AHSEC Class 11 Bangla Chapter 7 Answer 2026 – 2027 (SCERT Assam Bord) | ফুল ফুটুক না ফুটুক অধ্যায়ের উত্তর

 Chapter 7 – 

ফুল ফুটুক না ফুটুক 

Multiple Choice Questions (MCQ)

১) ‘ফুল ফুটুক না ফুটুক’ কবিতার কবি কে?
(ক) জীবনানন্দ দাশ
(খ) শক্তি চট্টোপাধ্যায়
(গ) সুভাষ মুখোপাধ্যায়
উত্তরঃ (খ) শক্তি চট্টোপাধ্যায়

২) ‘ফুল ফুটুক না ফুটুক’ কবিতাটির মূল ভাব কী?
(ক) রাজনৈতিক আন্দোলন
(খ) শিল্প ও সাহিত্যের অনিশ্চয়তা
(গ) সাহিত্যের স্বতঃস্ফূর্ত প্রকাশ ও চেতনা
উত্তরঃ (গ) সাহিত্যের স্বতঃস্ফূর্ত প্রকাশ ও চেতনা

৩) ‘আমি কবিতা লিখি না, কবিতা নিজেই লেখা হয়ে যায়’ – এই কথার মাধ্যমে কবি কী বোঝাতে চেয়েছেন?
(ক) কবিতা বানিয়ে লিখেন
(খ) কবিতার প্রতি নিস্পৃহ
(গ) কবিতা তাঁর অন্তর থেকে স্বতঃস্ফূর্তভাবে প্রকাশ পায়
উত্তরঃ (গ) কবিতা তাঁর অন্তর থেকে স্বতঃস্ফূর্তভাবে প্রকাশ পায়

৪) এই কবিতার ভাষা কেমন ধরনের?
(ক) অলংকারপূর্ণ ও জটিল
(খ) সহজ, স্বতঃস্ফূর্ত ও জীবনঘনিষ্ঠ
(গ) আঞ্চলিক
উত্তরঃ (খ) সহজ, স্বতঃস্ফূর্ত ও জীবনঘনিষ্ঠ

৫) কবিতাটির রচনাশৈলী কেমন?
(ক) গদ্য ছন্দে
(খ) কঠোর ছন্দে
(গ) ছড়ার আকারে
উত্তরঃ (ক) গদ্য ছন্দে

পাঠ্যপুস্তকের প্রশ্নোত্তর (Textbook Question Answers)

প্রশ্ন ১: ‘ফুল ফুটুক না ফুটুক’ কবিতার মূল বার্তা কী?
উত্তরঃ এই কবিতায় কবি সাহিত্যের স্বাধীন ও অন্তর্জাত প্রকাশের উপর গুরুত্ব দিয়েছেন। কবিতা জোর করে লেখা যায় না, বরং তা মন থেকে স্বতঃস্ফূর্তভাবে আসে। তিনি বোঝাতে চান যে, কবিতা সৃষ্টি কোনো ফল প্রত্যাশা করে নয়, বরং আত্মপ্রকাশের এক সহজ উপায়।

প্রশ্ন ২: কবি কেন বলেন, “আমি কবিতা লিখি না”?
উত্তরঃ কবি এই কথার মাধ্যমে বোঝাতে চান যে, কবিতা তাঁর মধ্যে নিজে থেকেই তৈরি হয়। কবি চেষ্টা করেন না, কবিতাই নিজে এসে কবিকে প্রকাশের মাধ্যম বানায়। এটাই কবিতার প্রকৃত স্বতঃস্ফূর্ততা।

প্রশ্ন ৩: কবি কোন ধরনের চেতনার কথা বলছেন?
উত্তরঃ কবি শিল্পের স্বাধীনতা ও মানবিক চেতনার কথা বলছেন। তিনি চান, সাহিত্য এবং কবিতা স্বাভাবিকভাবে মানুষের জীবনের অনুভব থেকে জন্ম নিক – বাহ্যিক প্রভাব কিংবা চাপে নয়।

 অতিরিক্ত প্রশ্নোত্তর (Additional Question Answers)

প্রশ্ন ১: ‘ফুল ফুটুক না ফুটুক, আজ বসন্ত’ – এই লাইনটি কী বোঝাতে চায়?
উত্তরঃ এই লাইনটির মাধ্যমে কবি বোঝাতে চেয়েছেন যে, ফলাফল না হোক, চেষ্টা বা ভাবনা জারি থাকুক। ফুল ফোটানো মানে কবিতার সার্থকতা নয়, বরং বসন্ত অর্থাৎ কবিতা সৃষ্টির পরিবেশটাই গুরুত্বপূর্ণ।

প্রশ্ন ২: এই কবিতাটি কোন সাহিত্য আন্দোলনের সঙ্গে সম্পর্কিত?
উত্তরঃ এই কবিতাটি ‘হাংরি আন্দোলন’-এর প্রভাবধীন। শক্তি চট্টোপাধ্যায় হাংরি জেনারেশনের কবি ছিলেন, যেখানে কনভেনশনাল রীতিনীতির বিরুদ্ধে সাহিত্য সৃষ্টির আহ্বান জানানো হয়।

প্রশ্ন ৩: কবির দৃষ্টিতে একজন কবির প্রধান বৈশিষ্ট্য কী হওয়া উচিত?
উত্তরঃ কবির দৃষ্টিতে একজন কবির হৃদয় হতে হবে সংবেদনশীল, স্বাধীনচেতা ও অন্তর্জাত সৃষ্টিশীলতায় পূর্ণ। বাহ্যিক প্রশংসা বা ফললাভ নয়, বরং অন্তরের আত্মপ্রকাশই কবিতার মূল।

✏️

এই Post টো Update কৰাত সহায় কৰিব বিচাৰে নেকি?

ইয়াত কিবা ভুল, অসম্পূৰ্ণ তথ্য বা নতুন তথ্য থাকিলে আপুনি এটা উন্নত version প্ৰস্তুত কৰিব পাৰে। Live Post তৎক্ষণাৎ সলনি নহ'ব।

Update This Post

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to Top