Chapter 13 –
জীবন সংগীত
পাঠ্যপুথির প্রশ্নোত্তর (Textbook Questions & Answers):
প্রশ্ন ১: “জীবন সংগীত” প্রবন্ধে লেখক কী বোঝাতে চেয়েছেন?
উত্তর: “জীবন সংগীত” প্রবন্ধে লেখক বোঝাতে চেয়েছেন যে, জীবন মানেই সংগ্রাম, ত্যাগ, ও সেবার মধ্যে দিয়ে একটি মহান আদর্শের দিকে এগিয়ে চলা। মানুষের জীবনের আসল উদ্দেশ্য হওয়া উচিত আত্মোন্নতি ও মানবকল্যাণ।
প্রশ্ন ২: মানুষের জীবনের শ্রেষ্ঠ গুণ কী বলে বিবেকানন্দ উল্লেখ করেছেন?
উত্তর: স্বামী বিবেকানন্দ মানুষের জীবনের শ্রেষ্ঠ গুণ হিসেবে “নিস্বার্থতা” ও “সেবা”-কে উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেন, যিনি নিজের কথা না ভেবে অন্যের জন্য কাজ করেন, তিনিই প্রকৃত মানুষ।
প্রশ্ন ৩: লেখক ‘জীবন’ শব্দটিকে কোন অর্থে ব্যবহার করেছেন?
উত্তর: লেখক ‘জীবন’ শব্দটিকে শুধুমাত্র প্রাণধারণ বা বেঁচে থাকার অর্থে ব্যবহার করেননি। তিনি জীবনকে এক মহান আদর্শের পথে অগ্রসর হওয়ার এক অবিচল যাত্রা হিসেবে দেখেছেন।
প্রশ্ন ৪: “জীবন সংগীত” প্রবন্ধটি কোন দৃষ্টিভঙ্গি থেকে লেখা হয়েছে?
উত্তর: এই প্রবন্ধটি একটি আধ্যাত্মিক ও মানবতাবাদী দৃষ্টিভঙ্গি থেকে লেখা হয়েছে। লেখক এখানে জীবনের প্রকৃত উদ্দেশ্য ব্যাখ্যা করেছেন এবং কিভাবে আত্মত্যাগ ও সেবার মাধ্যমে মানুষ শ্রেষ্ঠত্ব লাভ করতে পারে তা বুঝিয়েছেন।
প্রশ্ন ৫: লেখকের মতে মানুষ কখন সত্যিকারের ‘জীবন্ত’ হয়?
উত্তর: লেখকের মতে মানুষ তখনই সত্যিকারের ‘জীবন্ত’ হয়, যখন সে নিঃস্বার্থভাবে সমাজ ও মানবতার কল্যাণে নিজেকে উৎসর্গ করে।
অতিরিক্ত প্রশ্নোত্তর (Additional Questions & Answers):
প্রশ্ন ৬: স্বামী বিবেকানন্দ ‘সেবা’ শব্দটিকে কেন এত গুরুত্ব দিয়েছেন?
উত্তর: স্বামী বিবেকানন্দ মনে করতেন সেবা মানেই ঈশ্বরের আরাধনা। মানুষকে সেবা করলে সেটাই সৃষ্টিকর্তার প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শন। তাই তিনি সেবাকে জীবনের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কর্ম বলে মনে করতেন।
প্রশ্ন ৭: লেখক কেমন মানুষকে ‘মহান’ বলেন?
উত্তর: লেখক সেই ব্যক্তিকে ‘মহান’ বলেন, যিনি নিজের স্বার্থ ভুলে গিয়ে সমাজ ও মানুষের কল্যাণে নিজেকে উৎসর্গ করেন এবং চিরন্তন সত্য ও ন্যায়ের পথে চলেন।
প্রশ্ন ৮: ‘জীবন সংগীত’ শিরোনামটি কিসের প্রতীক?
উত্তর: এই শিরোনামটি জীবনের উদ্দেশ্য ও মূল্যবোধের প্রতীক। এখানে ‘সংগীত’ বলতে বোঝানো হয়েছে জীবনের ছন্দ, সৌন্দর্য ও সার্থকতা—যা সেবা, ত্যাগ ও আদর্শের মাধ্যমে অর্জিত হয়।
প্রশ্ন ৯: লেখকের মতে ‘আত্মত্যাগ’ জীবনের কোন স্তরে গুরুত্বপূর্ণ?
উত্তর: লেখকের মতে আত্মত্যাগ জীবনের প্রতিটি স্তরেই গুরুত্বপূর্ণ। তা ছাড়া জীবনের আসল সৌন্দর্য ও পূর্ণতা উপলব্ধি করা সম্ভব নয়।
প্রশ্ন ১০: এই প্রবন্ধ থেকে আমরা কী শিখি?
উত্তর: এই প্রবন্ধ থেকে আমরা শিখি যে, জীবনের আসল উদ্দেশ্য হওয়া উচিত সমাজ ও মানবতার সেবা। স্বার্থপরতা নয়, নিঃস্বার্থতা ও আত্মত্যাগই জীবনকে সার্থক করে তোলে।
এই Post টো Update কৰাত সহায় কৰিব বিচাৰে নেকি?
ইয়াত কিবা ভুল, অসম্পূৰ্ণ তথ্য বা নতুন তথ্য থাকিলে আপুনি এটা উন্নত version প্ৰস্তুত কৰিব পাৰে। Live Post তৎক্ষণাৎ সলনি নহ'ব।
Update This Post