AHSEC Class 11 Political Science Chapter 18 Answer Bengali Medium 2026 – 2027 (SCERT Assam Bord) | ধর্মনিরপেক্ষতা অধ্যায়ের উত্তর

 Chapter 18 – 

ধর্মনিরপেক্ষতা

পাঠ্যপুস্তক ভিত্তিক প্রশ্নোত্তর (Textbook Question Answer)

প্রশ্ন ১: ধর্মনিরপেক্ষতা বলতে কী বোঝায়?
উত্তর: ধর্মনিরপেক্ষতা একটি রাষ্ট্রীয় নীতি, যার মাধ্যমে রাষ্ট্র কোন ধর্মের পক্ষপাত করে না এবং সব ধর্মের মানুষকে সমান মর্যাদা ও অধিকার দেয়। ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্র ধর্ম ও রাজনীতিকে আলাদা রাখে এবং ধর্মীয় স্বাধীনতা ও সহিষ্ণুতা বজায় রাখে।

প্রশ্ন ২: ভারতের ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্র হিসেবে পরিচিতি পাওয়ার পেছনে প্রধান কারণ কী?
উত্তর: ভারতের ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্র হিসেবে পরিচিতির প্রধান কারণ হল –

  1. সংবিধানে ধর্মীয় স্বাধীনতার নিশ্চয়তা,
  2. রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে কোন ধর্মের প্রতি পক্ষপাত না করা,
  3. ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের অধিকার রক্ষা,
  4. ধর্ম ও রাজনীতির পৃথকীকরণ।

প্রশ্ন ৩: ভারতের সংবিধানে ধর্মনিরপেক্ষতার কোন দিকগুলি প্রতিফলিত হয়েছে?
উত্তর:
 ভারতের সংবিধানে ধর্মনিরপেক্ষতার প্রতিফলন দেখা যায় –

  • প্রস্তাবনায় “ধর্মনিরপেক্ষ” শব্দে,
  • মৌলিক অধিকারগুলিতে (বিশেষত ধর্মীয় স্বাধীনতা),
  • অনুচ্ছেদ ২৫-২৮ এর মাধ্যমে,
  • রাষ্ট্র ও ধর্মের পৃথকীকরণে।

প্রশ্ন ৪: ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্রের বৈশিষ্ট্যগুলি কী কী?
উত্তর:

  1. রাষ্ট্র কোনও নির্দিষ্ট ধর্মকে সমর্থন করে না।
  2. সকল নাগরিককে সমান ধর্মীয় অধিকার প্রদান করা হয়।
  3. ধর্মের ভিত্তিতে বৈষম্য করা হয় না।
  4. ধর্মীয় সহনশীলতা ও পারস্পরিক শ্রদ্ধার পরিবেশ বজায় রাখা হয়।

প্রশ্ন ৫: ধর্মনিরপেক্ষতার গুরুত্ব কী?
উত্তর:
 ধর্মনিরপেক্ষতা সামাজিক ঐক্য, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি এবং শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এটি নাগরিকদের ধর্মীয় স্বাধীনতা সুনিশ্চিত করে এবং বহুধর্মীয় সমাজে পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সহনশীলতা গড়ে তোলে।

অতিরিক্ত প্রশ্নোত্তর (Additional Question Answer)

প্রশ্ন ১: ধর্মনিরপেক্ষতা ও ধর্মীয় সহিষ্ণুতার মধ্যে কী পার্থক্য?
উত্তর: ধর্মনিরপেক্ষতা হল রাষ্ট্রের নীতি, যেখানে সব ধর্ম সমভাবে বিবেচিত হয়। আর ধর্মীয় সহিষ্ণুতা হল ব্যক্তি বা সমাজের মানসিকতা, যেখানে অন্য ধর্মের প্রতি শ্রদ্ধা ও সহনশীলতা দেখানো হয়।

প্রশ্ন ২: ধর্মনিরপেক্ষতার বিপরীত কী?
উত্তর: ধর্মনিরপেক্ষতার বিপরীত হল ধর্মীয় রাষ্ট্র বা সাম্প্রদায়িকতা। সেখানে রাষ্ট্র একটি নির্দিষ্ট ধর্মকে সমর্থন করে এবং অন্য ধর্মের মানুষের প্রতি বৈষম্য করে।

প্রশ্ন ৩: ভারতের ধর্মনিরপেক্ষ চরিত্রকে কিভাবে চ্যালেঞ্জ করা হয়?
উত্তর: 
ধর্মীয় হিংসা, সাম্প্রদায়িক রাজনীতি, ধর্মের ভিত্তিতে বিভাজন, এবং সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপর বৈষম্যমূলক আচরণ ভারতের ধর্মনিরপেক্ষতাকে চ্যালেঞ্জ করে।

প্রশ্ন ৪: একটি ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্র গঠনের জন্য কী কী শর্ত পূরণ হওয়া জরুরি?
উত্তর:

  1. সংবিধানে ধর্মনিরপেক্ষতার নিশ্চয়তা,
  2. ধর্মীয় স্বাধীনতার অধিকার,
  3. বিচার বিভাগের নিরপেক্ষতা,
  4. রাজনৈতিক দল ও নেতাদের ধর্মনিরপেক্ষ আচরণ,
  5. শিক্ষায় ধর্মীয় সহিষ্ণুতার শিক্ষা।

প্রশ্ন ৫: “ধর্মনিরপেক্ষতা ভারতের আত্মা” – ব্যাখ্যা করো।
উত্তর: 
ভারত একটি বহুধর্মীয় দেশ। এখানে হিন্দু, মুসলিম, খ্রিস্টান, শিখ, বৌদ্ধ সহ নানা ধর্মের মানুষ বসবাস করে। এই বিভিন্ন ধর্মের মানুষের মধ্যে ঐক্য বজায় রাখতে ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখতে ধর্মনিরপেক্ষতা অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। তাই একে ভারতের আত্মা বলা হয়।

✏️

এই Post টো Update কৰাত সহায় কৰিব বিচাৰে নেকি?

ইয়াত কিবা ভুল, অসম্পূৰ্ণ তথ্য বা নতুন তথ্য থাকিলে আপুনি এটা উন্নত version প্ৰস্তুত কৰিব পাৰে। Live Post তৎক্ষণাৎ সলনি নহ'ব।

Update This Post

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to Top