Might Learn Logo Might Learn Shop Might Learn

WBBSE Class 10 Science & Environment Chapter 1 পরিবেশের জন্য ভাবনা Solution | Bengali Medium

Class 10 Chapter 1 Bengali Medium

পরিবেশের জন্য ভাবনা

[MCQs]

  1. ‘ভ্যান অ্যালেন বিকিরণ বলয়’ বায়ুমণ্ডলের কোন্ স্তরে দেখতে পাওয়া যায়?

(i) মেসোস্ফিয়ারে

(ii) ম্যাগনেটোস্ফিয়ারে

(iii) এক্সোস্ফিয়ারে

(iv) থার্মোস্ফিয়ারে

উত্তর: ম্যাগনেটোস্ফিয়ার

  1. বায়ুমণ্ডলের কোন্ স্তরে ওজোন গ্যাস পাওয়া যায়?

(i) মেসোস্ফিয়ার

(ii) থার্মোস্ফিয়ার

(iii) এক্সোস্ফিয়ার

(iv)স্ট্র্যাটোস্ফিয়ার

উত্তর: স্ট্যাটোস্ফিয়ার

  1. স্ট্র্যাটোপজের উন্নতা হল-

(i) 32* C

(ii) 32* F

(iii) 10 * C

(iv) 10 * F

উত্তর: (ii) 32* F

  1. সাধারণ অবস্থায় সমুদ্রপৃষ্ঠে আদর্শ গ্যাসের বায়ুচাপের পরিমাণ প্রায়

(i) 1003 millibar

(ii)1013 millibar

(iii)1030 millibar

(iv) 1001 millibar

উত্তর:1013 millibar

  1. বৈপরীত্য উত্তাপ লক্ষ করা যায়-

(i) আয়নোস্ফিয়ারে

(ii) এক্সোস্ফিয়ারে

(iii) স্ট্র্যাটোস্ফিয়ারে

(iv)ট্রোপোস্ফিয়ারে

উত্তর: স্ট্র্যাটোস্ফিয়ারে

  1. ট্রোপোস্ফিয়ার স্তরের গড় উচ্চতা ভূপৃষ্ঠ থেকে

(i) 10 km

(ii) 15 km

(iii)12 km

(iv) 20 km

উত্তর: (iii)12 km

  1. বায়ুমণ্ডলের সর্বনিম্ন উন্নতার মান-

(i)10°C

(ii) 0°C

(iii) 50°C

(iv) 95°C

উত্তর: (iv)95°C

  1. বেতার তরঙ্গকে প্রতিফলিত করে বায়ুমণ্ডলের কোন্ স্তর?

(i) স্ট্র্যাটোপজ

(ii) ওজোনোস্ফিয়ার

(iii) মেসোস্ফিয়ার

(iv) আয়নোস্ফিয়ার

উত্তর: (iv) আয়নোস্ফিয়ার

  1. বায়ুমণ্ডলের সর্বনিম্ন উন্নতা হয়

(i) ট্রোপোপজে

(ii) ওজোন স্তরে

(iii) মেসোেপজে

(iv) স্ট্র্যাটোপজে

উত্তর: (iii) মেসোপজে

  1. কারম্যান রেখা যা বায়ুমণ্ডলে ও মহাকাশের মধ্যে সীমারেখা নির্দেশ করে, ভূপৃষ্ঠ থেকে তার উচ্চতা কত?

(i) 150 km

(ii) 100 km

(iii) 120 km

(iv) 50 km

উত্তর: (ii) 100 km

  1. বায়ুমন্ডলের কোন্ কোন্ স্তরের উচ্চতা বৃদ্ধির ফলে উন্নতা বৃদ্ধি পায়?

(i) ট্রোপোস্ফিয়ার এবং থার্মোস্ফিয়ার

(ii) মেসোস্ফিয়ার এবং স্ট্র্যাটোস্ফিয়ার

(iii) থার্মোস্ফিয়ার এবং মেসোস্ফিয়ার

(iv) স্ট্র্যাটোস্ফিয়ার এবং থার্মোস্ফিয়ার

উত্তর: (iv) স্ট্র্যাটোস্ফিয়ার এবং থার্মোস্ফিয়ার

  1. বায়ুমন্ডলের বিভিন্ন স্তরগুলির ক্ষেত্রে চাপের সঠিক অধঃক্রম হল-

(i) স্ট্র্যাটোস্ফিয়ার: > ট্রোপোস্ফিয়ার> মেসোস্ফিয়ার > থার্মোস্ফিয়ার

(ii) মেসোস্ফিয়ার থার্মোস্ফিয়ার স্ট্র্যাটোস্ফিয়ার > ট্রোপোস্ফিয়ার

(iii) ট্রোপোস্ফিয়ার> স্ট্র্যাটোস্ফিয়ার > মেসোস্ফিয়ার > থার্মোস্ফিয়ার

(iv) থার্মোস্ফিয়ার > মেসোস্ফিয়ার > স্ট্র্যাটোস্ফিয়ার > ট্রোপোস্ফিয়ার

উত্তর: (iii) ট্রোপোস্ফিয়ার> স্ট্র্যাটোস্ফিয়ার > মেসোস্ফিয়ার > থার্মোস্ফিয়ার

  1. বায়ুতে যে গ্যাসটির পরিমাণ সবচেয়ে বেশি তা হল-

(i) অক্সিজেন

(ii) নাইট্রোজেন

(iii) ওজোন

(iv) হাইড্রোজেন

উত্তর:(ii) নাইট্রোজেন

  1. বায়ুমণ্ডলের যে স্তরে আবহাওয়াগত প্রাকৃতিক গোলযোগ ঘটে তা হল-

(i) থামোস্ফিয়ার

(ii) ট্রোপোখিমার

(iii)স্ট্র্যাটোস্ফিয়ার

(iv) মেসোস্ফিয়ার

উত্তর: (ii) ট্রোপোস্ফিয়ার

  1. রাসায়নিক গঠন অনুসারে বায়ুমন্ডলের বিভাগ হল-

(i) 5টি

(ii) 4টি

(iii) 3টি

(iv) ২টি

উত্তর: (iv) ২ট

  1. ভূপৃষ্ঠ থেকে 12km উচ্চতার মধ্যে বায়ুমন্ডলের যত শতাংশ ভর থাকে তা হল-

(i) 70

(ii) 80

(iii) 90

(iv) 75

উত্তর: 75

very Short Answer Question

  1. ওজোন গ্যাসের ঘনত্বকে কোন্ এককে প্রকাশ করা হয়?

উত্তর: ডবসন এককে প্রকাশ করা হয়।

  1. বায়ুমণ্ডলে ওজোনের পরিমাণ মাপার যন্ত্রটির নাম কী?

উত্তর: ডবসন স্পেকট্রোমিটার।

  1. সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মি কোন্ স্তরে শোষিত হয়?

উত্তর: সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মি ওজোন স্তরে শোষিত হয়।

ক্রাকার পথে সংঘটিত হয় তাকে ‘Chapman Cycle’ বলে।

  1. ODS-এর পূর্ণরূপটি লেখো।

উত্তর: ODS-এর পূর্ণরূপটি হল Ozone Depleting Substances (অর্থাৎ, ওজোন বিনষ্টকারী পদার্থসমূহ)।

  1. প্রধান গ্রিনহাউস গ্যাস কোন্টি? [Birbhum District Inter School Test]

উত্তর: প্রধান গ্রিনহাউস গ্যাস হল কার্বন ডাইঅক্সাইড (CO₂)।

  1. বায়ুতে উপস্থিত একটি গ্যাসের নাম করো, যেটির পরিমাণ বাড়লে বিশ্বউয়ায়ন ঘটে? অনুরূপ প্রশ্ন, বায়ুমণ্ডলের উয়তা বৃদ্ধি করে এমন একটি গ্যাসের নামলেখো।

উত্তর: বায়ুতে কার্বন ডাইঅক্সাইড (CO₂) গ্যাসের পরিমাণ বাড়লে বিশ্বউয়ায়ন ঘটে বা বায়ুমণ্ডলের উয়তা বৃদ্ধি পায়।

  1. বায়ুমণ্ডলে উপস্থিত এমন দুটি গ্যাসের নাম লেখো যারা গ্রিনহাউস গ্যাস নয়। অথবা, বায়ুমণ্ডলে উপস্থিত একটি গ্যাসের নাম করো, যেটি গ্রিনহাউস গ্যাস নয়।

উত্তর: নাইট্রোজেন ও অক্সিজেন গ্রিনহাউস গ্যাস নয়।

  1. যদি বায়ুমণ্ডলে CO₂, জলীয় বাষ্প ইত্যাদি গ্রিনহাউস গ্যাসগুলি নাথাকত তবে বায়ুমণ্ডলের গড় উয়তা কত হতঃ

উত্তর: বায়ুমণ্ডলের গড় উয়তা হত প্রায় -30°C |

  1. বায়ুমণ্ডলে গ্রিনহাউস গ্যাসগুলির উপস্থিতির একটি সুবিধা উল্লেখ করো।

উত্তর: বায়ুমণ্ডলে গ্রিনহাউস গ্যাসগুলির উপস্থিতির জন্য পৃথিবীতে জীবনধারণের উপযুক্ত উয়তার সৃষ্টি হয়েছে।

  1. বায়ুমণ্ডলে ওজোন গ্যাসের ঘনত্বকে এককে প্রকাশ করা হয়।

উত্তর: ডবসন (DU)

  1. সূর্যের যে রশ্মি মহাশূন্যে ফিরে যায় তাকে বলে।

উত্তর: অ্যালবেডো

  1. অবলোহিত রশ্মি (Infrared Ray)-এর শক্তি হ্রাস পেলে তার তরঙ্গদৈর্ঘ্য পায়।

উত্তর: বৃদ্ধি

  1. CFC-এর সম্পূর্ণ কথাটি হল।

উত্তর: ক্লোরোফ্লুরোকার্বন

  1. সুপারসনিক বিমান নির্গত যে গ্যাস ওজোন স্তরকে ভেঙে দেয় সেই গ্যাসটি হল

উত্তর: নাইট্রিক অক্সাইড

  1. প্রতিবছর বায়ুমণ্ডলে CFC গ্যাসগুলির বৃদ্ধির হার প্রায়

উত্তর: 5%

  1. CFC অণুর ভূপৃষ্ঠ থেকে বিকিরিত তাপকে আটকে দেওয়ার ক্ষমতা CO₂ অণুর তুলনায় প্রায় বেশি। গুণ

উত্তর: 15,000-20,000

  1. প্রতি অণু N₂O -এর তাপ আটকে রাখার ক্ষমতা প্রতি অণু CO₂ এর তুলনায় প্রায় গুণ বেশি।

উত্তর: 200

  1. প্রতি অণু মিথেনের তাপ আটকে রাখার ক্ষমতা প্রতি অণু CO₂ -এর তুলনায় প্রায় গুণ বেশি।

উত্তর: 25

  1. গ্রিনহাউস প্রভাব সৃষ্টিতে N₂O ও জলীয় বাষ্পের অবদান যথাক্রমে ও

উত্তর: 5%, 2%

  1. বায়ুমণ্ডলে উপস্থিত মোট ওজোন গ্যাসের শতকরা কত ভাগ ওজোনোস্ফিয়ারে বিদ্যমান?

উত্তর: মোট ওজোন গ্যাসের শতকরা 90 ভাগ।

Short Answer Question

  1. মেসোস্ফিয়ারের বৈশিষ্ট্যগুলি উল্লেখ করো।

উত্তর: মেসোস্ফিয়ারের বৈশিষ্ট্যগুলি হল-① উচ্চতা বৃদ্ধির সঙ্গে এই স্তরের উন্নতা ও চাপ উভয়ই হ্রাস পায়। ② এই স্তরের সর্বনিম্ন উয়তা -92°C হওয়ায় এটি বায়ুমণ্ডলের শীতলতম অঞ্চল।

③ মহাকাশ থেকে পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে প্রবেশ করা উল্কাগুলি এই স্তরে এসে পুড়ে ছাই হয়ে যায়।

  1. থার্মোস্ফিয়ার কাকে বলে? এরূপ নামকরণের কারণ কী?

উত্তর:মেসোস্ফিয়ারের উপরে উপস্থিত এবং ভূপৃষ্ঠের। সাপেক্ষে 85 km থেকে 500 kim উচ্চতা পর্যন্ত বিস্তৃত বায়ুমণ্ডলীয় স্তরের নামও উত্তর: বায়ুমণ্ডলের উচ্চতা বৃদ্ধির সাথে সাথে এই স্তরের তাপমাত্রাও হারে বাড়তে থাকে। প্রায় 120km উচ্চতায় এই তাপমাত্রা হয় প্র 500°C, 200 km-এ প্রায় 700°C এবং 480 থেকে 500km উচ্চতায় তাপমাত্রা বেড়ে গিয়ে প্রায় 1200°C হয়। উয়তা খুব বেশি থাকে বলেই এই স্তরকে থার্মোস্ফিয়ার বলা হয়।

  1. বায়ুমণ্ডলের এক্সোস্ফিয়ার স্তরের সংক্ষিপ্ত বর্ণনা দাও।

উত্তর: ভূপৃষ্ঠ থেকে 500 km অপেক্ষা বেশি উচ্চতায় এক্সোস্ফিয়ার স্তরটি উপস্থিত। এটি মোটামুটি 1000 km উচ্চতা পর্যন্ত বিস্তৃত বলে মনে করা হয়। এই স্তরে H₂ ও He গ্যাসের অস্তিত্ব পাওয়া গেলেও এদের ঘনত্ব খুব কম থাকে। এই অঞ্চলের উন্নতা 1200°C অপেক্ষা বেশি হয়। কৃত্রিম উপগ্রহ ও মহাকাশ স্টেশনগুলিকে এই স্তরেই স্থাপন করা হয়।

  1. বায়ুমণ্ডলের স্তরগুলির মধ্যে কোল্টিতে চাপ সবথেকে বেশি কারণসহ লেখো।

উত্তর: বায়ুমণ্ডলের ট্রোপোস্ফিয়ার স্তরটিতে চাপ সবথেকে বেশি। বায়ুমণ্ডলের মোট গ্যাসীয় পদার্থের প্রায় 75 শতাংশ এবং সমস্ত জলীয় বাষ্প ও ধূলিকণা এই স্তরেই থাকে। তাই এই স্তরের বায়ুর ঘনত্ব সবথেকে বেশি এবং তার ফলে চাপ সবথেকে বেশি।

  1. বায়ুমণ্ডলের উপস্থিতির দুটি সুবিধা উল্লেখ করো।

উত্তর: বায়ুমণ্ডলে উপস্থিতির দুটি সুবিধা হল-① বায়ুমণ্ডলের CO 2′ CH 4′ N*O_{2} CFC, জলীয় বাষ্প ইত্যাদি গ্রিনহাউস গ্যাসগুলির প্রভাবে ভূপৃষ্ঠ ও তার সংলগ্ন বায়ুমণ্ডল এমন এক উন্নতা সীমার মধ্যে (গড় মান প্রায় 15 deg * C উত্তপ্ত থাকে, যা মানুষসহ সমগ্র জীবজগতের বেঁচে থাকার পক্ষে অনুকূল। এ ছাড়া বায়ুমণ্ডলের ওজোন (O_{3}) গ্যাসের স্তর সূর্য থেকে আসা জীবজগতের পক্ষে ক্ষতিকারক অতিবেগুনি রশ্মিকে শোষণ করে পৃথিবীর জীবকুলকে রক্ষা করে। ② বায়ুমণ্ডলের মধ্য দিয়ে শব্দ তরঙ্গ অগ্রসর হতে পারে। বায়ুমন্ডলের উপস্থিতির জন্য আমরা কথা বলার মাধ্যমে একে অপরের মনের ভাব বুঝতে পারি বা ভাববিনিময় করতে পারি।

  1. পরিচলন কাকে বলে? পরিচলন স্রোত কী?1+1

উত্তর: পরিচলন: যে প্রক্রিয়ায় তরল বা গ্যাসের উত্তপ্ত কণাগুলি নিজেরাই উন্নতর অংশ থেকে শীতলতর অংশে স্থানান্তরিত হয়ে তাপ সঞ্চালন করে, তাকে পরিচলন বলে।

পরিচলন স্রোত: তরল বা গ্যাসীয় পদার্থ উত্তপ্ত হলে তার আয়তন প্রসারণের জন্য ঘনত্ব কমে যায়। সুতরাং, উত্তপ্ত তরল বা গ্যাসীয় পদার্থ হালকা হয়ে ওপরে ওঠে ও ওপরের শীতল ভারী অংশ নীচে নেমে আসে। এর ফলে যে উল্লম্ব চক্রাকার স্রোতের সৃষ্টি হয় তাকে পরিচলন স্রোত বলে।

  1. বায়ুতে পরিচলন স্রোত কীভাবে সৃষ্টি হয়?

উত্তর: কোনো স্থানের বায়ু উত্তপ্ত হলে ওই বায়ুর আয়তন বৃদ্ধি পায় ও ঘনত্ব কমে যায়। এই অবস্থায় উত্তপ্ত বায়ু হালকা হয়ে ওপরে ওঠে। এর ফলে যে শূন্যতার সৃষ্টি হয়, তা পূরণ করতে আশেপাশের অপেক্ষাকৃত ঠান্ডা ও ভারী বায়ু ওই জায়গায় ছুটে আসে। এভাবে বায়ুতে পরিচলন স্রোতের সৃষ্টি হয়।

  1. ঝড় আসার আগে পরিবেশ শান্ত থাকে কেন?

উত্তর: বায়ু উচ্চচাপ অঞ্চল থেকে নিম্নচাপ অঞ্চলের দিকে প্রবাহিত হয়। কোনো কারণে ভূপৃষ্ঠ সংলগ্ন কোনো অঞ্চলের বায়ু অধিক উত্তপ্ত হলে ওই অঞ্চলের বায়ু হালকা হয়ে ওপরে উঠে যায়। ফলে ওই অঞ্চলের বায়ুমণ্ডলে নিম্নচাপের সৃষ্টি হয়। তখন আশেপাশের উচ্চচাপ অঞ্চলের বায়ু ওই নিম্নচাপ অঞ্চলের দিকে ছুটে আসে। বায়ুচাপের পার্থক্য যত বেশি হয়, বায়ুচাপ সমান করার জন্য আশেপাশের উচচ্চাপ অঞ্চল থেকে বায়ু তত বেশি গতিবেগে ওই অঞ্চলের দিকে ছুটে আসে। এভাবে ঝড়ের সৃষ্টি হয়।

Long Answer Question

  1. বায়ুমণ্ডলের হোমোস্ফিয়ার ও হেটেরোস্ফিয়ার অঞ্চল বলতে কী বোঝ?

উত্তর: রাসায়নিক গঠন অনুসারে বায়ুমণ্ডলকে দুটি ভাগে ভাগ করা যায়, যথা-হোমোস্ফিয়ার বা সমমণ্ডল এবং হেটেরোস্ফিয়ার বা বিষমমণ্ডল।

হোমোস্ফিয়ার: বায়ুমণ্ডলের নীচের অংশে (ভূপৃষ্ঠ থেকে প্রায় 85km পর্যন্ত বিস্তৃত) উপাদান গ্যাসগুলির (N₂, O2, Ar, CO₂, জলীয় বাষ্প ইত্যাদি) অনুপাত সর্বত্র প্রায় সমান থাকে। তাই এই অংশটিকে হোমোস্ফিয়ার বা সমমণ্ডল বলে। বায়ুমণ্ডলের ট্রোপোস্ফিয়ার, স্ট্র্যাটোস্ফিয়ার ও মেসোস্ফিয়ার স্তরগুলি এর অন্তর্গত।

হেটেরোস্ফিয়ার: হোমোস্ফিয়ারের ওপরের অংশে যেখানে বায়ুমণ্ডলের উপাদান গ্যাসীয় পদার্থগুলির অনুপাত স্থির নয়, তাকে হেটেরোস্ফিয়ার বা বিষমমণ্ডল বলে। এটি ভূপৃষ্ঠের ওপর 85km উচ্চতা থেকে প্রায় 1000km উচ্চতা পর্যন্ত বিস্তৃত। বায়ুমণ্ডলের থার্মোস্ফিয়ার ও এক্সোস্ফিয়ার স্তর দুটি এর অন্তর্গত।

জেনে রাখো

বায়ুমণ্ডলে মোটামুটিভাবে 78% নাইট্রোজেন, 20% অক্সিজেন, 0.93% আর্গন ও 0.04% কার্বন ডাইঅক্সাইড গ্যাস উপস্থিত। বিভিন্ন জলাশয় থেকে জল বাষ্পীভূত হয়ে বায়ুমণ্ডলে জলীয় বাষ্প হিসেবে থাকে। বায়ুমণ্ডলে এর পরিমাণ প্রায় 0.1-4%। মরুভূমি ও সমুদ্র তীরবর্তী অঞ্চলের সুক্ষ্ম বালিকণা, কলকারখানা থেকে নির্গত ছাই, আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতের ফলে সৃষ্ট ছাই প্রভৃতি ধূলিকণা-রূপে বায়ুমন্ডলে ভাসমান অবস্থায় থাকে। বায়ুমন্ডলের ওপরের স্তরের তুলনায় নীচের স্তরে ধূলিকণার পরিমাণ বেশি থাকে।

  1. ওজোন স্তর না থাকলে কী কী হত? অনুরূপ প্রশ্ন, মানবস্বাস্থ্য ও পরিবেশের উপর ওজোন স্তর ক্ষয়ের দুটি ক্ষতিকারক প্রভাব লেখো।অনুরূপ প্রশ্ন, ওজোন স্তরে ছিদ্র হলে প্রাণীজগতের ওপর দুটি ক্ষতিক প্রভাব লেখো।

উত্তর: ওজোন স্তর সূর্য থেকে আগত ক্ষতিকর অতিবেগুনি রশ্মির প্র থেকে পৃথিবীকে রক্ষা করে। ওজোন স্তর না থাকলে অতিবেগুনি সরাসরি ভূপৃষ্ঠে এসে পড়ত, যার ফলে পৃথিবীর জীবজগতের অস্তিত্ব নি হত। বর্তমানে মানুষের বিভিন্ন ক্রিয়াকলাপের ফলে ওজোন স্তর ভ ক্ষয়প্রাপ্ত হচ্ছে এবং এর ফলস্বরূপ পৃথিবীর জীবজগৎ তথা সমগ্র পরি বিভিন্ন সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছে। যেমন-

① জীবকূলের ওপর প্রভাব: অতিবেগুনি রশ্মির প্রভাবে বী অঙ্কুরোদগম প্রক্রিয়া বিঘ্নিত হবে, উদ্ভিদের সালোকসংশ্লেষ প্রা ব্যাহত হবে, শস্যের উৎপাদন হ্রাস পাবে, জলাশয়ে ফাইটোপ্ল্যাংকাউ সালোকসংশ্লেষ ব্যাহত হবে, জলজ প্রাণীদের অস্তিত্ব বিপন্ন হবে।

② রোগের প্রাদুর্ভাব: অতিবেগুনি রশ্মি বিনা বাধায় পৃথিবীতে পড়লে তার প্রভাবে ত্বকের ক্যানসারসহ বিভিন্ন রোগ হবে, অসময়ে ছানি পড়বে। এ ছাড়া প্রাণীদের প্রজনন ক্ষমতা এবং প্রতিরোধ করার ক্ষমতা কমে যাবে।

③ পরিবেশের ওপর প্রভাব: সূর্যালোকের অতিবেগুনি রশ্মি ওজোন শোষিত না হলে তা ভূপৃষ্ঠে আপতিত হয়ে ভূপৃষ্ঠের উন্নতা বৃদ্ধি কা ফলে মেরু অঞ্চলের বরফ গলে সমুদ্রের জলতল বৃদ্ধি পাল সমুদ্রতীরবর্তী অঞ্চল প্লাবিত হবে। এ ছাড়াও পৃথিবীর জলবায়ুর বা পরিবর্তন ঘটবে।

  1. বিশ্বউয়ায়নে বিভিন্ন গ্রিনহাউস গ্যাসগুলির ভূমিকা উল্লেখ করো।

উত্তর: নানাবিধ প্রাকৃতিক কারণে এবং মূলত মানুষের বিভিন্ন ক্রিয়াকলাপের ফলে বায়ুমন্ডলে গ্রিনহাউস গ্যাসগুলির পরিমাণ ক্রমাগত বেড়ে চলেছে। অর্থাৎ গ্রিনহাউস প্রভাবের ফলে বায়ুমণ্ডল নিয়ন্ত্রিত সীমার বাইরে উত্তপ্ত হচ্ছে। এই হিসেবে বলা যায় যে, পরিবেশে এই গ্রিনহাউস গ্যাসগুলির বৃদ্ধি বা গ্রিনহাউস প্রভাবই বিশ্বউয়ায়নের অন্যতম কারণ। বিশ্বউয়ায়নে বিভিন্ন গ্রিনহাউস গ্যাসগুলির ভূমিকা নিম্নরূপ-

কার্বন ডাইঅক্সাইড: পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে কার্বন ডাইঅক্সাইডের পরিমাণ 0.039% হলেও বায়ুমণ্ডলে গ্রিনহাউস গ্যাসগুলির মধ্যে এর উপস্থিতিই সবথেকে বেশি। তাই পৃথিবীপৃষ্ঠ দ্বারা বিকিরিত তাপকে আটকে দেওয়ার ক্ষেত্রে CO2সর্বপ্রধান ভূমিকা পালন করে এবং গ্রিনহাউস প্রভাব সৃষ্টিতে এর অবদান প্রায় 50 শতাংশ।

মিথেন: পৃথিবীর গড় উন্নতা বৃদ্ধিতে অন্যতম ভূমিকা পালনকারী অপর একটি গ্যাস হল মিথেন। ভূপৃষ্ঠ থেকে বিকিরিত তাপকে আটকে দেওয়ার ক্ষমতা, প্রতি অণু CO2 -এর তুলনায় প্রতি অণু মিথেনের প্রায় 25 গুণ বেশি। কিন্তু বায়ুমণ্ডলে মিথেনের পরিমাণ CO2-এর তুলনায় অনেক কম। এ কারণে গ্রিনহাউস প্রভাব সৃষ্টিতে মিথেন গ্যাসের অবদান CO2 -এর তুলনায় কম (প্রায় 19 শতাংশ)।

ক্লোরোফ্লুরোকার্বন: ভূপৃষ্ঠ থেকে বিকিরিত তাপকে আটকে দেওয়ার ক্ষমতা CO2 অণুর তুলনায় ক্লোরোফ্লুরোকার্বন অণুর 15,000-20,000 গুণ বেশি। ক্লোরোফ্লুরোকার্বন অত্যন্ত স্থায়ী ও বায়ুতে দীর্ঘকাল অবিকৃত অবস্থায় থেকে যায়। গ্রিনহাউস প্রভাব সৃষ্টিতে এর অবদান প্রায় 16 শতাংশ। তাপ শোষণের পাশাপাশি ক্লোরোফ্লুরোকার্বন ওজোন গহ্বর সৃষ্টিতে পুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এর ফলে সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মি পৃথিবীপৃষ্ঠে আসতে পারে যা বিশ্বউন্নায়নকে পরোক্ষভাবে ত্বরান্বিত করে।

নাইট্রাস অক্সাইড: বায়ুমণ্ডলে নাইট্রাস অক্সাইডের পরিমাণ বৃদ্ধি পৃথিবীর গড় উন্নতা বৃদ্ধির আরও একটি কারণ। ভূপৃষ্ঠ থেকে বিকিরিত তাপকে আটকে দেওয়ার ক্ষমতা প্রতি অণু CO2 এর তুলনায় প্রতি অণু নাইট্রাস অক্সাইডের প্রায় 200 গুণ বেশি। কিন্তু বায়ুতে এর পরিমাণ CO2 -এরতুলনায় কম। তাই গ্রিনহাউস প্রভাব সৃষ্টিতে এর অবদান CO₂ অপেক্ষা কম (প্রায় 5%)।

✏️

এই Post টো Update কৰাত সহায় কৰিব বিচাৰে নেকি?

ইয়াত কিবা ভুল, অসম্পূৰ্ণ তথ্য বা নতুন তথ্য থাকিলে আপুনি এটা উন্নত version প্ৰস্তুত কৰিব পাৰে। Live Post তৎক্ষণাৎ সলনি নহ'ব।

Update This Post
Scroll to Top
🎓 My Class

My Subjects