Chapter 14 –
বড়ো কে?
পাঠ্যবইয়ের প্রশ্নোত্তর:
(ক) এই কবিতার কবির নাম কী?
উত্তর: এই কবিতার কবির নাম হল নির্মলপ্রভা বর্ডোলই।
(খ) কবির মতে বড়ো কে?
উত্তর: কবির মতে, বড়ো সেই ব্যক্তি যিনি জ্ঞানী, নম্র, সহানুভূতিশীল ও সেবামনস্ক।
(গ) বড়ো কাদের বলা হয়?
উত্তর: বড়ো বলা হয় যারা গরিব-দুঃখীর উপকার করে, জ্ঞানী হয়েও অহংকারী হয় না, তাদের।
(ঘ) কীলে বড়ো হলে সংসারে বড়ো হওয়া যায়?
উত্তর: বিদ্যা, বুদ্ধি, সহানুভূতি ও নম্রতা অর্জন করলে সংসারে সত্যিকার বড়ো হওয়া যায়।
(ঙ) বড়ো হতে গেলে কী করতে হবে?
উত্তর: বড়ো হতে গেলে গরিবের পাশে দাঁড়াতে হবে, নম্র হতে হবে এবং দানশীল ও পরোপকারী হতে হবে।
অতিরিক্ত প্রশ্নোত্তর:
(১) কবিতাটির মূল শিক্ষা কী?
উত্তর: কবিতাটির মূল শিক্ষা হলো, সত্যিকারের বড়ো মানুষ হওয়ার জন্য শুধু ধন বা প্রতিপত্তি নয়, বরং ভালো ব্যবহার, দয়া, জ্ঞান ও পরোপকারের মনোভাব থাকতে হয়।
(২) বড়ো হওয়া মানে কি শুধু ধনী হওয়া?
উত্তর: না, বড়ো হওয়া মানে শুধু ধনী হওয়া নয়, মানুষ হিসেবে উত্তম হওয়া।
(৩) কবিতায় ‘নম্র’ হওয়ার গুরুত্ব কীভাবে দেখানো হয়েছে?
উত্তর: কবিতায় বলা হয়েছে যে নম্রতা একজন মানুষকে শ্রদ্ধাযোগ্য করে তোলে, যা বড়ো হওয়ার গুরুত্বপূর্ণ গুণ।
(৪) বড়ো হওয়ার জন্য আমাদের আচরণ কেমন হওয়া উচিত?
উত্তর: আমাদের আচরণ হওয়া উচিত ভদ্র, নম্র, সাহায্যপরায়ণ ও সহানুভূতিশীল।
এই Post টো Update কৰাত সহায় কৰিব বিচাৰে নেকি?
ইয়াত কিবা ভুল, অসম্পূৰ্ণ তথ্য বা নতুন তথ্য থাকিলে আপুনি এটা উন্নত version প্ৰস্তুত কৰিব পাৰে। Live Post তৎক্ষণাৎ সলনি নহ'ব।
Update This Post