West Bengal Class 6 Geography Chapter 10 Solution 2026 | পশ্চিমবঙ্গ ষষ্ঠ শ্ৰেণির ভূগোল চ্যাপ্টার ১০ সমাধান | WBBSE Class 6 Geography Chapter 10 Solution | আমাদের দেশ ভারত

Chapter 10 

আমাদের দেশ ভারত

সঠিক উত্তরটি বেছে নিয়ে লেখো

1. যে দ্রাঘিমারেখা ভারতকে পূর্ব-পশ্চিমে সমান দু-ভাগে ভাগ করেছে-

(a) 82° পূর্ব ✔

(b) ৪৪° পূর্ব

(c) ৪০° পূর্ব

2. ভারত পৃথিবীর বৃহত্তম গণতান্ত্রিক দেশ এশিয়ার যেদিকে অবস্থিত-

(a) পশ্চিম দিকে

(b) উত্তর দিকে

(c) দক্ষিণ দিকে ✔

3. ভারতের দক্ষিণাংশের আকৃতি-

(a) ত্রিভুজের মতো ✔

(b) গোলকের মতো

(c) চৌকো মতো

4. ভারতের পূর্বে রয়েছে-

(a) আরব সাগর

(b) বঙ্গোপসাগর

(c) ভারত মহাসাগর ✔

5. ভারত অবস্থিত মূলমধ্যরেখার-

(a) উত্তব়ে

(b) দক্ষিণে

(c) পূৰ্বে ✔

6. ভারতের দক্ষিণতম স্থলবিন্দুটি হল-

(a) কন্যাকুমারিকা

(b) ইন্দিরা পয়েন্ট ✔

(c) কর্ণাটক

7. বর্তমানে ভারতের রাজ্যের সংখ্যা-

(a) 26টি

(b) 29টি

(c) 28টি ✔

৪. ভারতের জাতীয় রাজধানী অঞ্চল হল-

(a) নিউ দিল্লি ✔

(b) কলকাতা

(c) মুম্বাই

9. ভারত উপদ্বীপের মতো অবস্থান করছে। উপদ্বীপ বলতে বোঝায়-

(a) তিনদিক জলভাগ দ্বারা বেষ্টিত স্থলভাগ ✔

(b) দু-দিক জলভাগ দ্বারা বেষ্টিত স্থলভাগ

(c) চারিদিক জলভাগ দ্বারা বেষ্টিত স্থলভাগ

10. ভারতে প্রায় 225টি ভাষা ও উপভাষা আছে। এর মধ্যে সংবিধান স্বীকৃত ভাষা হল-

(a) 29টি

(b) 22টি

(c) 26টি ✔

11. আমাদের সংযোগকারী ভাষা হল-

(a) হিন্দি

(b) বাংলা

(c) ইংরেজি ✔

12. ভারতে সর্বশেষ জনগণনা হয়েছে-

(a) 2010 খ্রিস্টাব্দে

(b) 2011 খ্রিস্টাব্দে ✔

(c) 2012 খ্রিস্টাব্দে

13. আয়তনে পৃথিবীতে ভারতের স্থান-

(a) তৃতীয়

(b) সপ্তম ✔

(c) চতুর্থ

14. ভারতের বৃহত্তম রাজ্য রাজস্থান। এই রাজ্যের রাজধানী হল-

(a) জয়পুর ✔

(b) শ্রীনগর

(c) কলকাতা

15. জনসংখ্যার বিচারে পৃথিবীতে ভারতের স্থান-

(a) প্রথম

(b) তৃতীয়

(c) দ্বিতীয় ✔

16. ভারতের সাক্ষরতার হার-

(a) 82.04%

(b) 74.04% ✔

(c) 88.02%

17. ভারতের বৃহত্তম শহর হল-

(a) কলকাতা

(b) মুম্বাই ✔

(c) দিল্লি

18. পশ্চিমবঙ্গের প্রায় মাঝবরাবর বিস্তৃত সমাক্ষরেখাটি হল- 

(a) কর্কটক্রান্তিরেখা ✔

(b) নিরক্ষরেখা

(c) মকরক্রান্তিরেখা

19. ভারতের সবচেয়ে জনবহুল রাজ্য হল-

(a) পশ্চিমবঙ্গ

(b) উত্তরপ্রদেশ

(c) বিহার ✔

20. 2011 খ্রিস্টাব্দের জনগণনা অনুসারে জনসংখ্যা হল প্রায়-

(a)200 কোটি

(b) 121 কোটি ✔

(c) 500 কোটি

21. ভারতের সবথেকে জনবিরল রাজ্য হল-

(a) সিকিম ✔

(b) গোয়া

(c) রাজস্থান

22. ভারতের ক্ষুদ্রতম রাজ্য হল-

(a) গোয়া ✔

(b) কর্ণাটক

(c) কেরল

 শুদ্ধ অথবা অশুদ্ধ লেখো

1. এশিয়া মহাদেশের দক্ষিণ অংশে ভারত অবস্থিত।

উত্তর: শুদ্ধ

2. ভারতের পশ্চিমে বঙ্গোপসাগর অবস্থিত।

উত্তর: অশুদ্ধ

3. তিনদিকে স্থলভাগ দ্বারা বেষ্টিত জলভাগকে উপদ্বীপ বলে।

উত্তর: অশুদ্ধ

4. ৪০° পূর্ব দ্রাঘিমারেখা ভারতকে পূর্ব-পশ্চিমে সমান দু- ভাগে ভাগ করেছে।

উত্তর: শুদ্ধ

5. ভারতের দক্ষিণাংশ ত্রিভুজের মতো।

উত্তর: শুদ্ধ

6. বর্তমানে ভারতের রাজ্যের সংখ্যা 1৪টি।

উত্তর: অশুদ্ধ

7. 1956 খ্রিস্টাব্দে ভারতের রাজ্য ভাগ করার প্রধান ভিত্তি

উত্তর: শুদ্ধ

৪. বর্তমানে ভারতের কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের সংখ্যা ৩টি।

উত্তর: শুদ্ধ

9. ভারতের মূল ভূখণ্ডের উত্তর-দক্ষিণের বিস্তার 3214 কিমি।

উত্তর: শুদ্ধ

10. ভারতের বৃহত্তম রাজ্য হল উত্তরপ্রদেশ।

উত্তর: অশুদ্ধ

শূন্যস্থান পূরণ করো:

1. ভারতের দক্ষিণে ____________মহাসাগর অবস্থিত।

উত্তর: ভারত

2. তিনদিকে স্থলভাগ দ্বারা বেষ্টিত জলভাগকে বলে__________________

উত্তর:  উপসাগর

3. তিনদিকে জলভাগ দ্বারা বেষ্টিত স্থলভাগকে________________ বলে।

উত্তর: উপদ্বীপ

4. ভারতের মূল ভূখণ্ডের দক্ষিণতম বিন্দু _____________হল।

উত্তর:  কন্যাকুমারিকা

5. কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলির মধ্যে জনঘনত্ব সর্বাধিক______________

উত্তর:  দিল্লিতে

6. ভারতের নবীনতম রাজ্য হল_______________

উত্তর: তেলেঙ্গানা

7. ভারতের জনবহুল রাজ্য হল_____________

উত্তর: উত্তরপ্রদেশ

৪. ভারতের পশ্চিমে রয়েছে______________ সাগর।

উত্তর:  আরব

9. ভারতের দক্ষিণে যে দেশ রয়েছেতার নাম_____________

উত্তর: শ্রীলঙ্কা

10. ভারতের বৃহত্তম শহর হল___________

উত্তর:  মুম্বাই

দু-এককথায় উত্তর দাও :

1. ভারত এশিয়া মহাদেশের কোন দিকে অবস্থিত?

উত্তব়:  দক্ষিণ দিকে।

2. ভারতের দক্ষিণে কোন মহাসাগর রয়েছে?

উত্তব়: ভারত মহাসাগর।

3. তিনদিক স্থলভাগ দ্বারা বেষ্টিত জলভাগকে কী বলে?

উত্তব়: উপসাগর।

4. তিনদিকে জলভাগ দ্বারা বেষ্টিত স্থলভাগকে কী বলে?

উত্তব়: উপদ্বীপ।

5. নিরক্ষরেখার কোন্ দিকে ভারত অবস্থিত?

উত্তব়:উত্তরদিকে।

6. ভারতের মূল ভূখণ্ডের দক্ষিণতম বিন্দু কোন্টি?

উত্তব়: কন্যাকুমারিকা।

7. ভারতের রাজধানীর নাম লেখো।

উত্তব়: নিউদিল্লি।

৪. বর্তমানে ভারতের রাজ্যের সংখ্যা কত?

উত্তব়:  ২৪টি।

9. ভারতের কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের সংখ্যা কত?

উত্তব়: ৪টি।

10. ভারতের সংবিধান স্বীকৃত ভাষার সংখ্যা ক-টি?

উত্তব়: 22টি।

11. ভারতের সংযোগকারী ভাষা কী?

উত্তব়: ইংরেজি।

12. ভারতের মূল ভূখণ্ডের পূর্ব-পশ্চিমে বিস্তার কত?

উত্তব়: 2,933 কিমি।

13. ভারতের বৃহত্তম শহর কোন্টি?

উত্তব়: মুম্বাই।

14. ভারতের সাক্ষরতার হার কত শতাংশ?

উত্তব়: 74.04 শতাংশ।

15. জনসংখ্যার বিচারে পৃথিবীতে ভারতের স্থান কত?

উত্তব়: দ্বিতীয়।

16. ভারতের উত্তর দিকের দুটি প্রতিবেশী রাষ্ট্রের নাম লেখো।

উত্তব়: নেপাল ও ভুটান।

17. কোনো পর্বতের চূড়াকে কী বলে?

উত্তব়: পর্বতশৃঙ্গ।

18. ভারতের উচ্চতম পর্বতশৃঙ্গ কোন্টি?

উত্তব়: গডউইন অস্টিন।

19. ভারতের দীর্ঘতম হিমবাহের নাম কী?

উত্তব়: সিয়াচেন।

20. হিমালয় কথার অর্থ কী?

উত্তব়: বরফের গৃহ।

21. পৃথিবীর উচ্চতম পর্বতশৃঙ্গ কী?

উত্তব়: মাউন্ট এভারেস্ট।

22. ভারত ও নেপাল সীমান্তে অবস্থিত একটি পর্বতের নাম লেখো?

উত্তব়: টক কাঞ্চনজঙ্ঘা।

23. দুটি পর্বতের মাঝের সংকীর্ণ পথকে কী বলে?

উত্তব়:  গিরিপথ।

24. চলমান বরফের স্তূপকে কী বলে?

উত্তব়: হিমবাহ।

25. দুন কী?

উত্তব়: শিবালিক ও হিমাচল হিমালয়ের মাঝের সংকীর্ণ উপত্যকা।

26. কয়াল কাকে বলে?

উত্তব়: মালাবার উপকূলের উপহ্রদগুলিকে কয়াল বলে।

27. ভারতের দীর্ঘতম হিমবাহের নাম কী?

উত্তব়: সিয়াচেন।

28. দক্ষিণ হিমাচলের গড় উচ্চতা কত?

উত্তব়:3000 মিটার-এর বেশি।

29. শিবালিক হিমালয়ের পাদদেশের ঘন অরণ্যাবৃত অঞ্চলকে কী বলে?

উত্তব়: তরাই।

30. ব্রহ্মপুত্র নদ তিব্বতে কী নামে পরিচিত?

উত্তব়: সাংপো।

31. ভারতের দীর্ঘতম নদী কাকে বলা হয়?

উত্তর: গঙ্গাকে।

32. ডিব্ৰুগড় কোন নদের তীরে অবস্থিত?

উত্তব়:ব্রহ্মপুত্র।

33. কোন হিমবাহ থেকে গঙ্গানদী উৎপত্তি হয়েছে?

উত্তর: গঙ্গোত্রী।

34. ভারতকে কী ধরনের দেশ বলা হয়?

উত্তব়:নদীমাতৃক।

35. ভারতের একটি পশ্চিমবাহিনী নদীর নাম লেখো?

উত্তব়:নর্মদা।

36. ভারতের বৃহত্তম নদীমধ্যবর্তী দ্বীপ কোনটি?

উত্তব়:মাজুলি।

সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর:

1. প্রতিবেশী দেশ কাকে বলে?

উত্তব়: কোনো দেশের আশেপাশে অবস্থিত দেশগুলিকে ওই দেশের প্রতিবেশী দেশ বলে। যেমন-ভারতের একটি প্রতিবেশী দেশ হল বাংলাদেশ।

2. ভারতের প্রতিবেশী দেশগুলি কী কী?

উত্তব়: চিন, নেপাল, ভুটান, বাংলাদেশ, মায়ানমার, শ্রীলঙ্কা, মালদ্বীপ, পাকিস্তান ও আফগানিস্তান।

3. কোন দুটি রেখা ভারতকে উত্তর-দক্ষিণে ও পূর্ব-পশ্চিমে ভাগ করেছে?

উত্তব়: কর্কটক্রান্তিরেখা (23° উত্তর অক্ষরেখা) ভারতকে উত্তর-দক্ষিণে এবং ৪০° পূর্ব দ্রাঘিমারেখা ভারতকে পূর্ব- পশ্চিমে ভাগ করেছে।

4. ভারতের চারদিকে কোন কোন প্রতিবেশী দেশ আছে?

উত্তব়: উত্তর-পশ্চিমে-পাকিস্তান ও আফগানিস্তান, উত্তরে- চিন, নেপাল ও ভুটান, পূর্বে-মায়ানমার ও বাংলাদেশ, দক্ষিণে-শ্রীলঙ্কা।

5. 1956 খ্রিস্টাব্দে ভারতের রাজ্যভাগের প্রধান ভিত্তি সম্পর্কে লেখো।

উত্তব়: 1956 খ্রিস্টাব্দে ভারতের রাজ্যভাগের প্রধান ভিত্তি ছিল ভাষা। এ ছাড়া সংস্কৃতি, প্রশাসনিক দক্ষতা, অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা প্রভৃতি বিষয়ের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছিল।

6. পাকিস্তানের সঙ্গে ভারতের কোন কোন রাজ্যের সীমানা স্পর্শ করে আছে?

উত্তব়: পাকিস্তানের সঙ্গে ভারতের পাঞ্জাব, রাজস্থান ও গুজরাট রাজ্য এবং জম্মু ও কাশ্মীর ও লাদাখ কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের সীমানা স্পর্শ করে আছে।

 7. ভারতের সংবিধান স্বীকৃত ভাষাগুলি কী কী?

উত্তব়: ভারতে মোট 22 টি সংবিধান স্বীকৃত ভাষা আছে। যথা-হিন্দি, বাংলা, তেলুগু, মারাঠি, তামিল, উর্দু, গুজরাটি, মালয়ালম, কানাড়া, ওড়িয়া, পাঞ্জাবি, অসমিয়া, কাশ্মীরি, সিন্ধ্রি, মণিপুরি, নেপালি, বোরো, মৈথিলি, নোগরি, সাঁওতালি, সংস্কৃত ও কোঙ্কনি।

৪. সার্ক (SAARC) সম্পর্কে লেখো।

উত্তব়: মূলত নিজেদের মধ্যে বাণিজ্যের পরিমাণ বৃদ্ধি, আঞ্চলিক সহযোগিতা, অর্থনৈতিক বিকাশ ও সাংস্কৃতিক বিনিময়ের উদ্দেশ্যে 1985 খ্রিস্টাব্দে ভারতসহ দক্ষিণ এশিয়ার 7টি দেশ একত্রিত হয়ে ‘দক্ষিণ এশিয়া আঞ্চলিক সহযোগিতা পরিষদ’ নামক যে সংস্থাটি গঠন করে, তাকে সার্ক (SAARC) বলে। এর সদর দপ্তর নেপালের রাজধানী কাঠমান্ডুতে অবস্থিত।

9. ভূপ্রকৃতি বলতে কী বোঝো?

উত্তব়: চিকন ভূমির রূপ বা প্রকৃতিকে ভূপ্রকৃতি বলে। ভূপৃষ্ঠের সব জায়গা একই রকম নয়। কোথাও উঁচু, কোথাও ঢেউ খেলানো, কোথাও নীচু সমতল। ভূপৃষ্ঠে প্রধান তিন প্রকার ভূমিরূপ দেখা যায়, যেমন-পর্বত, মালভূমি ও সমভূমি।

10. ভূপ্রকৃতির বৈচিত্র্য অনুসারে ভারতকে ক-টি ও কী কী ভাগে বিভক্ত করা হয়?

উত্তব়: ভারতকে ভূপ্রকৃতির বৈচিত্র্য অনুসারে পাঁচ ভাগে বিভক্ত করা হয়। যেমন- উত্তরের পার্বত্য অঞ্চল, উত্তরের নদীগঠিত সমভূমি অঞ্চল, মালভূমি অঞ্চল, পশ্চিমের মরু অঞ্চল, সমভূমি অঞ্চল ও দ্বীপপুঞ্জ। উপদ্বীপীয় উপকূলের

11. হিমালয়ের পর্বতশ্রেণিগুলির নাম লেখো।

উত্তব়: হিমালয়ের পর্বতশ্রেণিগুলি হল- শিবালিক হিমালয়, হিমাচল হিমালয়, হিমাদ্রি হিমালয়, টেথিস বা তিব্বতীয় হিমালয়। এই পর্বতশ্রেণিগুলির মধ্যে হিমালয়ের দক্ষিণ প্রান্তে শিবালিক, এরপর শিবালিকের উত্তরে ক্রমান্বয়ে হিমাচল, হিমাদ্রি ও টেথিস রয়েছে।

12. পর্বত বলতে কী বোঝো?

উত্তব়: সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে 1000 মিটারের বেশি উঁচু, বহুদূর বিস্তৃত ও শিলা দ্বারা গঠিত ভূমিরূপকে পর্বত বলে। যেমন-হিমালয় পর্বত, কারাকোরাম পর্বত প্রভৃতি।

13. পর্বতগ্রন্থি কী?

উত্তব়: জন যে উঁচু স্থান থেকে একাধিক পর্বতশ্রেণি বিভিন্ন দিকে বিস্তৃত হয়, তাকে পর্বতগ্রন্থি বলে। যেমন-এশিয়ার পামির গ্রন্থি। এই গ্রন্থি থেকে পূর্বদিকে কারাকোরাম, হিমালয়, তিয়েনসান, আলতিনতাগ, কুয়েনলুন এবং পশ্চিম দিকে হিন্দুকুশ, সুলেমান পর্বত নির্গত হয়েছে।

14. মালভূমি বলতে কী বোঝো?

উত্তব়:সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে 300 মিটারের বেশি উঁচু, বহুদূর বিস্তৃত, শিলাময়, খাড়া পার্শ্বঢাল ও প্রায় সমতল বা তরঙ্গায়িত উপরিতলযুক্ত ভূমিভাগকে মালভূমি বলে। মালভূমিগুলির আকৃতি কিছুটা টেবিলের মতো হওয়ায় একে ‘টেবিলল্যান্ড’ বলা হয়। যেমন-দাক্ষিণাত্যের মালভূমি, ছোটোনাগপুর মালভূমি প্রভৃতি।

15. সমভূমি বলতে কী বোঝো?

উত্তব়: টির স্থলভাগের যেসকল বিস্তীর্ণ এলাকা সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে অল্প উঁচু (100 মিটারের মধ্যে, সর্বাধিক 300 মিটার), সামান্য ঢালু এবং উপরিতল প্রায় সমতল, তাদের সমভূমি বলে। যেমন-গাঙ্গেয় সমভূমি।

16. উপহ্রদ কাকে বলে?

উত্তর: যে জলভাগের তিনদিক স্থল দ্বারা বেষ্টিত এবং একদিক মূল জলভাগের বা সমুদ্রের সঙ্গে যুক্ত থাকে তাকে উপহ্রদ বলে। যেমন-ভারতের পূর্ব উপকূলের চিল্কা একটি উপহ্রদ। উপহ্রদগুলি সমুদ্রে উন্মুক্ত হয় বলে এদের জল লবণাক্ত।

17. কয়াল কী?

উত্তর: ভূআন্দোলনের ফলে ভারতের মালাবার উপকূলের বহু বার উত্থান ও পতনের চিহ্নস্বরূপ বহু জলাভূমি লক্ষ করা যায়, যাদের স্থানীয় ভাষায় কয়াল বলে। যেমন-ভেম্বানাদ, অষ্টমুড়ি প্রভৃতি।

18. দুন কী?

উত্তব়: ‘দুন’ কথার অর্থ দুই পর্বতের মাঝে নীচু জমি। শিবালিক ও হিমাচল হিমালয়ের মাঝের সংকীর্ণ উপত্যকা ‘দুন’ নামে পরিচিত। যেমন-দেরাদুন।

19. তরাই বলতে কী বোঝো?

উত্তর: না, শিবালিক হিমালয়ের পাদদেশে নদীবাহিত নুড়ি, কাঁকর, বা পলি দ্বারা গঠিত ঘন অরণ্য অঞ্চলকে তরাই বলে। যেমন এর পশ্চিমবঙ্গের দার্জিলিং ও জলপাইগুড়ি জেলায় তিস্তা নদীর য় পশ্চিম দিকের অংশকে তরাই অঞ্চল বলে।

20. কচ্ছের রণ কী?

উত্তর: গুজরাট রাজ্যের উত্তরে এবং কচ্ছ উপদ্বীপের উত্তর ও পূর্বদিকে বিস্তৃত অঞ্চলে ভূমিকম্পের ফলে সৃষ্ট অগভীর ■ জলাভূমিকে কচ্ছের রণ বলে। বর্ষাকালে এই অঞ্চল প্লাবিত হয়। গ্রীষ্মকালে এই অঞ্চল শুষ্ক, উদ্ভিদহীন ও সাদা লবণময় প্রান্তরে পরিণত হয়।

21. কাশ্মীর উপত্যকার অবস্থান লেখো।

উত্তর: জম্মু ও কাশ্মীর কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের হিমাদ্রি হিমালয় ও পিরপাঞ্জালের মাঝখানে কাশ্মীর উপত্যকা অবস্থিত। এখানে বিখ্যাত ডাল হ্রদ রয়েছে। এর আকর্ষণে প্রতিবছর বহু দেশি ও বিদেশি পর্যটকের আগমন ঘটে এই রাজ্যে।

22. পার্বত্য অঞ্চলে সাধারণত লোকবসতি কম হয় কেন?

উত্তর: পার্বত্য অঞ্চল অসমতল হওয়ায় যাতায়াত ব্যবস্থা ভালো হয় না। পার্বত্য পাথুরে মাটি চাষবাসের পক্ষেও বিশেষ অনুকূল নয়। এ ছাড়া, প্রচণ্ড শীতে খুবই কষ্ট করে বেঁচে থাকতে হয়। এইসব কারণে পার্বত্য অঞ্চলে সাধারণত লোকবসতি অনেক কম হয়।

23. ভারতকে নদীমাতৃক দেশ কেন বলা হয়?

উত্তর: ছোটো, বড়ো অসংখ্য নদী জালের মতো ভারতের ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে। এই নদীগুলি ভারতীয়দের জনজীবনে, কৃষিকার্যে, শিল্পে, যাতায়াত ব্যবস্থায়, জলবিদ্যুৎ উৎপাদনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তাই ভারতকে নদীমাতৃক দেশ বলা হয়।

এবার ভেবে দ্যাখো তো?

প্ৰশ্ন : সিমলাতে বেশি ঠান্ডা পড়ে কেন?

উত্তব়: হিমাচল প্রদেশে অবস্থিত পর্বতঘেরা সিমলা শহরটি সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় 2276 মিটার উঁচুতে অবস্থিত। আমরা জানি, প্রতি 1000 মিটার উচ্চতা বৃদ্ধিতে 6°5℃ হারে উন্নতা হ্রাস পায়। তাই সিমলা যেহেতু মিটার সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে উচুতে অবস্থানের জন্য এখানে গ্রীষ্মকালে 19° সে থেকে 15° সে উন্নতা এবং শীতকালে বরফ পড়ে।

প্ৰশ্ন :রাজস্থানের মরু অঞ্চলে তাপমাত্রার প্রসর খুব বেশি হয় কেন?

উত্তব়: রাজস্থানের মরু অঞ্চলে দিনে প্রচন্ড গরম ও রাতে খুব ঠান্ডা পড়ে। কারণ, এখানে আকাশ মেঘমুক্ত থাকার জন্য দিনের বেলা সরাসরি সূর্যরশ্মি ভূপৃষ্ঠে চলে আসে। ফলে মরুভূমির বালি দ্রুত উত্তপ্ত হয়ে যে তাপ বিকিরণ করে তাতে বায়ুমণ্ডল প্রচণ্ড উন্ন হয়ে যায়। সূর্যাস্তের পর বালি দ্রুত তাপ বিকিরণ করে ঠান্ডা হয় এবং আকাশে মেঘ না থাকায় ও উদ্ভিদ, ঘরবাড়ি কিছুই তেমন না থাকায় বিকীর্ণ তাপ সরাসরি মহাশূন্যে চলে যায়। ফলে রাতে উত্তাপ খুব কমে যায় এবং ঠান্ডা অনুভূত হয়।

প্ৰশ্ন :সমুদ্রের ধারে আবহাওয়া আরামদায়ক কেন?

উত্তব়: সমুদ্রের তুলনায় স্থলভাগ খুব দ্রুত উত্তপ্ত হয় এবং দ্রুত শীতল হয়। স্থলভাগের তুলনায় জলভাগ ধীরে উত্তপ্ত হয় এবং ধীরে শীতল হয়। ফলে দিনের বেলা সমুদ্রবায়ু ও রাত্রিবেলা স্থলবায়ু প্রবাহিত হয়। এ কারণে সমুদ্র উপকূলে বায়ুর উন্নতা খুব বেশি বা খুব কম হয় না। তাছাড়া আর্দ্র সমুদ্রবায়ুর প্রভাবেও উন্নতার তীব্রতা বাড়তে পারে না। ফলে সমুদ্রের কাছাকাছি অঞ্চলে সমভাবাপন্ন জলবায়ু বিরাজ করে।

✏️

এই Post টো Update কৰাত সহায় কৰিব বিচাৰে নেকি?

ইয়াত কিবা ভুল, অসম্পূৰ্ণ তথ্য বা নতুন তথ্য থাকিলে আপুনি এটা উন্নত version প্ৰস্তুত কৰিব পাৰে। Live Post তৎক্ষণাৎ সলনি নহ'ব।

Update This Post

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to Top