West Bengal Class 9 Life Science and Environment Chapter 4 Solution 2025 | পশ্চিমবঙ্গ নবম শ্ৰেণির জীবন বিজ্ঞান ও পরিবেশ চ্যাপ্টার ৪ সমাধান |

 অধ্যায় ৪ জীববিদ্য়া ও মানবকল্যাণসঠিক উত্তরটি নির্বাচন করো

1. সহজাত অনাক্রম্যতার একটি উপাদান হল—

(a) অ্যান্টিজেন

(b) লাইসোজাইম

(c) T কোশ 

(d) অ্যান্টিবডি

উত্তরঃ (b) লাইসোজাইম

2. দেহের প্রতিরক্ষার প্রথম স্তর হল—–

(a) ত্বক

(b) মস্তিষ্ক

(c) অ্যান্টিবডি

(d) অ্যান্টিজেন

উত্তরঃ (a) ত্বক

3. মানুষের অশ্রুতে থাকা যে উৎসেচক ব্যাকটেরিয়ার কোশপ্রাচীর ভাঙতে সক্ষম, তা হল—

(a) লাইসোজাইম

(b) প্রোটিয়েজ

(c) লাইপেজ

(d) অ্যামাইলেজ

উত্তরঃ (a) লাইসোজাইম

4. কোল্টি অর্জিত অনাক্রম্যতার সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত

(a) চোখের জল

(b) শ্লেষ্মাপর্দা

(c) T কোশ

(d) সিবাম

উত্তরঃ (c) T কোশ

5. সক্রিয় অনাক্রম্যতা পাওয়া যেতে পারে—

(a) রক্তসঞ্চালন থেকে

(b) অ্যান্টিবায়োটিক থেকে

(c) মাতৃদেহ থেকে শিশুর দেহে প্রবিষ্ট অ্যান্টিবডির মাধ্যমে

(d) টিকা প্রদানের মাধ্যমে

উত্তরঃ (d) টিকা প্রদানের মাধ্যমে

6. জৈবিক নিয়ন্ত্রণে ব্যবহৃত নোসেমা হল—

(a) ভাইরাস

(b) প্রাণী

(c) প্রোটোজোয়া

(d) ব্যাকটেরিয়া

উত্তরঃ (c) প্রোটোজোয়া

7. Bt-ব্যাকটেরিয়ার ব্যবহারের মাধ্যমে উৎপাদিত, প্রথম বাণিজ্যিক পতঙ্গনাশকটি হল—

(a)  থুরিসাইড

(b) সেপারোইন

(c) থুরিসিডিন

(d) কনডোর

উত্তরঃ (a)  থুরিসাইড

8. Bt-টক্সিন কী প্রকারের পতঙ্গবিনাশী উপাদান?

(a) ব্যাকটেরিয়াজাত

(b) ভাইরাসজাত

(c) ছত্রাকজাত

(d) কোনোটিই নয়

উত্তরঃ (a) ব্যাকটেরিয়াজাত

9. জৈবিক নিয়ন্ত্রণের প্রধান গুরুত্ব হল—

(a) এটি পেস্টগুলির পক্ষে কম ক্ষতিকারক

(b) এটি চাষির অর্থনৈতিক ক্ষতি বৃদ্ধি করে

(c) এটি পরিবেশের পক্ষে কম ক্ষতিকারক 

(d) সবগুলি

উত্তরঃ (c) এটি পরিবেশের পক্ষে কম ক্ষতিকারক 

10. রাসায়নিক সার ব্যবহার কমানো উচিত, কারণ—–

(a) এগুলি জৈবসঞ্চয়ন ঘটায়

(b) এগুলি পতঙ্গ দমনে ভালো কাজ করে না

(c)এগুলি পরিবেশবান্ধব 

(d) এগুলি বিনা পয়সায় পাওয়া যায়

উত্তরঃ (a) এগুলি জৈবসঞ্চয়ন ঘটায়

সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর

1. অনাক্রম্যতা (immunity) কাকে বলে?

উত্তরঃ অধিবিষ, রোগ বা কোনো সংক্রমণ থেকে দেহকে রক্ষা করার জন্য অ্যান্টিবডি ও প্রতিরক্ষা কোশ নির্ভর দেহ প্রতিরোধ ব্যবস্থাকে অনাক্রম্যতা বা ইমিউনিটি বলে।

2. অনাক্রম্যতার দুটি উদ্দেশ্য লেখো।

উত্তরঃ অনাক্রম্যতা প্রক্রিয়াটির দুটি উদ্দেশ্য হল- (1) ক্ষতিকর জীবাণু বা অন্য অ্যান্টিজেনকে দেহে প্রবেশে বাধা দেওয়া। ② দেহে ক্ষতিকর জীবাণু প্রবেশ করলে তার বিনাশ ঘটিয়ে দেহকে সুস্থ রাখা।

3. ফার্স্ট লাইন অফ ডিফেন্স ও সেকেন্ড লাইন অফ ডিফেন্স কাকে বলে?

উত্তরঃ ফার্স্ট লাইন অফ ডিফেন্স: বহিরাগত জীবাণুকে দেহে প্রবেশের পূর্বে বাধা দান করাকে ফার্স্ট লাইন অফ ডিফেন্স বলে। যেমন-মানবদেহের ত্বক ফার্স্ট লাইন অফ ডিফেন্সের কাজ করে।

সেকেন্ড লাইন অফ ডিফেন্স: দেহে প্রবিষ্ট জীবাণুকে দেহে প্রবেশের সাথে সাথে দ্রুত বিনষ্ট করাকে সেকেন্ড লাইন অফ ডিফেন্স বলে। যেমন-শ্বেত রক্তকণিকার কোশগুলি রোগ-জীবাণু প্রতিরোধ করে।

4. সহজাত অনাক্রম্যতা কাকে বলে?

উত্তরঃ বাইরে থেকে রোগজীবাণু দেহে প্রবেশ করতে গেলে তার বিরুদ্ধে যে জন্মগত ও অনির্দিষ্ট প্রতিরোধ ব্যবস্থা কাজ করে, তাকে সহজাত অনাক্রম্যতা বলে। যেমন-আমাদের দেহত্বক, শ্লেষ্মাপর্দা ভৌত বাধারূপে এবং লাইসোজাইম, সিবাম ইত্যাদি রাসায়নিক বাধারূপে কাজ করে।

5. সহজাত অনাক্রম্যতাকে অনির্দিষ্ট অনাক্রম্যতা কেন বলা হয়?

উত্তরঃআমরা জন্মগত যে প্রতিরোধ ব্যবস্থা অর্জন করি তা একটি নির্দিষ্ট জীবাণুকে বিনাশ করতে পারে না। কিন্তু সব ধরনের জীবাণুর বিরুদ্ধে কিছুটা প্রতিরক্ষা দেয়। এজন্য সহজাত অনাক্রম্যতাকে অনির্দিষ্ট অনাক্রম্যতা বলে।

6. বর্তমানে রাসায়নিক সার ব্যবহারে কী সমস্যা দেখা যাচ্ছে?

উত্তরঃ বর্তমানে রাসায়নিক সার ব্যবহারে যে সমস্যাগুলি হচ্ছে, তা হল-① রাসায়নিক সার মাটি এবং জলদূষণ ঘটায়। ② রাসায়নিক সারের দাম অনেক বেশি। ③ রাসায়নিক সার উৎপাদনের সময় পরিবেশ দূষিত হয়।

7. অ্যাজোলা বা মশক ফার্ন কী? অ্যাজোলার গুরুত্ব কী?

উত্তরঃ অ্যাজোলা: জলে ছোটো পানার মতো ভাসমান এক ধরনের ফার্নকে অ্যাজোলা বা মশক ফার্ন (mosquito fern) বলে।

গুরুত্ব: অ্যাজোলার পাতায় অ্যানাবিনা নামক নীলাভ-সবুজ শৈবাল বাস করে। ওই শৈবাল পরিবেশের নাইট্রোজেন স্থিতিকরণ করে থাকে। জলপূর্ণ ধানখেতে অ্যাজোলা সহজে বংশবিস্তার করতে পারে। এ ছাড়া দ্রুত পচে গিয়ে মাটির সঙ্গে মিশে, মাটির নাইট্রোজেনের পরিমাণও বৃদ্ধি করে। এই কারণে অ্যাজোলা-কে অণুজীব সাররূপে ব্যবহার করা হয়।

8. কোন্ জীবাণুগুলি জীবসাররূপে ব্যবহৃত হয়?

উত্তরঃ যেসব জীবাণু বা অণুজীবগুলি জীবসাররূপে ব্যবহৃত হয়, সেগুলি -হল-① ব্যাকটেরিয়া, ② সায়ানোব্যাকটেরিয়া, ③ অ্যাজোলা এবং ④ মাইকোরাইজা।

9. নাইট্রোজেন সংবন্ধনকারী বায়োফার্টিলাইজার-রূপে ব্যবহারযোগ্য | ব্যাকটেরিয়াগুলির শ্রেণিবিভাগ উদাহরণসহ লেখো।

উত্তরঃ নাইট্রোজেন সংবন্ধন কারী বায়োফার্টিলাইজার-রূপে ব্যবহৃত ব্যাকটেরিয়াগুলি তিন প্রকারের হয়। যথা-① মাটিতে মুক্তভাবে বসবাসকারী, যেমন-অ্যাজোটোব্যাকটর। ② মিথোজীবী কিন্তু অর্বুদ সৃষ্টিতে অক্ষম, যেমন- অ্যাজোস্পাইরিলাম। ③ মিথোজীবী এবং মূলে অর্বুদ সৃষ্টিকারী, যেমন- রাইজোবিয়াম।

10. জমিতে অ্যাজোটোব্যাকটর প্রয়োগের পদ্ধতিগুলি লেখো।

উত্তরঃ জমিতে অ্যাজোটোব্যাকটর মূলত তিনটি উপায়ে প্রয়োগ করা হয়। যথা-① বীজের সাথে মেশানো হয়। ② চাষের জমি প্রস্তুতের সময়ে মাটিতে মেশানো হয় এবং ③ চারাগাছের মূলকে অ্যাজোটোব্যাকটর-এর প্রবশে ডোবানো হয়।

✏️

এই Post টো Update কৰাত সহায় কৰিব বিচাৰে নেকি?

ইয়াত কিবা ভুল, অসম্পূৰ্ণ তথ্য বা নতুন তথ্য থাকিলে আপুনি এটা উন্নত version প্ৰস্তুত কৰিব পাৰে। Live Post তৎক্ষণাৎ সলনি নহ'ব।

Update This Post

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to Top