CHAPTER–32
ঘুরে দাঁড়াও
Very Short Question Answer
1.প্রণবেন্দু দাশগুপ্ত সম্পাদিত কবিতা পত্রিকাটির নাম কী?
উত্তর : প্রণবেন্দু দাশগুপ্ত সম্পাদিত কবিতা পত্রিকাটির নাম হলো ‘অলিন্দ’।
2. তাঁর রচিত দুটি কাব্যগ্রন্থের নাম লেখো।
উত্তর : প্রণবেন্দু দাশগুপ্ত রচিত দুটি কাব্যগ্রন্থ হলো- ‘এক ঋতু’ (১৯৫৮), ‘সদর স্ট্রীটের বারান্দা’ (১৯৬৬)।
3. তুমি আর কোথায় সরবে?
উত্তর: তোমার আর কোথাও সরার জায়গা নেই।
4.এবার ঘুরে দাঁড়াও।
উত্তর: এবার ঘুরে না দাঁড়ালে তোমার চলবে না।
5. তুমি যদি বদলে দিতে না পারো/তাহলে দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে মরতে হবে।
উত্তর: বদলে দিতে না পারলে তোমায় দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে মরতে হবে।
6.নইলে সরতে সরতে সরতে/তুমি বিন্দুর মতো মিলিয়ে যাবে। (প্রশ্নবোধক বাক্যে)
উত্তর: নইলে সরতে সরতে কি তুমি বিন্দুর মতো মিলিয়ে যাবে না?
7.গাছগুলো নদীর জলে স্নান করে আসুক।
উত্তর: গাছগুলো নদীর জলে স্নান করুক।
8. জেগে উঠুক উপান্তের শহরতলি।
উত্তর: উপান্তের শহরতলির জেগে ওঠার প্রার্থনা জানাচ্ছি।
9.ছায়াপথের কাছাকাছি।
উত্তর: ছায়াপথের দূরে নয়।
10.বাইরেটা পালটে দাও।
উত্তর: বাইরেটা পালটে না দিলে হবে না।
Short Question Answer
1.কবিতায় কবি কোন্ আহ্বান জানিয়েছেন?
উত্তর: কবির আহ্বান কবি প্রণবেন্দু দাশগুপ্ত ‘ঘুরে দাঁড়াও’ কবিতায় প্রতিকূল পরিবেশের বিরুদ্ধে ঘুরে দাঁড়ানোর কথা বলেছেন। ক্রমাগত প্রতিকূলতার সামনে দাঁড়িয়ে পিছিয়ে না গিয়ে পরিস্থিতিকে বদলে ফেলার জন্যে কবি আহ্বান করেছেন।
2. ‘ছোট্ট একটা তুক করে বাইরেটা পালটে দাও’- ‘বাইরে টায় কী ধরনের বদল ঘটবে বলে কবি আশা করেন? সেই কাঙ্ক্ষিত বদল ঘটলে জীবন কীভাবে অন্যরকম হবে বলে কবি মনে করেন?
উত্তর: কবির আশা: কবি প্রণবেন্দু দাশগুপ্ত মনে করেন মানুষ যদি একবার ঘুরে দাঁড়াতে পারে, যদি সে বাইরের জগৎটাকে তুক করে ফেলতে পারে, তাহলে সাইকেল-রিকশাগুলো শিস দিয়ে বনে-বনান্তরে চলে যাবে। কাদা-ভরতি রাস্তা উঠে পড়বে ছায়াপথের কাছাকাছি। সবুজ-শ্যামল-স্নিগ্ধ গাছগুলি নদীর জলে স্নান করে আসবে। জেগে উঠবে উপান্তের শহরতলি।
কাঙ্ক্ষিত বদল: সেই কাঙ্ক্ষিত বদল ঘটলে মানুষ ইচ্ছে মতো সবকিছুকে পরিবর্তন করে দিতে পারবে। শুধু নিজেকে নয়, প্রকৃতি জীবন ও সমাজ জীবনকেও সে বদলে দিতে পারবে। আর তখন সেই মানুষের সংস্পর্শে সবকিছু দ্রুত পরিবর্তিত হবে।
3. “সরতে সরতে সরতে/তুমি আর কোথায় সরবে?”- কবি কোথা থেকে এই ‘সরণ’ লক্ষ করেছেন? এক্ষেত্রে তাঁর দেওয়া পরামর্শটি কী?
উত্তর: লক্ষণীয় ‘সরণ’: কবি প্রণবেন্দু দাশগুপ্ত আপোসে বিশ্বাস করেন না। তিনি হেরে যেতে চান না। তিনি সমস্ত অন্যায়ের বিরুদ্ধে, অসংগতির বিরুদ্ধে প্রতিকূলতার বিরুদ্ধে দাঁড়াতে চান। তিনি মনে করেন মানুষ যেন পিছাতে পিছাতে শেষ পর্যন্ত বিন্দুতে মিলিয়ে না যায়। এখানে উদ্ধৃত পঙ্ক্তিতে সে কথাই বলা হয়েছে।
কবির পরামর্শ: কবি মনে করেন অসহায়ভাবে সবকিছু মেনে নেওয়ার কোনো মানে নেই। সুতরাং, ঘুরে দাঁড়ানোই ভালো। যদি ঘুরে দাঁড়ানো সম্ভব হয় তাহলে সমস্ত প্রতিকূল পরিস্থিতির বিরুদ্ধে দাঁড়ানো সম্ভব হবে। অতএব কবির পরামর্শ, “এখন হাত বাড়াও।”
4.”এবার ঘুরে দাঁড়াও।” আর “এখন ঘুরে দাঁড়াও।”- পঙ্ক্তি দুটিতে ‘এবার’ আর ‘এখন’ শব্দদুটির প্রয়োগ সার্থকতা বুঝিয়ে দাও।
উত্তর: শব্দ প্রয়োগের সার্থকতা উদ্ধৃত পঙ্ক্তিতে কবি প্রণবেন্দু দাশগুপ্ত প্রথমে বলেছেন, “এবার ঘুরে দাঁড়াও।” অর্থাৎ, মানুষ যেন সমস্ত প্রতিকূলতার বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর মতো ক্ষমতা অর্জন করে। পরক্ষণে কবি বলেছেন, “এখন ঘুরে দাঁড়াও।” অর্থাৎ এরপর আর ঘুরে দাঁড়ানোর সময় পাওয়া যাবে না। কেননা, মানুষ তখন নিজেকে হারিয়ে ফেলবে। সুতরাং মানুষকে স্থির লক্ষ্যে পৌঁছে যেতে হলে অবশ্যই ঘুরে দাঁড়ানো আবশ্যক। তাই ‘এবার’ শব্দে ঘুরে দাঁড়ানোর অপরিহার্যতা এবং ‘এখন’ শব্দে এই মুহূর্ত থেকে ঘুরে দাঁড়ানোর প্রয়োজনীয়তাকে নির্দেশ করা হয়েছে।
এই Post টো Update কৰাত সহায় কৰিব বিচাৰে নেকি?
ইয়াত কিবা ভুল, অসম্পূৰ্ণ তথ্য বা নতুন তথ্য থাকিলে আপুনি এটা উন্নত version প্ৰস্তুত কৰিব পাৰে। Live Post তৎক্ষণাৎ সলনি নহ'ব।
Update This Post