AHSEC Class 11 Advance Bangla Chapter 15 Answer 2026 – 2027 (SCERT Assam Bord) | বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস (প্রাচীন ও মধ্যযুগ) অধ্যায়ের উত্তর

 Chapter 15

 বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস (প্রাচীন ও মধ্যযুগ) 

বহু নির্বাচনি প্রশ্ন (MCQ) – বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস (প্রাচীন ও মধ্যযুগ)
  1. বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন যুগের শ্রেষ্ঠ নিদর্শন কোনটি?
    (a) চর্যাপদ
    (b) মঙ্গলকাব্য
    (c) বৈষ্ণবপদাবলী
    (d) শাক্তপদাবলী
    উত্তর: (a) চর্যাপদ
  2. হাইদ্ৰক্লৰিক এছিড লোৰ টুকুৰাত ঢালিলে কি হ’ব ?
    (a) ক্ল’ৰিন গেছ আৰু লোৰ হাইড্ৰক্সাইড প্ৰস্তুত হ’ব
    (b) লোৰ লৱণ আৰ্ পানী প্ৰস্তুত হ’ব
    (c) হাইড্ৰ’জেন গেছ আৰু লোৰ ক্ল’ৰাইড প্ৰস্তুত হ’ব ।
    (d) কোনো বিক্ৰিয়া নহয়
    উত্তর: (c) হাইড্ৰ’জেন গেছ আৰু লোৰ ক্ল’ৰাইড প্ৰস্তুত হ’ব ।
  3. মধ্যযুগে বাংলা সাহিত্যের প্রধান বৈশিষ্ট্য কী ছিল?
    (a) মানবতাবাদী দৃষ্টিভঙ্গি
    (b) ধর্মীয় ভাবাবেগ ও ভক্তি আন্দোলন
    (c) আধুনিক যুক্তিনির্ভরতা
    (d) সমাজবিজ্ঞান চর্চা
    উত্তর: (b) ধর্মীয় ভাবাবেগ ও ভক্তি আন্দোলন
  4. চর্যাপদের রচয়িতা কারা ছিলেন?
    (a) বৈষ্ণব কবি
    (b) সিদ্ধাচার্যগণ
    (c) বৌদ্ধ বিহারিক শিষ্যরা
    (d) শাক্ত সাধকরা
    উত্তর: (b) সিদ্ধাচার্যগণ
  5. মঙ্গলকাব্যের অন্তর্গত প্রধান উপাদান কোনটি?
    (a) শৃঙ্গার রস
    (b) নৈতিকতা ও ধর্মীয় উপদেশ
    (c) পৌরাণিক গাথা
    (d) ইতিহাসচর্চা
    উত্তর: (c) পৌরাণিক গাথা
Textbook Question Answer (পাঠ্যপুস্তকভিত্তিক প্রশ্নোত্তর)
প্রশ্ন ১: বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন যুগ কাকে বলা হয় এবং তার সময়সীমা কী?

উত্তর: বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন যুগ বলতে ১০০০ খ্রিষ্টাব্দ থেকে ১৩৫০ খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত সময়কাল বোঝানো হয়। এই সময়ে চর্যাপদই ছিল সাহিত্যের প্রধান নিদর্শন। এতে তান্ত্রিক বৌদ্ধধর্ম ও মনের ভাব প্রকাশ পেয়েছে।

প্রশ্ন ২: চর্যাপদের ভাষা ও বিষয়বস্তু সম্পর্কে সংক্ষেপে লিখ।

উত্তর: চর্যাপদের ভাষা ‘সন্ধ্যাকাপ’ অর্থাৎ রূপক ভাষায় রচিত। এতে আধ্যাত্মিক সাধনার ভাব, গোপন বাণী এবং দার্শনিক চিন্তাধারা প্রকাশ পেয়েছে। রচয়িতারা ছিলেন সিদ্ধাচার্যগণ, যারা বৌদ্ধ তান্ত্রিক সাধক।

প্রশ্ন ৩: মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের শ্রেণীবিভাগ কী কী?

উত্তর: মধ্যযুগীয় বাংলা সাহিত্যকে মূলত তিনটি ভাগে বিভক্ত করা যায়—

  1. মঙ্গলকাব্য,
  2. শক্তিপদাবলী ও বৈষ্ণব পদাবলী,
  3. আখ্যানমূলক কাব্য (যেমন: রূপকথা, বীরগাথা)
প্রশ্ন ৪: বৈষ্ণব সাহিত্যের বৈশিষ্ট্য কী?

উত্তর: বৈষ্ণব সাহিত্য মূলত ভক্তিমূলক। এতে কৃষ্ণভক্তির ভাব, মানবপ্রেম, আত্মার সঙ্গে ঈশ্বরের মিলনপ্রয়াস ইত্যাদি ফুটে ওঠে। বিদ্যাপতি, চণ্ডীদাস, গোবিন্দদাস প্রভৃতি এই ধারার কবি ছিলেন।

Additional Question Answer (অতিরিক্ত প্রশ্নোত্তর)
প্রশ্ন ১: মঙ্গলকাব্যের অন্তর্নিহিত উদ্দেশ্য কী ছিল?

উত্তর: মঙ্গলকাব্য মূলত হিন্দু দেবদেবীর মাহাত্ম্য প্রচার করে সাধারণ মানুষের মধ্যে ধর্মবিশ্বাস সঞ্চার করাই ছিল এর উদ্দেশ্য। এটি ধর্মীয় শিক্ষাদান ও বিনোদনের যুগল ভূমিকা পালন করেছে।

প্রশ্ন ২: মধ্যযুগে মুসলমান কবিদের অবদান কী ছিল?

উত্তর: মধ্যযুগে মুসলমান কবিরাও বাংলা সাহিত্যে বিশাল অবদান রাখেন। ‘নবীনবিবি-সৈয়দ সুলতান’, ‘আলাৌল’, ‘সৈয়দ মুরাদ’ প্রমুখ মুসলমান কবিরা আখ্যানমূলক কাব্য ও ধর্মীয় উপদেশমূলক রচনায় বিশেষ পরিচিত হন।

প্রশ্ন ৩: বাংলা সাহিত্যের এই দুটি যুগের মধ্যে পার্থক্য লেখ।

উত্তর:

  • প্রাচীন যুগে সাহিত্য ছিল মূলত ধর্মীয় ও তাত্ত্বিক ধ্যাননির্ভর (যেমন চর্যাপদ)।
  • মধ্যযুগে ধর্মীয়তার সঙ্গে সঙ্গে কাহিনিনির্ভর ও গীতিমূলক রচনার বিস্তার ঘটে (যেমন: মঙ্গলকাব্য, পদাবলী)। ভাষাও সহজ ও উপভোগ্য হয়ে ওঠে।
✏️

এই Post টো Update কৰাত সহায় কৰিব বিচাৰে নেকি?

ইয়াত কিবা ভুল, অসম্পূৰ্ণ তথ্য বা নতুন তথ্য থাকিলে আপুনি এটা উন্নত version প্ৰস্তুত কৰিব পাৰে। Live Post তৎক্ষণাৎ সলনি নহ'ব।

Update This Post

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to Top