West Bengal Class 9 Life Science and Environment Chapter 3 Solution 2025 | পশ্চিমবঙ্গ নবম শ্ৰেণির জীবন বিজ্ঞান ও পরিবেশ চ্যাপ্টার ৩ সমাধান |

 অধ্যায় ৩ জৈবনিক প্রক্রিয়া

সঠিক উত্তরটি নির্বাচন করো

1. সালোকসংশ্লেষ কী-জাতীয় প্রক্রিয়া? 

(a) উপচিতিমূলক

(b) অপচিতিমূলক 

(c) উভয়ই

(d) কোনোটিই নয়

উত্তরঃ (a) উপচিতিমূলক

2. সালোকসংশ্লেষের সঠিক রাসায়নিক সমীকরণ নির্ণয়কারীদের মধ্যে একজন হলেন—

(a) সেনেবিয়র 

(b) কেলভিন

(c) প্রিস্টলে

(d) হেলমন্ট

উত্তরঃ (c) প্রিস্টলে

3. C6C12O6 হল—

(a) গ্লুকোজ

(b) ফ্রুকটোজ

(c) সেলুলোজ

(d) (A) ও (B) উভয়ই

উত্তরঃ (d) (A) ও (B) উভয়ই

4. উদ্ভিদের প্রধান শ্বাস স্থান হল—

(a) পাতার পত্ররন্ধ্র

(b) কাণ্ডে

(c) মূলে

(d) সব সজীব কোশে

উত্তরঃ (a) পাতার পত্ররন্ধ্র

5. উদ্ভিদকোশের কোন্ অঙ্গাণু CO₂ শোষণ করে এবং কোন্ অঙ্গাণু O₂  বর্জন করে?

(a) ক্লোরোপ্লাস্ট

(b) মাইটোকনড্রিয়া

(c) গলগি বডি

(d) স্টোমাটা

উত্তরঃ (a) ক্লোরোপ্লাস্ট

6. শ্বাসমূল দেখা যায়—

(a) পদ্মে

(b) সুন্দরীতে

(c) ধানে

(d) ফণীমনসায়

উত্তরঃ (b) সুন্দরীতে

7. স্বভোজী এবং পরভোজী উভয় প্রকার পুষ্টি সম্পন্নকারী উদ্ভিদটি হল—

(a) আমগাছ

(b) স্বর্ণলতা

(c) কলশপত্রী

(d) র‍্যাফ্লেসিয়া

উত্তরঃ (c) কলশপত্রী

৪. শ্বেতচন্দন একটি——-উদ্ভিদ।

(a) আংশিক পরজীবী

(b) পূর্ণ পরজীবী

(c) মিথোজীবী

(d) পতঙ্গভুক

উত্তরঃ (a) আংশিক পরজীবী

9. লসিকাতে জল থাকে—

(a) 6%

(b) 16%

(c) 94%

(d) 84%

উত্তরঃ (c) 94%

10. লসিকা হল——–প্রকৃতির।

(a) তীব্র ক্ষারীয়

(b) ঈষৎ ক্ষারীয়

(c) তীব্র আম্লিক

(d) ঈষৎ আম্লিক

উত্তরঃ (b) ঈষৎ ক্ষারীয়

সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর

1. রেচন পদার্থ কাকে বলে? উদাহরণ দাও।

উত্তরঃ রেচন পদার্থ: জীবকোশে উৎপন্ন বিপাকজাত ক্ষতিকারক পদার্থগুলিকে রেচন পদার্থ (excretory products) বলে।

উদাহরণ: উদ্ভিদের তরুক্ষীর, উপক্ষার, প্রাণীদের ইউরিয়া, অ্যামোনিয়া ইত্যাদি।

2. “সব রেচন পদার্থই বর্জ্য পদার্থ, কিন্তু সব বর্জ্য পদার্থ রেচন পদার্থ নয়”-কেন? অথবা, মল রেচন পদার্থ না হওয়ার কারণ কী?

উত্তরঃ যেসব বর্জ্য পদার্থ বিপাকজাত ও ক্ষতিকারক তাদের রেচন পদার্থ বলে। মল বিপাকজাত বর্জ্য নয়। তাই মলকে বর্জ্য পদার্থ বলা গেলেও রেচন পদার্থ বলা যায় না। কিন্তু বিপাকের ফলে সৃষ্ট হওয়ায় মূত্রকে রেচন পদার্থ বলা হয় এবং একই সঙ্গে তা বর্জ্য পদার্থও বটে। সুতরাং, সব রেচন পদার্থই বর্জ্য পদার্থ, কিন্তু সব বর্জ্য পদার্থ রেচন পদার্থ নয়।

3. বাষ্পমোচনকে রেচন বলা হয় না কেন?

উত্তরঃ বাষ্পমোচনে নির্গত জলীয় বাষ্প কোনো বিপাকজাত পদার্থ নয় এবং এটি বাষ্পাকারে নির্গমনকালে দ্রবীভূত অবস্থায় কোনো রেচন পদার্থকে সঙ্গে নিয়ে বেরোতে পারে না। তাই বাষ্পমোচনকে রেচন প্রক্রিয়া হিসেবে ন গণ্য করা হয় না।

4. কোকার সালোকসংশ্লেষে O2 নির্গত হয় না?

উত্তরঃ পার্পেল-সালফার ব্যাকটেরিয়ার সালোকসংশ্লেষে O2 নির্গত হয় না।

5. সালোকসংশ্লেষ কী দিবারাত্র সবসময় হয়?

উত্তরঃ সালোকসংশ্লেষ সূর্যালোকের উপস্থিতিতে দিনের বেলায় সংঘটিত হয়। তবে উপযুক্ত ও পর্যাপ্ত কত্রিম 

আলোতেও সালোকসংশ্লেষ সম্ভব

6. পত্ররন্দ্র কাকে বলে? এর গুরুত্ব লেখো।

উত্তরঃ পত্ররন্ধ্র: পাতার বহিস্তকে রক্ষীকোশ দ্বারা বেষ্টিত যে অসংখ্য ছিদ্র বা রন্ধু থাকে তাদের পত্ররন্ধ্র বা স্টোমাটা বলে। বিষমপৃষ্ঠ পাতার নীচের ত্বকে ও সমাঙ্কপৃষ্ঠ পাতার উভয় ত্বকে পত্ররন্ধ্র উপস্থিত। প্রতিটি পত্ররন্ধ্র দুটি রক্ষীকোশ দিয়ে ঘেরা থাকে, যা পত্ররন্ত্রকে খুলতে ও বন্ধ করতে

পএরল্ন্ধের গুরুত্বঃ পরস্থের পত্ররস্থের মাধ্যমে উদ্ভিদের গ্যাসীয় আদানপ্রদান সম্পন্ন হয়।

7. লেন্টিসেল কাকে বলে। এর গুরুত্ব লেখো।

উত্তরঃ লেন্টিসেল: গৃষ্ম ও বৃক্ষ-জাতীয় উদ্ভিদের কান্ডের ত্বকে একপ্রকার ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র সেন্সের মতো উঁচু ফাটল দেখতে পাওয়া যায়, তাদের লেন্টিসেল বলে।

লেন্টিসেলের গুরুত্ব: লেন্টিসেল শ্বাস-অঙ্গরূপে উদ্ভিদের গ্যাসীয়

8. উদ্ভিদের শ্বাসমূল কী? এর কাজ কী?

উত্তরঃ শ্বাসমূল: সমুদ্রোপকূলবর্তী কিছু লবণাম্বু উদ্ভিদে ভূনিম্নস্থ মূল থেকে শাখা ও প্রশাখা মূল উল্লম্বভাবে মাটির ওপরে উঠে আসে। এদের শ্বাসমূল বা নিউম্যাটোফোর বলেসুন্দরী, গরান, গেওয়া প্রভৃতি লবণাম্বু উদ্ভিদে শ্বাসমূল দেখা যায়। 

কাজ: সমুদ্র উপকূলবর্তী লবণাক্ত মাটিতে অক্সিজেনের পরিমাণ কম থাকে। সেজন্য লবণাম্বু উদ্ভিদের মূল শ্বাসকার্যের জন্য মাটি থেকে প্রয়োজনীয় ” অক্সিজেন পায় না। শ্বাসমূলের শ্বাসছিদ্রের সাহায্যে উদ্ভিদগুলি বায়ু থেকে O2 সংগ্রহ করে।

9. কোন শ্রেণির প্রাণীর রক্তে হিমোগ্লোবিন থাকে?

উত্তরঃ মৎস্য, উভচর, সরীসৃপ, স্তন্যপায়ী প্রভৃতি মেরুদণ্ডী প্রাণীর রক্তকণিকায় এবং কেঁচো, জোঁক ইত্যাদি অমেরুদণ্ডী প্রাণীর রক্তরসে ইমোগ্লোবিন থাকে।

10. হিমোসায়ানিন-এর অবস্থান ও কাজ লেখো।

উত্তরঃ অবস্থান: চিংড়ি, কাঁকড়া, শামুক প্রভৃতি অমেরুদন্ডী প্রাণীর রক্তরসে উপস্থিত শ্বাসরঙ্গক। 

কাজ: রক্তের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় শ্বাসবায় তথা অক্সিজেন ও কার্বন পইঅক্সাইড পরিবহণ করা। 

 

✏️

এই Post টো Update কৰাত সহায় কৰিব বিচাৰে নেকি?

ইয়াত কিবা ভুল, অসম্পূৰ্ণ তথ্য বা নতুন তথ্য থাকিলে আপুনি এটা উন্নত version প্ৰস্তুত কৰিব পাৰে। Live Post তৎক্ষণাৎ সলনি নহ'ব।

Update This Post

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to Top