AHSEC Class 11 Bangla Chapter 9 Answer 2026 – 2027 (SCERT Assam Bord) | ইচ্ছাপূরণ অধ্যায়ের উত্তর

 Chapter 9 – 

ইচ্ছাপূরণ 

 Multiple Choice Questions (MCQ)

১) ‘ইচ্ছাপূরণ’ গল্পের লেখক কে?
(ক) বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
(খ) শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
(গ) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
উত্তরঃ (গ) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

২) রমেশবাবু কে ছিলেন?
(ক) ডাক্তার
(খ) উকিল
(গ) অধ্যাপক
উত্তরঃ (খ) উকিল

৩) রমেশবাবুর স্ত্রীকে কি বলা হয়েছে?
(ক) সরোজিনী
(খ) হেমাঙ্গিনী
(গ) শারদা
উত্তরঃ (খ) হেমাঙ্গিনী

৪) গল্পটিতে হেমাঙ্গিনীর চরিত্র কেমন ভাবে ফুটে উঠেছে?
(ক) নির্দয় ও নিষ্ঠুর
(খ) স্নেহময় ও প্রেমময়
(গ) বুদ্ধিমতী ও চতুর
উত্তরঃ (খ) স্নেহময় ও প্রেমময়

৫) ‘ইচ্ছাপূরণ’ গল্পে মূলত কি প্রকাশ পায়?
(ক) প্রতিশোধের ইচ্ছা
(খ) নিঃস্বার্থ প্রেম ও আত্মত্যাগ
(গ) ধনলাভের লোভ
উত্তরঃ (খ) নিঃস্বার্থ প্রেম ও আত্মত্যাগ

পাঠ্যপুস্তকের প্রশ্নোত্তর (Textbook Question Answers)

প্রশ্ন ১: ‘ইচ্ছাপূরণ’ গল্পের মূল ভাব কী?
উত্তরঃ এই গল্পে নিঃস্বার্থ ভালোবাসা, আত্মত্যাগ এবং মানুষের মনস্তত্ত্ব খুব সূক্ষ্মভাবে তুলে ধরা হয়েছে। হেমাঙ্গিনী নিজের সুখ-স্বাচ্ছন্দ্য বিসর্জন দিয়ে স্বামীর ইচ্ছা পূরণের জন্য আত্মত্যাগ করে। গল্পটি আমাদের শেখায় যে সত্যিকারের ভালোবাসা ত্যাগের মধ্যেই নিহিত।

প্রশ্ন ২: রমেশবাবুর চরিত্র সম্পর্কে কয়েকটি কথা লেখো।
উত্তরঃ রমেশবাবু ছিলেন একজন স্বচ্ছ চিন্তাধারার উকিল। তিনি উচ্চাকাঙ্ক্ষী ছিলেন এবং সমাজে নিজের অবস্থান উন্নত করতে চেয়েছিলেন। কিন্তু তিনি হেমাঙ্গিনীর নিঃস্বার্থ ভালোবাসা ও ত্যাগের যথাযথ মর্যাদা দিতে পারেননি।

প্রশ্ন ৩: হেমাঙ্গিনীর আত্মত্যাগ কীভাবে প্রতিফলিত হয়েছে?
উত্তরঃ হেমাঙ্গিনী রমেশের ইচ্ছাকে পূর্ণ করার জন্য নিজের ইচ্ছাকে বিসর্জন দেয়। সে ধৈর্য, সহনশীলতা এবং নিঃশব্দ আত্মত্যাগের মাধ্যমে এক আদর্শ স্ত্রী হিসেবে নিজেকে প্রমাণ করে। তাঁর চরিত্রে ভালোবাসার গভীরতা ও স্নেহের তীব্রতা স্পষ্ট।

অতিরিক্ত প্রশ্নোত্তর (Additional Question Answers)

প্রশ্ন ১: গল্পের শিরোনাম ‘ইচ্ছাপূরণ’ কতটা যথার্থ?
উত্তরঃ 
গল্পের শিরোনাম যথার্থ কারণ গল্পটি মূলত হেমাঙ্গিনীর মাধ্যমে রমেশবাবুর ইচ্ছা পূরণের কাহিনী। যদিও হেমাঙ্গিনী নিজের ইচ্ছার ত্যাগ করে, তবুও সে স্বামীর ইচ্ছাকে পূর্ণ করে তোলার জন্য সর্বস্ব বিসর্জন দেয়।

প্রশ্ন ২: হেমাঙ্গিনী ও রমেশবাবুর সম্পর্কের মধ্যে দ্বন্দ্ব কী ছিল?
উত্তরঃ এই সম্পর্কের মূল দ্বন্দ্ব ছিল আবেগ ও উচ্চাকাঙ্ক্ষার সংঘর্ষ। হেমাঙ্গিনী আবেগপ্রবণ ও স্নেহময়, আর রমেশ ছিলেন বাস্তববাদী ও উচ্চাকাঙ্ক্ষী। এই দুই দৃষ্টিভঙ্গির পার্থক্য থেকেই দূরত্ব ও মানসিক যন্ত্রণা সৃষ্টি হয়।

প্রশ্ন ৩: এই গল্পের নৈতিক শিক্ষা কী?
উত্তরঃ গল্পটি শেখায় যে নিঃস্বার্থ ভালোবাসা ও আত্মত্যাগই জীবনের প্রকৃত সম্পদ। জীবনে সুখ কেবল স্বার্থসিদ্ধির মাধ্যমে নয়, বরং অন্যের ইচ্ছা পূরণে আত্মোৎসর্গের মধ্যেই নিহিত।

✏️

এই Post টো Update কৰাত সহায় কৰিব বিচাৰে নেকি?

ইয়াত কিবা ভুল, অসম্পূৰ্ণ তথ্য বা নতুন তথ্য থাকিলে আপুনি এটা উন্নত version প্ৰস্তুত কৰিব পাৰে। Live Post তৎক্ষণাৎ সলনি নহ'ব।

Update This Post

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to Top