Chapter–35
মাসিপিসি
Short Question Answer
1. ফুল ছুঁয়ে যায় চোখের পাতায়, জল ছুঁয়ে যায় ঠোঁটে।
উত্তর: জল যেমন ছুঁয়ে যায় চোখের পাতায় তেমনই জল ছুঁয়ে যায় ঠোঁটে।
2.ঘুমপাড়ানি মাসিপিসি রাত থাকতে ওঠে।
উত্তর: যখন রাত থাকে তখন ঘুমপাড়ানি মাসিপিসি ওঠে।
3.অনেকগুলো পেট বাড়িতে, একমুঠো রোজগার। (যৌগিক বাক্যে)
উত্তর: অনেকগুলো পেট বাড়িতে কিন্তু একমুঠো রোজগার।
4.জয় গোস্বামীর লেখা দুটি কবিতার বইয়ের নাম লেখো।
উত্তর : জয় গোস্বামীর লেখা দুটি কবিতার বইয়ের নাম হলো- ‘ভূতুম ভগবান’, ‘ঘুমিয়েছো ঝাউপাতা?’
5.জয় গোস্বামীর লেখা একটি উপন্যাসের নাম লেখো।
উত্তর: জয় গোস্বামীর লেখা একটি উপন্যাসের নাম হলো-‘সুড়ঙ্গ ও প্রতিরক্ষা’।
6. “অনেকগুলো পেট বাড়িতে…” ‘পেট’-এর আভিধানিক অর্থ কী? এখানে কী অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে?
উত্তর: আভিধানিক অর্থ হলো-‘উদর’। ‘পেট’ শব্দটির আভিধানিক অর্থ ব্যবহৃত অর্থ ‘পেট’ শব্দটি শেষপর্যন্ত আভিধানিক অর্থকে অতিক্রম করেছে। এর বর্তমান অর্থ দাঁড়িয়েছে ‘সংসারের সদস্য’।
7. “সাত ঝামেলা জোটায়”-এখানে ‘সাত’ শব্দটির ব্যবহারের কারণ কী?
উত্তর : ‘সাত’ শব্দটি ‘বহু’ অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে। রেলবাজারের হোমগার্ডদের সঙ্গে বহু বা নানা ঝামেলার কথা বোঝাতে গিয়ে ‘সাত’ শব্দটির ব্যবহার করা হয়েছে।
8. “দু একটা ফোঁটা শিশির তাকায় ঘাসের থেকে ঘাসে”-এই পঙ্ক্তিটিতে যে ছবিটি ফুটে উঠেছে তা নিজের ভাষায় লেখো।
উত্তর: বর্ণিত ছবি ‘মাসিপিসি’ কবিতায় ভোরের একটি অপূর্ব চিত্র ফুটে উঠেছে। তখন শীতকাল। শিশির পড়ছে। ঘাসের মাথায় শিশির জমেছে। দেখে মনে হচ্ছে, শিশির যেন একে অন্যের দিকে কৌতুক দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে। সূর্য ওঠার আগে মাসিপিসিরা কাজে বেড়িয়ে যাবে। মাঠের শিশির যেন সেই ঘটনারই সাক্ষী হয়ে থাকবে। এমন একটি চমৎকার ছবি এই পঙ্ক্তিতে ফুটে উঠেছে।
9.”মাস মাহিনার হিসেব তো নেই”-মাস মাহিনার হিসেব নেই কেন?
উত্তর: মাস মাহিনার হিসেবে না থাকার কারণ যে মানুষ সারাক্ষণ কর্মে ব্যস্ত থাকে, জীবন-জীবিকা নিয়ে অত্যন্ত সংকটে থাকে, সেই মানুষের জীবনে মাস-মাহিনা হিসেব না থাকাই স্বাভাবিক। এরা প্রতিদিন একই কর্মের বন্ধনে আবদ্ধ থাকে। সে জীবনে কোনো আড়ম্বর নেই। শ্রমজীবী, দরিদ্র, লাঞ্ছিত মানুষরা সারাদিন কর্মে-ধর্মে একাত্ম থাকে। সুতরাং তাদের কাছে মাস-মাহিনার কোনো গুরুত্ব নেই।
10. “শতবর্ষে এগিয়ে আসে-শতবর্ষ যায়”-এই পঙ্ক্তিটির মধ্যে দিয়ে কবি কী বলতে চেয়েছেন আলোচনা করো।
উত্তর: জয় গোস্বামীর ‘মাসিপিসি’ কবিতায় দরিদ্র, ক্ষুধা-তৃয়ায়, কাতর মাসিপিসিদের নিত্য লাঞ্ছিত জীবনের কথা শুনিয়েছেন। এদের জীবন একঘেয়েমিপূর্ণ। সে জীবন যেন কোথাও থমকে দাঁড়িয়ে আছে। কোনো উন্নতি নেই। কোনো আনন্দ নেই। সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত তারা কাজ করে চলে। একমুঠো খাবারের সংগ্রহে অমানুষিক শ্রম দান করে। পোঁটলা-পুঁটলি নিয়ে কখনও বাজারে হোমগার্ডের সঙ্গে ঝগড়া করে। তারা কখনও বৈশাখ কি জ্যৈষ্ঠের হিসেব রাখে না। কোলে-কাঁখে চালের বস্তা নিয়ে এগিয়ে যায়। এদের জীবনে শতবর্ষ এগিয়ে আসে,
11.মাসিপিসি’ কবিতার এই মাসিপিসিদের মতো আর কাদের কথা তুমি বলতে পারো যাঁদের ট্রেনের উপর নির্ভর করে জীবিকা অর্জন করতে হয়?
উত্তর: ‘মাসিপিসি’ কবিতায় যে শ্রমজীবী মহিলাদের কথা বলা হয়েছে, তাদের পাশাপাশি আরও অনেকেই আছে যারা নিত্য ঠিক এইভাবেই কষ্ট করে জীবন-জীবিকা অতিবাহিত করে। এদের মধ্যে রয়েছে, ফলওয়ালা, ফেরিওয়ালা, চানাচুর-লজেন্স-বাদাম বিক্রেতা, খেলনা বিক্রেতা, চা বিক্রেতা, জুতো পালিশওয়ালা। কখনও দেখা যায় কিশোরকণ্ঠী, লতা-আশাকণ্ঠী গায়করা বক্স খাটিয়ে গান গাইতে থাকে। এদের বিচিত্র কর্মপ্রয়াস। এরাও ট্রেনের উপর নির্ভর করে জীবনের অনেকগুলি বসন্ত কাটিয়ে দেয়।
12. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘ওরা কাজ করে’ কবিতাটি তুমি পড়ে নাও। ‘মাসিপিসি’ কবিতার সঙ্গে ‘ওরা কাজ করে’ কবিতার কোন্ সাদৃশ্য তোমার চোখে পড়ল তা আলোচনা করো।
উত্তর: জীবনের শেষ প্রান্তে উপনীত হয়ে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর লেখেন অসামান্য একটি কবিতা ‘ওরা কাজ করে’। এই কবিতাটি ‘আরোগ্য’ কাব্যের অন্তর্ভুক্ত। মাটির পৃথিবীর দিকে তাকিয়ে কবি রবীন্দ্রনাথ উপলব্ধি করেছিলেন, অসংখ্য মানুষ রাত-দিন কাজ করে চলেছে। তারা দাঁড় টানে। হাল ধরে। মাঠে মাঠে বীজ বোনে। ‘অঙ্গ-বঙ্গ-কলিঙ্গের সমুদ্র-নদীর ঘাটে’ নিরন্তর কাজ করে চলে। সে কাজ কখনই থামে না। অর্থাৎ দেখা যাচ্ছে, ‘মাসিপিসি’ কবিতার সঙ্গে ‘ওরা কাজ করে’ কবিতার কোথাও যেন একটা গভীর সাদৃশ্য রয়েছে।
এই Post টো Update কৰাত সহায় কৰিব বিচাৰে নেকি?
ইয়াত কিবা ভুল, অসম্পূৰ্ণ তথ্য বা নতুন তথ্য থাকিলে আপুনি এটা উন্নত version প্ৰস্তুত কৰিব পাৰে। Live Post তৎক্ষণাৎ সলনি নহ'ব।
Update This Post