SEBA Class 8 Social Science Chapter 10 Answer Bengali Medium 2026 – 2027 (SCERT Assam Board) | মধ্যযুগের অসম অধ্যায়ের উত্তর

 Chapter 10 – 

মধ্যযুগের অসম

1. 1. উত্তর লেখ-

(ক) কোন শতাব্দীতে আহোমরা আসামে আসে?

উত্তৰঃ আহোমরা ত্রয়োদশ শতাব্দীতে আসামে আসে।

(খ) চুকাফা আসামে আসার সময় যে দুজন মন্ত্রীকে তার সাথে নিয়ে এসেছিলেন তারা কারা ছিলেন?

উত্তৰঃ আসামে আসার সময় চুকাফা যে দুই মন্ত্রীকে সঙ্গে নিয়ে আসেন তারা হলেন বুরাগোহাই এবং বারগোহাই। 

(গ) মুলাগাভরু কে ছিলেন?

উত্তৰঃ মুলাগাভ্রু ছিলেন ফ্রসেংমু বারগোহাইয়ের স্ত্রী। স্বামীর হত্যার প্রতিশোধ নিতে তিনি তুবার্কের সাথে যুদ্ধ করেছিলেন।

(d) গদাধর সিং কোন সালে আহোম সিংহাসনে আরোহণ করেন?

উত্তৰঃ 1861 সালে, গদাধর সিং আহোম সিংহাসনে আরোহণ করেন। 

(ঙ) কোচ রাজা নরনারায়ণ কোন সালে আহোম রাজ্য আক্রমণ করেন?

উত্তৰঃ কোচ রাজা নরনারায়ণ ১৫৬২ খ্রিস্টাব্দে আহোম আক্রমণ করেন। 

(f) চুটিয়ার সর্বশ্রেষ্ঠ রাজা কে ছিলেন?

উত্তৰঃ চুটিয়ার সর্বশ্রেষ্ঠ রাজা ছিলেন রত্নধ্বজ পাল বা গৌরীনারায়ণ। 

2) ক্রমানুসারে সাজানো-

ক) ইয়ান্দাবুর সন্ধি 

খ) হোসেন শাহের কামরূপ কোমতা আক্রমণ 

গ) সরাইঘাটের যুদ্ধ 

ঘ) মীর জুমলার আসাম আক্রমণ 

ঙ) স্বর্গদেও চুকাফা চারিদেওতে তার রাজধানী স্থাপন করেন।

চ) ইখতিয়ার-উদ-দিন মালিক উজবেগ তুঘরিল খানের কামরূপ আক্রমণ ǀ 

উত্তৰঃ (ঙ) স্বর্গদেও চুকাফা চারিদেওতে তার রাজধানী স্থাপন করেন। (1228 খ্রিস্টাব্দে)

(চ) ইখতিয়ার-উদ-দিন মালিক উজবেগ তুঘরিল খানের কামরূপ আক্রমণ। (1257 খ্রি.)

(খ) হোসেন শাহের কামরূপ কোমতা আক্রমণ (১৪৯৮ খ্রি.)

(d) মীর জুমলার আসাম আক্রমণ (1662 খ্রি.)

(গ) সরাইঘাটের যুদ্ধ

(ক) ইয়ান্দাবু চুক্তি (1826)

3) সঠিক থেকে ভুলের বিচার-

ক) আসামে আহোমদের আগমন থেকে ইয়ান্দাবু চুক্তি পর্যন্ত সময়কাল অসমিয়া ইতিহাসের মধ্যযুগ।

উত্তর- শুদ্ধ।

খ) আহোম রাজারা চুদাংফা বা বামুনি কনওয়ারের সময় থেকে হিন্দু নাম গ্রহণ করেছিলেন

উত্তর- অশুদ্ধ।

গ) লেখক চিহাবুদ্দিন তালিশ মীর জুমলার আসাম আক্রমণের সময় আসামে আসেন

উত্তর-শুদ্ধ।

ঘ) কাছারি রাজা গোবিন্দ চন্দ্রের আমলে কাছারি রাজ্য ব্রিটিশদের অধীনে আসে।

উত্তর- শুদ্ধ।

ঙ) চুতিয়ারা ছিল বৈষ্ণব ǀ

উত্তর- অশুদ্ধ।

চ) কামরুপ আক্রমণের সময় ভূইয়ারা তুর্কি আফগানদের সাহায্য করেছিল

উত্তর- অশুদ্ধ

4) শূন্যস্থান পূরণ করুন-

উত্তৰঃ

ক) কামরূপ রাজ্য আসামে আহোমদের আগমনের সময়কালের  আসাম ǀ হিসাবে পরিচিত

খ) আহোমস চোমদেউ তারা ǀ নামের দেবতার পূজা ও সেবা করত

গ) স্বর্গ নারায়ণ স্বর্গদেও চুহুংমু বা দিহিঙ্গিয়া রাজার হিন্দু নাম ǀ

ঘ) সন্ধ্যায় উত্তর গুয়াহাটি থেকে কামরূপের রাজধানী কোমতাপুরে স্নান স্থানান্তর ǀ

ঙ) রত্নধ্বজপাল বা গৌরীনারায়ণ চুটিয়ার সবচেয়ে শক্তিশালী রাজা ছিলেন ǀ

চ) ভূঞা শব্দের অর্থ জমির মালিক ǀ

5) প্রায় 50 শব্দে উত্তর লিখুন –

ক) আসামে আহোম রাজ্য কবে, কে এবং কিভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল?

উত্তর- আহোমরা ত্রয়োদশ শতাব্দীতে আসামে আসে ǀ তারা ঊনবিংশ শতাব্দীর শুরু পর্যন্ত প্রায় 600 বছর আসামে শাসন করেছিল ǀ 

চুকাফা প্রায় 784 বছর আগে মাওলুং রাজ্য থেকে মুকং হয়ে পাটকাই পর্বতমালা অতিক্রম করে আসামে প্রবেশ করেছিল। এই সময়কালে, চুকাফা আদিবাসীদের কাছ থেকে অনেক চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হন যতক্ষণ না তিনি পাটকাই পর্বত অতিক্রম করেন এবং 1228 খ্রিস্টাব্দে চারিদেওতে তার রাজধানী স্থাপন করেন। এ সময় দিখৌ ও দিচাং নদীর মধ্যবর্তী এলাকা মারান ও বারাহী উপজাতিদের শাসনাধীন ছিল। চুকাফা একজন চতুর, সাহসী এবং দক্ষ যোদ্ধা ছিলেন। 36 বছর রাজত্ব করার পর 1268 খ্রিস্টাব্দে তিনি মারা যান।

খ) সরাইঘাটের যুদ্ধ কে করেছিলেন? এর ফল কী হয়েছিল? 

উত্তর- রাজা চক্রধর সিং মুঘলদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে অস্বীকার করলে আহোম ও মুঘলদের মধ্যে বিরোধ দেখা দেয়। মুঘল সম্রাট আওরঙ্গজেব রাম সিংকে আসাম আক্রমণ করতে পাঠান। ফলাফল 1671 সালে বীর লাচিত বারফুকানের নেতৃত্বে আহোম সেনাবাহিনী এবং রাম সিংয়ের নেতৃত্বে মুঘল সেনাবাহিনীর মধ্যে সরাইঘাটের যুদ্ধ।

এই যুদ্ধে মুঘল বাহিনী পরাজিত হয় এবং আহোমের হারানো সম্মান ও খ্যাতি পুনরুদ্ধার হয়।

গ) চিলারাই কে ছিলেন? তিনি কোন রাজ্য জয় করেছিলেন?

উত্তর- বীর চিলারাইয়ের অপর নাম শুক্লধ্বজ। কোচদের সর্বশ্রেষ্ঠ রাজা নরনারায়ণের রাজত্বকালে তার ভাই শুক্লধ্বজ সেনাবাহিনীর সেনাপতি নিযুক্ত হন। শুক্লা ধ্বজা ইতিহাসে ‘চিলারাই’ নামে পরিচিত কারণ তিনি চিলার মতো অতর্কিত আক্রমণ করে রাজ্য জয় করেছিলেন।

বীর চিলারা বিজিত রাজ্যগুলি হল আহোম রাজ্য, কাছারি, মণিপুর, জৈন্তিয়া, ত্রিপুরা, খৈরাম, ডিমরুয়া, শ্রীহট্ট ইত্যাদি।

ঘ) বারভুঁইয়া কারা?

উত্তর- আসামে বারভূইয়াদের উত্থান নিয়ে অনেক গল্প প্রচলিত আছে। কেউ কেউ বিশ্বাস করেন যে শক্তিশালী সামন্ত প্রভুরা যারা কামরূপ রাজ্যের পূর্ববর্তী শাসনের সময় রাজার কাছ থেকে মুক্ত হয়েছিলেন তারা পরে ভূইয়ান হয়েছিলেন। কামরূপের দুর্বল রাজাদের শাসনামলে ভুইয়ারা তাদের পর্যাপ্ত সম্পদ ও সেনাবাহিনীর কারণে স্বাধীন রাজা হিসেবে উঠে আসে। ‘ভূয়ান’ শব্দের অর্থ জমির মালিক। আসামের ভূঁইয়ারা মূলত কায়স্থ, দৈবগ্য এবং ব্রাহ্মণ ভূঁইয়া। আসামের ভূঁইয়ারা বারভূঁইয়া নামে পরিচিত।

ঙ) কাচারি কারা?

উত্তর- কাছারিরা আসামের প্রাচীনতম বাসিন্দা। প্রাচীনকালে কামরূপ রাজ্য শাসন করতেন বলে ঐতিহাসিকদের ধারণা। তাদের শাসন বর্তমান বাংলাদেশের সিলেট ও ​​ময়মনসিংহসহ উপকূল পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল। কাছারিদের মধ্যে ছিল চুটিয়া, কোচ, ত্রিপুরী, শরানিয়া, গারো, রাভা, লালুং, ডিমাচা জাতিগোষ্ঠী। তবে এই জাতিগোষ্ঠীর লোকেরা সময়ের সাথে সাথে বিভিন্ন স্থানে বসতি স্থাপন করে এবং পারিপার্শ্বিক পরিবেশের প্রভাবে তাদের নিজস্ব সংস্কৃতির জন্ম দেয়। এই সংস্কৃতি তাদের আগের সংস্কৃতি থেকে কিছুটা আলাদা। তাই এই মানুষগুলো বিভিন্ন জায়গায় বিভিন্ন নামে পরিচিত। সেগুলো হলো বোরো, কাচারি, মেস, ডিমচা, গারে, হাজং, শরণিয়া, সোনওয়াল ইত্যাদি।

✏️

এই Post টো Update কৰাত সহায় কৰিব বিচাৰে নেকি?

ইয়াত কিবা ভুল, অসম্পূৰ্ণ তথ্য বা নতুন তথ্য থাকিলে আপুনি এটা উন্নত version প্ৰস্তুত কৰিব পাৰে। Live Post তৎক্ষণাৎ সলনি নহ'ব।

Update This Post

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to Top