West Bengal Class 9 Bangla Chapter 10 Solution 2026 | পশ্চিমবঙ্গ নবম শ্ৰেণির বাংলা চ্যাপ্টার ১০ সমাধান | WBBSE Class 9 Bangla Chapter 10 Solution | আবহমান |

 Chapter 10 – 

    আবহমান

বহুবিকল্পভিত্তিক প্রশ্নোত্তর

সঠিক উত্তরটি নির্বাচন করো।

প্রশ্নঃ “কে এইখানে এসেছিল”- কবে?

(a) অনেক দিন আগে

(b) কয়েক মাস আগে

© অনেক সপ্তাহ আগে

(d) অনেক বছর আগে

উত্তরঃ অনেক বছর আগে।

প্রশ্নঃ সন্ধ্যার বাতাসে’- সন্ধ্যার বাতাসে কী হয়?

(a) ছোট্ট একটা ফুল দোলে

(b) ছোট্ট একটা ফল দোলে 

© ছোট্ট একটা বাতাবি লেবু দোলে

(d) ছোট্ট একটা পেয়ারা দোলে।

উত্তরঃ (a) ছোট্ট একটা ফুল দোলে

প্রশ্নঃ কোন গাছটি বুড়িয়ে ওঠে?

(a) বটগাছ

(b) নটেগাছ

© জামগাছ

(d) হিজলগাছ।

উত্তরঃ (b) নটেগাছ

প্রশ্নঃ ‘আবহমান’ কবিতার কবির নাম –

(a) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

(b) নজরুল ইসলাম

© নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী

(d) সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত।

উত্তরঃ © নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী

প্রশ্নঃ “এইখানে ঘর বেঁধেছে নিবিড়”-

(a) বিষাদে 

(b) ক্ষোভে 

© অনুরাগে 

(d) বিরাগে।

উত্তরঃ © অনুরাগে

প্রশ্নঃ “কে এইখানে হারিয়ে গিয়েও আবার ফিরে আসে”

(a) মাটিকে

(b) বাতাসকে

© পূর্বোক্ত দু’টিকেই

(d) পূর্বোক্ত কোনোটিকেই নয়।

উত্তরঃ © পূর্বোক্ত দু’টিকেই 

প্রশ্নঃ “ফুরয় না তার” কী ফুরোয় না?

(a) যাওয়া-আসা

(b) গমন-আগমন

© গমন-প্রত্যাবর্তন

(d) ওঠা-নামা।

উত্তরঃ (a) যাওয়া-আসা

প্রশ্নঃ “সারাটা দিন আপন মনে” আপন মনে কী করে?

(a) ঘাসের গন্ধ মাখে

(b) আতর মাখে

© মাটির গন্ধ মাখে

(d) রৌদ্র মাখে।

উত্তরঃ (a) ঘাসের গন্ধ মাখে

প্রশ্নঃ “নামলে আবার ছুটে আসে”- কী ছুটে আসে?

(a) নদীর হাওয়া

(b) সমুদ্রের হাওয়া

© খালের হাওয়া

(d) সান্ধ্য নদীর হাওয়া।

উত্তরঃ (d) সান্ধ্য নদীর হাওয়া

প্রশ্নঃ “একটা ফুল দুলছে” কোন ফুল?

(a) বেঁটে

(b) মাঝারি

© লম্বা

(d) ছোট্ট।

উত্তরঃ (d) ছোট্ট

অতিসংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর

প্রশ্নঃ কোন নির্দিষ্ট সময়ে ফুল দোলার কথা বলা হয়েছে?

উত্তরঃ সন্ধ্যাবেলা ফুল দোলার কথা বলা হয়েছে।

প্রশ্নঃ “কে এইখানে হারিয়ে গিয়েও আবার ফিরে আসে,”-‘আবার’ শব্দটি ব্যবহারের কারণ কী?

উত্তরঃ জীবিকার তাগিদে যারা চলে গিয়েছিল মাতৃভূমির টানে, শিকড়ের সন্ধানে যখন তারা ফিরে আসবে, সেই সময়কে ‘আবার’ বলা হয়েছে।

প্রশ্নঃ ‘আবহমান’ কথাটির অর্থ কী?

উত্তরঃ ‘আবহমান’ শব্দের অর্থ ‘নিরবচ্ছিন্ন’। প্রাচীন কাল থেকে যা চলে আসছে তা-ই আবহমান।

প্রশ্নঃ “ফুরয় না, তার কিছুই ফুরয় না” পরবর্তী চরণটি লেখো।

উত্তরঃ উদ্ধৃতাংশটির পরবর্তী চরণটি হলো- “নটেগাছটা বুড়িয়ে ওঠে, কিন্তু মুড়য় না।”

প্রশ্নঃ “তেমনি করেই সূর্য ওঠে”- এখানে কার কথা বলা হয়েছে?

উত্তরঃ প্রশ্নেপ্রদত্ত উদ্ধৃতাংশে নতুন চেতনার উন্মেষের কথা বলা হয়েছে।

প্রশ্নঃ “নেভে না তার যন্ত্রণা যে, দুঃখ হয় না বাসি,”- কার কথা বলা হয়েছে?

উত্তর প্রশ্নোপ্রদত্ত উদ্ধৃতাংশে গ্রাম বাংলার দরিদ্র মানুষের কথা বলা হয়েছে।

প্রশ্নঃ “লাউমাচার পাশে”-কবিতায় এই চরণটি একাধিকবার ব্যবহারের উদ্দেশ্য লেখো।

উত্তরঃ লাউ একটি অতিপরিচিত গাছ যেটি গ্রামের সহজ সরল জীবনযাত্রার রূপ তুলে ধরতে সাহায্য করে। সে কারণেই কবি কবিতায় “লাউমাচার পাশে” চরণটি একাধিকবার ব্যবহার করেছেন।

প্রশ্নঃ “সারাটা রাত তারায় তারায় স্বপ্ন এঁকে রাখে।” কার কথা বলা হয়েছে?

উত্তরঃ এখানে পল্লিজননীর কথা বলা হয়েছে।

প্রশ্নঃ ‘সান্ধ্য নদীর হাওয়া’র স্বরূপ কেমন?

উত্তরঃ ‘সান্ধ্য নদীর হাওয়া’ দুরন্ত।

ব্যাখ্যাভিত্তিক প্রশ্নোত্তর

প্রশ্নঃ  “যা গিয়ে ওই উঠানে তোরা দাঁড়া” কোন কবির, কোন কবিতার অংশ? বস্তুা কাকে, কোথায় দাঁড়াতে বলেছেন?

উত্তরঃ কবি নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তীর ‘আবহমান’ কবিতা থেকে উদ্ধৃতাংশটি নেওয়া হয়েছে। 

কবি নগরজীবনে ক্লান্ত মানুষগুলির উদ্দেশে এ কথাটি বলেছেন। গ্রামে ফিরে তাদের বাড়ির উঠানে লাউমাচার পাশে তিনি দাঁড়াতে বলেছেন। কারণ এটাই তাদের আবার প্রাণময় করে তুলতে পারে।

প্রশ্নঃ “সারাটা দিন আপন মনে ঘাসের গন্ধ মাখে” কে এই কাজ করে? কেন?

উত্তরঃ কবি নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী ‘আবহমান’ কবিতায় হাজারো কষ্টেও যিনি গ্রাম ছেড়ে চলে যাননি সেই পল্লিমায়ের কথা বলেছেন।

স্বজন হারানোর যন্ত্রণায় তিনি কাতর। তাই একদিন যেখানে সন্তানেরা খেলা করে বেড়াত, ঘাসে গড়াগড়ি দিত, গায়ে ধুলো-বালি মাখত, সেই ঘাসকেই আঁকড়ে ধরে, সন্তানস্নেহে খুশি থাকতে চান জননী। তাই তিনি সারাটা দিন আপন মনে ঘাসের গন্ধকে অনুভব করে বাঁচতে চেয়েছেন।

প্রশ্নঃ “কে এইখানে এসেছিল অনেক বছর আগে,”- কোন কবিতার অংশ? কবির নাম লেখো। ‘কে’ বলতে কার কথা বলা হয়েছে? এখন সে কোথায়?

উত্তরঃ আলোচ্য অংশটি ‘আবহমান’ কবিতার অংশ। 

কবি হলেন নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী। 

গ্রামকে ভালোবেসে সেখানে যারা ঘর বেঁধেছে, একসময় তারা গ্রামকে ভালোবেসে ফেলেছে। পরম মমতায় গ্রামকে ভালোবেসে অন্য কোথাও যায়নি যারা তাদের কথা বলা হয়েছে।

‘সে’ এখন বিদেশে, দেশ ছেড়ে অন্যত্র গমন করেছে।

প্রশ্নঃ “কে এইখানে হারিয়ে গিয়েও আবার ফিরে আসে” পঙ্ক্তিটির মর্মার্থ লেখো।

উত্তরঃ কবি নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তীর ‘আবহমান’ কবিতায় জীবিকার তাগিদে দেশান্তরিত মানুষ জন্মভূমির টান আর ঘনিষ্ঠ মানুষজনের স্নেহের টানে ঘরে ফিরে আসেন। পল্লিবাংলার ছায়া সুনিবিড় শান্ত প্রকৃতি, বড়োদের স্নেহস্পর্শ, তাদের আন্তরিকতা, মায়ের ভালোবাসা, ছেলেবেলাকার সেই নিকানো উঠানে দৌড়ঝাঁপ, লাউমাচার পাশে বন্ধুদের সঙ্গে খেলা করা-আজ সেই সমস্ত স্মৃতি তাদের পুনরায় গ্রামমুখী করেছে। তাই একদিন শহরের ভিড়ে হারিয়ে গিয়েও আবার সেই অতি পরিচিত শ্যামল পরিবেশে ফিরে আসতে উদ্যোগী হয়েছে তারা।

রচনাধর্মী প্রশ্নোত্তর

প্রশ্নঃ ‘আবহমান’ কবিতা অবলম্বনে কবির প্রকৃতিচেতনার পরিচয় দাও।

উত্তরঃ কবি নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী তাঁর প্রথম কাব্যেই সমাজের ক্লেদাক্ততার বাইরে গিয়ে নির্মল প্রকৃতির ছোঁয়ায় যাত্রা শুরু করেছেন। স্বাভাবিকভাবেই প্রকৃতিচেতনা তাঁর রক্তে। তাঁর ‘অন্ধকার বারান্দা’ নামক কাব্যের অন্তর্গত ‘আবহমান’ কবিতাটিও এর ব্যতিক্রম নয়।

আলোচ্য কবিতার শুরুতেই যে চারটি চরণ রয়েছে তা মোট চারবার ব্যবহৃত হয়েছে সমগ্র কবিতায়। লক্ষ করলে দেখা যাবে উঠোন, লাউমাচা, ছোট্ট ফুল, সন্ধ্যার বাতাস- এ সবই গ্রাম্য প্রকৃতির অনুষঙ্গ। এদের যথার্থ ব্যবহারে কবিতায় জন্মভূমির প্রতি আবহমান কাল ধরে চলে আসা টান ব্যক্ত করা হয়েছে। এভাবে তিনি প্রতিটি মানুষের ফেলে আসা শৈশবের খেলাঘরে ফেরার চিরন্তন আকাঙ্ক্ষা ফুটিয়ে তুলেছেন অনবদ্য ভঙ্গিমায়। ঘাসের গন্ধ, তারার স্বপ্ন, না-নেভা যন্ত্রণার আগুন, না-বাসি হওয়া দুঃখ কুন্দ ফুলের মাধ্যমে ফুটে ওঠা, সূর্যের ওঠা-নামা, সন্ধ্যার বাতাস ইত্যাদি প্রকৃতির অনুষঙ্গকে সচেতনভাবে ব্যবহার করেছেন কবি। এতে তাঁর প্রখর প্রকৃতিচেতনার পরিচয় মেলে।

প্রশ্নঃ “তেমনি করেই সূর্য ওঠে, তেমনি করেই ছায়া” কীভাবে সূর্য ওঠে? ‘তেমনি ‘করেই’ সূর্য ওঠা ও ছায়ার তাৎপর্য নির্দেশ করো।

উত্তরঃ কবি নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী ‘আবহমান’ কবিতায় বলতে চেয়েছেন বিদেশে থাকা মানুষগুলি আগে তাদের মায়ের কাছে নিশ্চিন্তে দিন কাটাবার সময় যেভাবে সূর্য উঠত, আজও তারা গ্রাম ছেড়ে অনেক দূর চলে যাবার এতদিন পরে সেই একইরকমভাবে সূর্য ওঠে।

গ্রামের বাড়িতে থাকা জননী সবসময় মুহ্যমান প্রতীক্ষায় থাকেন আর থাকেন সন্তানের আগমনের আশায়। শহরবাসী ছেলে যখন গ্রামে বসবাস করত, এমনকী ছোটোবেলায় তার প্রকৃতি কেমন ছিল, কীভাবে এখন সে দিন যাপন করছে- এই সমস্ত কথা যখন মায়ের স্মৃতিতে ভেসে ওঠে, তখন মা অত্যন্ত বেদনাহত হয়ে পড়েন। অতীতের সঙ্গে বর্তমানের যোগসূত্র টানতে ‘তেমনি’ শব্দটি ব্যবহৃত হয়েছে।

আসলে সূর্য যেমন সত্য, তেমনি তার পাশাপাশি অন্ধকারও সত্য। সন্তানকে কাছে না পাবার জন্য মায়ের হৃদয় ব্যাকুল হয়ে ওঠে, তখনই যেন তার জীবনে ছায়া নেমে আসে। আবার সন্তানের শৈশবের স্মৃতি মা যখন তার বাড়ির চারপাশে খুঁজে বেড়ান তখন মায়ের মুখ উজ্জ্বল হয়ে ওঠে – এই উজ্জ্বলতা সূর্যের আলোর উজ্জ্বলতারই প্রতিরূপ। আসলে আমাদের জীবনে যে আলোর পাশাপাশি অন্ধকার বিরাজ করছে সেই গভীর সত্যটিকে কবি দুঃখিনী মায়ের মধ্যে উদ্ভাসিত করেছেন।

OLD

নিরুদ্দেশ

সঠিক উত্তরটি নির্বাচন করো।

1. “এ অশান্তির চেয়ে বনবাস ভালো” বস্তা কে?

(a) মেজদা

(b) কাকা 

© মা

(d) বাবা।

উত্তরঃ (d) বাবা।

2. “পুরোনো সরকার তাদের নেই।” এখানে কার কথা বলা হয়েছে?

(a) গল্পকথক

(b) নায়েব

© সোমেশ

(d) শোভন।

উত্তরঃ (d) শোভন

3. নায়েবমশাই নোটের তাড়া এনে দিয়েছিলেন যার হাতে

(a) গল্পকথক

(b) মা 

© সোমেশ

(d) শোভন।

উত্তরঃ (d) শোভন

4. ‘নিরুদ্দেশ’ গল্পটি লিখেছেন

(a) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর 

(b) প্রেমেন্দ্র মিত্র

© তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় 

(d) সমরেশ বসু।

উত্তরঃ  (d) সমরেশ বসু

5. ‘নিরুদ্দেশ’ গল্পে দিনটি ছিল-

(a) বৃষ্টিতে ভেজা

(b) অপূর্ব

© ভারি বিশ্রী

(d) আলোক উজ্জ্বল।

উত্তরঃ © ভারি বিশ্রী

6. খবরের কাগজে নিরুদ্দেশের বিজ্ঞাপন ছিল-

(a) দুটি

(b) ছয়টি

© সাতটি

(d) আটটি।

উত্তরঃ © সাতটি 

7. “তুই একেবারে পির হয়েছিস” বস্তা কে?

(a) জেঠু

(b) ছেলে

© মা

(d) বাবা।

উত্তরঃ  © মা

8. “তিনি জেনে শুনে মিথ্যা আর বলতে পারেন না”-

‘তিনি’ হলেন –

(a) মা

(b) বাবা

© মামা

(d) নায়েব।

উত্তরঃ (a) মা

9. “এত বড়ো আস্পর্ধা।” উক্তিটির বস্তা-

(a) শুভম

(b) ছেলে

© মা

(d) মাসিমা।

উত্তরঃ © মা

10.“সে বিজ্ঞাপন অবশ্য নিরুদ্দেশের”-উক্তিটির বক্তা-

(a) গল্পকথক

(b) মা

© সোমেশ

(d) মাসিমা।

উত্তরঃ © সোমেশ

11. “কোথায় গেলেন বাবু!” বক্তা হলেন

(a) মা

(b) বাবা

© মামা

(d) মেসো।

উত্তরঃ (b) বাবা

12. “কাউকে না, বাড়িতে চায়”- উক্তিটির বস্তা –

(a) গল্পকথক

(b) অমরেশ

© সোমেশ

(d) শোভন।

উত্তরঃ (d) শোভন

13. “আঃ আর বকাবকি কেন?” উক্তিটির বস্তা কে?

(a) বড়োমাসি

(b) সোমেশ

© মা

(d) বাবা।

উত্তরঃ (d) বাবা

14. “অত আদর ভালো নয়!” উক্তিটির বক্তা-

(a) বাবা

(b) ছেলে

© মা

(d) মাসিমা।

উত্তরঃ © মা

15. “তিনি জেনে শুনে মিথ্যা আর বলতে পারেন না”-

(a) মা

(b) বাবা

© মামা

(d) মাসি।

উত্তরঃ (a) মা

16. “দিব্যি আছে কোনো বন্ধুর বাড়ি” বক্তা কে?

(a) মা

(b) কাকা

© মামা

(d) মাসি।

উত্তরঃ (d) মাসি

অতিসংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর

1. “আঃ আর বকাবকি কেন?” বক্তা কে?

উত্তরঃ আলোচ্য পঙ্ক্তিটি গৃহীত হয়েছে প্রেমেন্দ্র মিত্র রচিত ‘নিরুদ্দেশ’ গল্প থেকে। এখানে বস্তা হলেন বাবা।

2. “মিছিমিছিই আমি একলা বকে মরছি” বক্তা কে?

উত্তরঃ আলোচ্য অংশটি প্রেমেন্দ্র মিত্র রচিত ‘নিরুদ্দেশ’ গল্প থেকে গৃহীত হয়েছে। উক্তিটির বস্তা স্বয়ং গল্পকথক।

3. “তোমার কি এতটুকুও কর্তব্যবোধও নেই!” বক্তা কে?

উত্তরঃ উদ্ধৃতিটি গৃহীত হয়েছে প্রেমেন্দ্র মিত্র রচিত ‘নিরুদ্দেশ’ গল্প থেকে। বস্তা হলেন শোভনের বাবা। 

4. “তাও গেলে তো বাঁচতাম।” বক্তা কে?

উত্তরঃ এই অংশটি গৃহীত হয়েছে প্রেমেন্দ্র মিত্র রচিত ‘নিরুদ্দেশ’ গল্প থেকে। এখানে বক্তা হলেন বাবা। 

5. “দিব্যি আছে কোনো বন্ধুর বাড়ি” বক্তা কে?

উত্তরঃ উদ্ধৃতিটি গৃহীত হয়েছে প্রেমেন্দ্র মিত্র রচিত ‘নিরুদ্দেশ’ গল্প থেকে। এখানে বস্তা হলেন বাবা।

6. “তোমার আসকারাতেই তো উচ্ছন্নে গেছে” কার কথা বলা হয়েছে? 

উত্তরঃ এখানে সেই ছেলেটির কথা বলা হয়েছে, যে অভিমান করে বাড়ি থেকে বেরিয়ে আবার বাড়ি ফিরে এসেছিল।

7. “মাথাটি তো তুমিই খেয়েছো আদর দিয়ে”- বস্তা কে?

উত্তরঃ এখানে বক্তা হলেন বাবা।

8. “অশান্তির চেয়ে বনবাস ভালো” – বক্তা কে?

উত্তরঃ উদ্ধৃত অংশটির বস্তা হলেন বাবা।

9. “একটু ভালো করে লিখে দেবেন”- বক্তা কে?

উত্তরঃ আলোচ্য উক্তিটির বক্তা হলেন বাবা।

10. “অমন কুলাঙ্গার তো তুই হয়েছিস” কাকে উদ্দেশ্য করে এই বক্তব্য?

উত্তরঃ এই অংশটি গৃহীত হয়েছে প্রেমেন্দ্র মিত্র রচিত ‘নিরুদ্দেশ’ গল্প থেকে। এখানে ছেলেকে উদ্দেশ্য করে এই বক্তব্য।

11. ছেলের খোঁজ পাওয়ার জন্য বাবা কী করতে চেয়েছিলেন?

উত্তরঃ ছেলের খোঁজ পাওয়ার জন্য বাবা খবরের কাগজে বিজ্ঞাপন দিতে চেয়েছিলেন।

12. ছেলে নিরুদ্দেশ হওয়ার পর মায়ের কী অবস্থা হয়?

উত্তরঃ ছেলে নিরুদ্দেশ হওয়ার পর মা বিছানা থেকে ওঠেন না ও খাওয়া ছেড়ে দেন।

13. “দু-বছরে সে অনেক পরিবর্তিত হয়েছে”- ‘সে’ কে?

উত্তরঃ উদ্ধৃত অংশে ‘সে’ বলতে শোভনকে বোঝানো হয়েছে।

14. খবরের কাগজে নিরুদ্দেশের বিজ্ঞাপন কতজনের ছিল?

উত্তরঃ ‘নিরুদ্দেশ’ গল্পে খবরের কাগজে নিরুদ্দেশের বিজ্ঞাপন ছিল সাতজনের।

15. “কাল সারারাত দু’চোখের পাতা এক করেননি তা জানিস” বক্তা কে?

উত্তরঃ আলোচ্য অংশটি গৃহীত হয়েছে প্রেমেন্দ্র মিত্র রচিত ‘নিরুদ্দেশ’ গল্প থেকে। এখানে বস্তা হলেন মা।

ব্যাখ্যাভিত্তিক প্রশ্নোত্তর

1. “শোভন এবার অধীরভাবে বলে উঠল, আপনারা কী বলতে চান স্পষ্ট করে বলুন!” এই আপনারা কারা? তারা শোভনের সঙ্গে কী ধরনের আচরণ করেছিল?

উত্তরঃ এখানে আপনারা হলেন শোভনের বাবার সেরেস্তার সমস্ত কর্মচারী সহ স্বয়ং নায়েবমশাই। দু’বছরের নিরুদ্দিষ্ট জীবনে দুঃখ-কষ্ট শোভনকে মানসিকভাবে দুর্বল না করলেও তাঁর চেহারায় কিছু পরিবর্তন এনেছিল। ফুলে বাড়িতে পৌঁছানোর পর নায়েবমশাই, খাজাঞ্চিবাবু ও অন্যান্য কর্মচারী শোভনকে চিনতেই পারেননি। এছাড়া পথ দুর্ঘটনায় শোভনের মৃত্যুর খবর তার বাড়িতে পা রাখার আগেই দেশের বাড়িতে পৌঁছে যায়। ফলে নায়েবমশাই সহ সমস্ত কর্মচারীর চোখে ছিল অবিশ্বাস। ফলে তাকে প্রকৃত শোভন বলে কেউই মানতে চাননি। তাই তাকে কোনোমতে। বাড়ির অন্দরমহলে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয়নি এবং শোভনের কোনো কথাই তাঁদের কাছে বিশ্বাসযোগ্য হয়ে ওঠেনি। আর তাঁদের আচার-আচরণে অবিশ্বাসের ভাবই ফুটে উঠেছিল।

2. “একটা আশ্চর্য ব্যাপার দেখেছ?” – কে, কাকে এ কথা বলেছেন? আশ্চর্য ব্যাপারটি কী? আশ্চর্য ব্যাপারে শ্রোতার প্রতিক্রিয়া কী?

উত্তরঃ  ‘নিরুদ্দেশ’ গল্পের কথক তাঁর বন্ধু সোমেশকে এ কথা বলেছেন। আশ্চর্য ব্যাপারটি হলো কোনো একদিনের কাগজে একসঙ্গে সাত-সাতটা নিরুদ্দেশের বিজ্ঞাপন আশ্চর্য ব্যাপারে শ্রোতা অর্থাৎ সোমেশের কোনো কৌতূহলই প্রকাশ পায়নি।

3. সংবাদপত্রে নিরুদ্দেশের বিজ্ঞাপন দিতে গিয়ে বাবা প্রথমেই কোন ব্যক্তির সাক্ষাৎ পান এবং কী ধরনের অভিজ্ঞতা সঞ্চয় করেন?

উত্তরঃ বিব্রত বাবা খবরের কাগজে বিজ্ঞাপন দিতে গিয়ে ঘরে নিরীহ চেহারার এক ভদ্রলোককে দেখে তাকে ভরসা করেই তাদের কাগজে একটা খবর বার করতে চান- একথা বলেন।

একথা শুনে নিরীহ ভদ্রলোকটি তাঁর কাছে জানতে চান কাগজে প্রকাশিত খবরগুলে কি তাঁর পছন্দ হচ্ছে না, তাঁরা কি এতদিন খবরের কাগজে খবরের বদলে ‘রামযাত্রা’ প্রকাশ করেছেন। বলা বাহুল্য, সন্তানের জন্য দুর্ভাবনায় দিশাহারা বাবার কাছে এই আচরণ একেবারে অভাবিত ছিল, স্বাভাবিকভাবেই এটা তাঁর কাছে এক নতুন অভিজ্ঞতা।

4. “সোমেশ কোনো কৌতূহলই প্রকাশ করিল না”-সোমেশ কে? তার কীসে কৌতূহল প্রকাশ পায়নি?

উত্তরঃ সোমেশ ‘নিরুদ্দেশ’ গল্পের লেখকের বন্ধু। তাঁর বন্ধু তথা লেখক একদিনের খবরের কাগজ সোমেশের সামনে ফেলে দিয়ে জানান কাগজে সাত-সাতটা নিরুদ্দেশের বিজ্ঞাপন খুব আশ্চর্যজনক ব্যাপার। এই কথা শুনে সোমো কোনো কৌতূহল প্রকাশ করেনি।

✏️

এই Post টো Update কৰাত সহায় কৰিব বিচাৰে নেকি?

ইয়াত কিবা ভুল, অসম্পূৰ্ণ তথ্য বা নতুন তথ্য থাকিলে আপুনি এটা উন্নত version প্ৰস্তুত কৰিব পাৰে। Live Post তৎক্ষণাৎ সলনি নহ'ব।

Update This Post

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to Top