের পা পোলিয়ো রোগে আক্রান্ত ছিল।

 Short Question Answer

১. মইয়ের মাথায় পৌঁছেও ইয়াসুয়াকি-চান গাছের উপর উঠতে পারছিল না কেন?

উ: মইয়ের মাথায় পৌঁছেও ইয়াসুয়াকি চান গাছের উপর পৌঁছাতে পারছিল না, কারণ তার পায়ে পোলিয়ো ছিল। আর তার ফলে তার পায়ের আঙুলগুলো দলা পাকিয়ে গিয়েছিল। সেই গাছের ওপরে ওঠার মতো শক্তি তার পায়ে দিতে পারছিল না।

২. ছেলেমেয়েরা গাছগুলোকে কীভাবে আপন করে নিয়েছিল?

উ: তোমোই এর স্কুলের ছেলে মেয়েরা গাছগুলোকে নিজেদের বাসস্থান বলে কল্পনা করত। প্রত্যেকে নিজের গাছে চড়ত। সে গুলি যেন তাদের নিজস্ব সম্পত্তি ছিল। কেউ অন্যের গাছে চড়তে চাইলে তাকে বিনীতভাবে অনুরোধ করতে হত গাছে চড়ার জন্য।

৩. বন্ধুকে কীভাবে গাছে ওঠাবে বলে তোত্তো -চান পরিকল্পনা করেছিল?

উ: তোত্তোর বন্ধু ইয়াসুয়াকি-চানের পায়ের সমস্যা ছিল। পোলিয়োর আক্রমণে তার এমন অবস্থা হয়েছিল। তাই তার নিজস্ব কোনো গাছ ছিল না। তোত্তো তাকে গাছে চড়ানোর নিমন্ত্রণ করেছিল। বাড়িতে কাউকে না জানিয়ে স্কুলের দারোয়ানের কাছে মই নিয়ে সে তার বন্ধু ইয়াসুয়াকি- চানকে গাছে চড়িয়েছিল।

৪. টেলিভিশনের গল্প শুনে তোত্তো- চান কী ভেবেছিল?

উ: টেলিভিশনে সুমো পালোয়ানদের লড়াই দেখা সম্ভব বন্ধু ইয়াসুয়াকির কাছ থেকে একথা শুনে তোত্তো-চান বিস্মিত হয়েছিল। আসলে সে কিছুতেই বুঝে উঠতে পারছিল না সুমো পালোয়ানদের মতো বড়ো চেহারার লোকেদের কীভাবে একটা বাক্সের মধ্যে দেখা যেতে পারে।

৫. তোত্তো- চান গাছের ওপর উঠে কীভাবে সময় কাটাত?

উ: তোত্তো-চানের দখলে যে গাছ ছিল সে সেটার ডালে চড়ে বসত। টিফিনের বা ছুটির সময় সে সেখানে বসে নীচের লোকজন ও উপরের আকাশ দেখত।

৬. ‘এই প্রথম তোত্তো-চান বুঝতে পারল’- তোত্তো-চান কী বুঝতে পারল? কাজটা কেন সহজ ছিল না লেখো।

উ: তোত্তো-চান বুঝতে পারে তার বন্ধুকে গাছের উপরে তোলার কাজ সহজ নয়। তোত্তো-চানের বন্ধু ইয়াসুয়াকি-চান ছিল পোলিয়ো রোগে আক্রান্ত। তার হাত পায়ের আঙুলগুলো ঠিকমতো কাজ করত না। তোত্তো নিজেও ছিল ছোটোখাটো চেহারার। মইটা সে ঠিকমতো ধরে রাখতে পারছিল না। সে কারণে তোত্তো- চানের কাছে কাজটা সহজ লাগে নি।

৭. তোত্তো চান তার বন্ধু ইয়াসুয়াকি-চানকে গাছে ওঠার নিমন্ত্রণ করেছিল কেন?

উ: ইয়াসুয়াকি চান পোলিয়ো রোগে পায়ের জোর খুইয়েছিল। সে কারণে স্কুলের অন্যান্য সঙ্গীদের মতো তার নিজস্ব কোনো গাছ ছিল না। বন্ধুর প্রতি অকৃত্রিম ভালোবাসায় তোত্তোর মনে ইয়াসুয়াকিকে গাছে চড়ানোর ইচ্ছা জাগে। তাই সে ইয়াসুয়াকিকে গাছে চড়ার আমন্ত্রণ জানিয়েছিল।

৮. দুই বন্ধু গাছের উপর বসে টেলিভিশন নিয়ে কী গল্প করেছিল?

উ:তোত্তো ইয়াসুয়াকির কাছে প্রথম টিভির কথা জানতে পারে। ইয়াসুয়াকি তার আমেরিকাবাসী দিদির কাছে জেনেছিল টিভি একটা বাক্সের মতো। এতে গোটা বিশ্ব বন্দি করে রাখা যায়। জাপানে টেলিভিশন এলে তারা বাড়িতে বসেই সুমোদের লড়াই দেখতে পাবে।

৭. তুমি তোমার প্রিয় বন্ধুর সঙ্গে যে ধরনের গল্প করো তা নিয়ে একটি অনুচ্ছেদ লেখো।

উ:আমার প্রিয় বন্ধুর নাম আনান্তিক। ফাঁকা সময়ে আমরা পড়াশুনো নিয়ে আলোচনা করি। এছাড়া আমাদের আলোচনার মাঝেমধ্যে এসে পড়ে রবিবারে সংবাদপত্রে প্রকাশিত গল্প নিয়ে। স্কুলে টিফিনের সময় আমি আর ও ব্ল্যাকবোর্ডের নানা জটিল সমাধান লিখে আলোচনা করি। আনান্তিকের ইচ্ছা বড়ো হয়ে ডাক্তার হবার। সে ভালোবাসে বিশ্বখ্যাত বিভিন্ন ডাক্তারের সম্পর্কে জানতে। আমাদের গল্পে সেগুলোও চলে আসে।

৮. বাড়ি বা স্কুলের কোন গাছটা তোমার একেবারেই নিজের বলে মনে হয়। সেই বন্ধুর যত্ন তুমি কীভাবে করো?

উ: বাড়ির বাগানের গন্ধরাজ ফুলের গাছটা আমার খুব ভালো লাগে। সেটাকে আমার নিজের বলে মনে হয়। গতবছর বাবার সঙ্গে বাজার থেকে গাছটা আমি এনেছিলাম। রোজ বিকেলে আমি গাছটার গোড়ায় জল ঢালি। মাঝেমাঝে গাছের গোড়াটা পরিষ্কার করে দিই। বাজার থেকে বাবাকে দিয়ে সার আনাই গাছটার গোড়ায় দেবার জন্য। লক্ষ রাখি কোনো পোকামাকড় গাছটাকে আক্রমণ করছে কিনা।

৯. গাছে তোমার যদি একটা বাড়ি থাকত তুমি কীভাবে সেখানে সময় কাটাতে? কয়েকটি বাক্যে লেখো।

উ: গাছের উপর যদি আমার একটা বাড়ি থাকত তাহলে পড়াশোনা শেষ করে আমি সেখানে চলে যেতাম। সেখানে বসে বসে দেখতাম আকাশ, পাখিদের উড়ে যাওয়া। রং আর তুলি নিয়ে এঁকে চলতাম নানা ছবি। মাঝে মাঝে সৌমালিকে নিমন্ত্রণ জানাতাম গাছ বাড়িতে সময় কাটানোর জন্য।

Fill in The Blanks

১. ————- তে সবার একটা করে গাছ ছিল।

উ: তোমোই।

২. তোত্তো-চানের গাছটা ছিল ———–র ধারে।

উ: বেড়া।

৩. ইয়াসুয়াকি চানের.———– ছিল -র জন্য পায়ে অসুবিধা

উ: পোলিয়ো।

৪. টেলিভিশন নাকি একটা ————মতোন।

উ: বাক্স।

৫. তার মধ্যে ইয়া বড়ো বড়ো —————পালোয়ান।

উ: সুমো।

✏️

এই Post টো Update কৰাত সহায় কৰিব বিচাৰে নেকি?

ইয়াত কিবা ভুল, অসম্পূৰ্ণ তথ্য বা নতুন তথ্য থাকিলে আপুনি এটা উন্নত version প্ৰস্তুত কৰিব পাৰে। Live Post তৎক্ষণাৎ সলনি নহ'ব।

Update This Post

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to Top