Chapter 15 –
নতুন ভাবের অভ্যুদয়
১. উত্তরগুলি লেখ:
(ক) পরবর্তী বৈদিক যুগে ভারতীয় জনগণের মনে নতুন ধারণার বিকাশ ঘটেছিল কোন কোন কারণে?
উত্তর: জাতিভেদ বা বর্ণপ্রথা।
(খ) জৈন ধর্মের মৌলিক নীতিগুলি কী কী?
উত্তর: অহিংসা, সত্যবাদিতা, চুরি না করা, ত্যাগ এবং ব্রহ্মচর্য।
(গ) ভারতের কোন কোন অঞ্চলে জৈনধর্ম ছড়িয়ে পড়েছিল?
উত্তর: এটি উত্তর ভারত, গুজরাট, তামিলনাড়ু, কর্ণাটক ইত্যাদিতে ছড়িয়ে পড়ে।
(ঘ) গৌতম বুদ্ধের ধর্মান্তরের মূল কারণ কী ছিল?
উত্তর: সুখ ও শান্তির পথের সন্ধানে।
(ঙ) বৌদ্ধধর্ম কিসের উপর ভিত্তি করে তৈরি হয়েছিল?
উত্তর: বৌদ্ধ ধর্মের নতুন মতবাদ পাঁচটি শিক্ষার উপর ভিত্তি করে তৈরি হয়েছিল।
(চ) বৌদ্ধ বিহারগুলির কাজ কী ছিল?
উত্তর: হিংসা, ঘৃণা, ব্যভিচার, মাতালতা এবং মিথ্যা বলা থেকে বিরত থাকুন।
(ছ) পরবর্তীকালে বৌদ্ধধর্ম প্রচারের জন্য রাজারা কী কী পদক্ষেপ নিয়েছিলেন?
উত্তর: বিভিন্ন স্থানে বৌদ্ধ মন্দির নির্মাণের পাশাপাশি, তারা বুদ্ধের বাণী এবং বৌদ্ধ চিত্রকর্ম চিত্রিত করেছিলেন।
২. সত্য ও মিথ্যা নির্ধারণ-
(ক) জৈনধর্ম কর্ম এবং পুনর্জন্মে বিশ্বাস করে।
উত্তর: ভুল।
(খ) বুদ্ধ ত্যাগের উপর অত্যন্ত জোর দিয়েছিলেন।
উত্তর: ভুল।
(গ) বুদ্ধ শরণধায় ঐশ্বরিক জ্ঞান লাভ করেছিলেন।
উত্তর: ভুল।
(ঘ) বৌদ্ধ সংগঠনগুলিতে বুদ্ধের শিক্ষা নিয়ে আলোচনা করা হয়েছিল।
উত্তর: ঠিক।
(ঙ) সকল বয়সের মানুষ বৌদ্ধ সংঘের সদস্য হতে পারতেন।
উত্তর: ঠিক।
৩. সংক্ষিপ্ত উত্তর লেখ:
(ক) ক্ষত্রিয়রা কেন ব্রাহ্মণদের সাথে সমান মর্যাদা দাবি করেছিল?
উত্তর: আর্যদের শক্তিশালী বর্ণপ্রথা ক্ষত্রিয়দের তুলনায় ব্রাহ্মণদের মর্যাদা বৃদ্ধি করেছিল। তবে, সময়ের সাথে সাথে, ক্ষত্রিয় রাজারা রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক, সামাজিক ইত্যাদি সকল ক্ষেত্রে ক্রমশ শক্তিশালী হয়ে ওঠেন। তাই, রাজা ব্রাহ্মণদের জন্য সমান মর্যাদা দাবি করেন।
(খ) মহাবীর কেন ‘জিন’ উপাধি পেয়েছিলেন?
উত্তর: মহাবীর ‘জিন’ উপাধি পেয়েছিলেন কারণ তিনি ইন্দ্রিয়গুলিকে জয় করেছিলেন।
(গ) জৈনধর্মের দুটি বিভাগের নাম কী?
উত্তর: জৈন ধর্মের দুটি ভাগকে বলা হয় শ্বেতাম্বর এবং দিগম্বর।
(ঘ) বুদ্ধ কোথায় ধর্মপ্রচার করেছিলেন?
উত্তর: বুদ্ধ সারনাথে ধর্ম প্রচার করেছিলেন।
(ঙ) বৌদ্ধধর্মের মূল মতবাদ কী ছিল?
উত্তর: ভালো জীবনযাপনের জন্য ত্যাগ বা ত্যাগের প্রয়োজন নেই। জাতিভেদের কোনও প্রয়োজন নেই। কেবল সঠিক পথ অনুসরণ করলেই সহজ জীবনে সুখ ও শান্তি পাওয়া সম্ভব।
৫. ‘খ’ কে ‘ক’- ‘ক’ – ‘খ’ অংশের সাথে মেলাও। ত্রিপিটক – বৌদ্ধ ধর্মগ্রন্থ।
কুশিনার – বুদ্ধের মহাপরিনির্বাণের স্থান।
কৈবল্য – মহাবীর তাঁর তপস্যার পর লাভ করেছিলেন।
কুন্দপুর – মহাবীরের জন্মস্থান।
পূর্ব – জৈন ধর্মগ্রন্থ।
সারনাথ – বৌদ্ধধর্ম প্রথম যেখানে ছড়িয়ে পড়েছিল।
কপিলাবস্তু – বুদ্ধের জন্মস্থান।
এই Post টো Update কৰাত সহায় কৰিব বিচাৰে নেকি?
ইয়াত কিবা ভুল, অসম্পূৰ্ণ তথ্য বা নতুন তথ্য থাকিলে আপুনি এটা উন্নত version প্ৰস্তুত কৰিব পাৰে। Live Post তৎক্ষণাৎ সলনি নহ'ব।
Update This Post