West Bengal Class 10 Geography and Environment Chapter 4 Solution 2026 | পশ্চিমবঙ্গ দশম শ্ৰেণির ভূগোল এবং পরিবেশ চ্যাপ্টার ৪ সমাধান | WBBSE Class 10 Geography and Environment Chapter 4 Solution | বর্জ্য ব্যবস্থাপনা |

অধ্যায় 4

বর্জ্য ব্যবস্থাপনা

  1. প্রদত্ত কোল্টি কঠিন বর্জ্যের অন্তর্গত নয়?-

a) কৃষিক্ষেতের বর্জ্য

b) শিল্পজাত বর্জ্য

c) জঞ্জাল

d) পয়ঃপ্রণালীর বর্জ্য ✔

  1. ভার্মি কম্পোস্ট সার তৈরিতে প্রধান ভূমিকা নেয়-

a) সাপ

b) কেঁচো ✔

c) ব্যাকটেরিয়া

d) ইঁদুর

  1. একটি কৃষিজাত বর্জ্য হল-

a) গাছের কাণ্ড

b) খড় ✔

c) কাচের বোতল

d) প্লাস্টিক পাত

  1. একটি পৌর আবর্জনার উদাহরণ হল-

a) অ্যালুমিনিয়াম টুকরো ✔

b) গোবর

c) কঙ্কাল

d) তুষ

  1. স্ক্রাবার যন্ত্রটি ব্যবহৃত হয়-

a) বায়ুদূষণ নিয়ন্ত্রণে ✔

b) জলদূষণ নিয়ন্ত্রণে

c) তেজস্ক্রিয় দূষণ নিয়ন্ত্রণে

d) মৃত্তিকা দূষণ নিয়ন্ত্রণে

  1. একটি পরিবেশমিত্র বর্জ্যের নাম-

a) পাটের চট ✔

b) সিসা

c) রবার

d) প্লাস্টিক

  1. একটি অবিষাক্ত বর্জ্য হল-

a) পুরোনো ফুল ✔

b) কীটনাশক

c) পারদ

d) প্লাস্টিক

  1. একটি চিকিৎসা সংক্রান্ত বর্জ্য হল-

a) সবজির খোসা

b) ইনজেকশন সিরিঞ্জ ✔

c) খাবারের প্যাকেট

d) সাবান ধোয়া জল

  1. পুনর্নবীকরণযোগ্য একটি বর্জ্য হল-

a) প্লাস্টিকের বোতল ✔

b) স্প্রে ক্যান

c) রাবিশ

d) হাসপাতালের বর্জ্য

  1. বর্জ্য সিসা দূষণে যে রোগ সৃষ্টি হয়-

a) মিনামাটা

b) ডিসলেক্সিয়া ✔

c) ইটাই ইটাই

d) ফ্লরোসিস

  1. গ্যাসীয় বর্জ্য থেকে যে ধরনের রোগের সংক্রমণ হতে পারে, তার মধ্যে প্রধান হল-

a) ফুসফুসের রোগ ✔

b) এইডস

c) অ্যানিমিয়া

d) ক্যানসার

  1. বায়ুদূষণ হয়-

a) গাড়ি ও কারখানা থেকে ✔

b) কারখানা নির্গত জল থেকে

c) ঘরের বর্জ্য থেকে

d) তেজস্ক্রিয় বর্জ্য থেকে

  1. ভারতের গ্রামাঞ্চলে কঠিন বর্জ্য যে পদ্ধতিতে নিয়ন্ত্রণ করা যায়, সেটি হল-

a) কম্পোস্টিং করা

b) পুড়িয়ে ফেলা

c) উন্মুক্তভাবে সঞ্চয় করা

d) ম্যানিওর পিট তৈরি করা ✔

Very Short Answer Question

  1. জীব বিশ্লেষ্য বর্জ্য থেকে কী ধরনের সম্পদ উৎপাদন হয়?

► জৈব সার

  1. DDT-এর পুরো নাম কী?

▶ ডাইক্লোরো-ডাইফেনাইল-ট্রাইক্লোরোইথেন

  1. বিপজ্জনক বর্জ্য পদার্থের সর্বপ্রধান উৎস কী?

▶ কলকারখানা

  1. তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের বর্জ্য পদার্থ কোন্ কাজে লাগে?

▶ ইট, সিমেন্ট প্রভৃতি তৈরি করতে

  1. ভারতে বিপজ্জনক বর্জ্য আইনটি কবে প্রচলিত হয়?

▶ 1989 সালে

  1. বর্জ্য পদার্থের নিয়ন্ত্রিত দহনকে কী বলে?

▶ ইনসিনারেশন (Incineration)

  1. একটি পারদঘটিত বর্জ্যের নাম করো।

▶ ভাঙা থার্মোমিটার/নষ্ট CFL বাল্ব

  1. e-waste কী?

▶ বিভিন্ন প্রকার ইলেকট্রনিক দ্রব্য, যেমন-কম্পিউটার, মোবাইল ফোন প্রভৃতি যখন ব্যবহারের অযোগ্য হয়ে যায় বা নষ্ট হয়ে যায়

  1. কীসের সাহায্যে গ্যাসীয় বর্জ্যের সঙ্গে নির্গত কার্বন কণাকে আটকে রাখা যায়?

▶ স্ক্রাবার (এ ছাড়া ইলেকট্রোস্ট্যাটিক প্রেসিপিটেটর এবং স্মোক ফ্রি টাওয়ার)

  1. গঙ্গা নদীর প্রবাহের কোন্ অংশে সর্বাধিক দূষণ দেখা যায়?

▶ নিম্ন প্রবাহে

  1. দুটি কঠিন বর্জ্যের উদাহরণ দাও।

▶ ভাঙা কাচ এবং ভাঙা প্লাস্টিক

  1. কোন্ ধরনের বর্জ্যের কারণে আমাদের জলনির্গম প্রণালী বিঘ্নিত হয়?

▶ কঠিন বর্জ্য

  1. একটি জৈব ভঙ্গুর বর্জ্যের নাম করো।

▶ ডাবের খোলা

  1. একটি গ্যাসীয় বর্জ্য বস্তুর নাম করো।

▶ হাইড্রোজেন সালফাইড

  1. একটি রাসায়নিক বিষাক্ত বর্জ্যের নাম লেখো।

► DDT

  1. শুকনো ফুল কী ধরনের বর্জ্য?

▶ বিষহীন বর্জ্য

  1. বাড়ি থেকে সৃষ্ট একটি কঠিন বর্জ্যের নাম লেখো।

▶ সবজি ও ফলের খোসা

  1. একটি বিপজ্জনক চিকিৎসা সংক্রান্ত বর্জ্যের নাম লেখো।

▶ ক্যাথিটার

  1. কঠিন বর্জ্য নিয়ন্ত্রণে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পদ্ধতি কোন্টি?

▶ ভরাটকরণ বা স্যানিটারি ল্যান্ডফিল

  1. কম্পোস্টিং পদ্ধতিতে কী ধরনের ব্যাকটেরিয়া ব্যবহার করা হয়?

▶ অ্যারোবিক ব্যাকটেরিয়া

Short Answer Question

  1. বিপজ্জনক বর্জ্য পদার্থগুলি কী?

উত্তর: বিপজ্জনক বর্জ্য পদার্থ: মানুষ এবং জীবজগতের পক্ষে ক্ষতিকর বর্জ্যকে বিপজ্জনক বর্জ্য পদার্থ বলে।

শর্ত: সাধারণত সেইসব বর্জ্যকে বিপজ্জনক বর্জ্য বলা হবে যখন তার প্রজ্জ্বলিত হওয়ার ক্ষমতা থাকবে, সহজে বিক্রিয়া করতে পারবে, তেজস্ক্রিয়তা থাকবে, বিষাক্ত হবে এবং ক্ষয়কারী ক্ষমতা থাকবে।

উৎস: সাধারণত তৈলশোধনাগার, পারমাণবিক শক্তি উৎপাদন কেন্দ্র, ধাতু নিষ্কাশন প্রক্রিয়া এবং রাসায়নিক দ্রব্য তৈরির কারখানা থেকে এ ধরনের বর্জ্য পদার্থ তৈরি হয়।

প্রকারভেদ: বিপজ্জনক রাসায়নিক বর্জ্যকে ছয়টি ভাগে ভাগ করা যায়-

① ভারী ধাতু: সিসা, জিঙ্ক, আর্সেনিক প্রভৃতি।

② পেট্রোলিয়াম শিল্পজাত দ্রব্য: গ্রিজ, গ্যাসোলিন, তেল প্রভৃতি।

③ কৃত্রিম জৈব যৌগ: DDT, ডাইঅক্সিন প্রভৃতি।

④ অ্যাসিড: কার্বন ডাইঅক্সাইড থেকে উৎপন্ন কার্বনিক অ্যাসিড, হাইড্রোজেন ক্লোরাইড থেকে উৎপন্ন হাইড্রোক্লোরিক অ্যাসিড প্রভৃতি।

⑤ জৈবিক: ব্যাকটেরিয়া, উদ্ভিদ টক্সিন প্রভৃতি।

⑥ তেজস্ক্রিয় দ্রব্যাদি: রেডিয়াম-140, কার্বন-14 ইত্যাদি হল বিপজ্জনক বর্জ্য।

  1. বর্জ্যের উৎস সম্পর্কে লেখো।

উত্তর: বর্জ্যের উৎস: আমাদের পারিপার্শ্বিক পরিবেশে বিভিন্ন স্থান থেকে বর্জ্য পদার্থের উৎপত্তি হয়। তার মধ্যে প্রধানত 7 প্রকার মাধ্যম থেকে বেশি পরিমাণে বর্জ্য সৃষ্টি হতে পারে, যথা-

① গৃহস্থালির বর্জ্য: গৃহস্থালির দৈনন্দিন কাজের মাধ্যমে সৃষ্ট গৃহস্থালির বর্জ্যগুলি হল ফল ও সবজির খোসা, প্লাস্টিক, কাচ প্রভৃতি।

② শিল্পজাত বর্জ্য: শিল্প কারখানা থেকে সৃষ্ট শিল্পজাত বর্জ্যগুলি হল চামড়া, কারখানার ক্রোমিয়াম যৌগ প্রভৃতি।

③ কৃষিজ বর্জ্য: কৃষিকাজের মাধ্যমে সৃষ্ট কৃষিজ বর্জ্যগুলি হল নারকেলের ছোবড়া, ফসলের অবশিষ্টাংশ প্রভৃতি।

④ পৌর বর্জ্য: পৌরসভার কার্যকলাপের দ্বারা সৃষ্ট পৌর বর্জ্যগুলি হল ডাবের খোলা, ধাতব টুকরো, প্লাস্টিক বোতল প্রভৃতি।

⑤ জৈব বর্জ্য: ফুল, ফল, গাছের ডাল, পাতা, পোলট্রি ফার্ম ও খাটালের আবর্জনা, মৃত পশুপাখির দেহ প্রভৃতি হল জৈব বর্জ্য।

⑥ চিকিৎসা সংক্রান্ত বর্জ্য: চিকিৎসাক্ষেত্রে ব্যবহৃত ব্যান্ডেজ, তুলো প্রভৃতি হল চিকিৎসা সংক্রান্ত বর্জ্য।

⑦ তেজস্ক্রিয় বর্জ্য: পারমাণবিক বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রের ছাই হল তেজস্ক্রিয় বর্জ্য।
যদিও অনেকক্ষেত্রে চিকিৎসা সংক্রান্ত বর্জ্যকে পৌর বর্জ্য এবং তেজস্ক্রিয় বর্জ্যকে শিল্পজাত বর্জ্যের অন্তর্ভুক্ত করা হয়।

  1. পরিবেশের কঠিন বর্জ্যের ধারণা দাও।

উত্তর: পরিবেশের কঠিন বর্জ্য: দৈনন্দিন কাজকর্মের ফলে উৎপন্ন আপাতভাবে অপ্রয়োজনীয় ও ব্যবহারের অযোগ্য কঠিন পদার্থসমূহকে বলা হয় কঠিন বর্জ্য।

বিভিন্ন ধরনের কঠিন বর্জ্য: আমাদের বাড়ি, অফিস, কলকারখানা, স্কুল প্রভৃতি জায়গা থেকেই কঠিন বর্জ্য সৃষ্টি হয়। এগুলির মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল-

① গৃহস্থালির কঠিন বর্জ্য: রান্নাঘরে সবজির খোসা, খাবারের বাতিল অংশ, প্লাস্টিকের প্যাকেট, বাতিল হওয়া লেপ-কাঁথার অংশ, বাসি ফুল,ছেঁড়া কাপড়, পুরোনো ক্যালেন্ডার, ভাঙা কাপ-প্লেট, কাচের টুকরো, পুরোনো জুতো, খবরের কাগজ, ব্যবহৃত চা পাতা প্রভৃতি গৃহস্থালির কঠিন বর্জ্যের অন্তর্গত।

② কলকারখানার কঠিন বর্জ্য: কারখানার বাতিল যন্ত্রপাতি, ধাতুর টুকরো, ব্যবহার করা প্লাস্টিক, শ্রমিকের খাবারের বাতিল অংশ, টায়ার, টিউব, ফ্লাই অ্যাশ ইত্যাদি কলকারখানার কঠিন বর্জ্যের মধ্যে পড়ে।

③ কৃষিক্ষেত্রের কঠিন বর্জ্য: ধানের খোসা, আখের ছিবড়ে, খড়, কাঠের গুঁড়ো, পাটকাঠি, প্রাণীজ বর্জ্য, গোবর ইত্যাদি হল কৃষিক্ষেত্র থেকে উৎপাদিত কঠিন বর্জ্য।

④ চিকিৎসা সংক্রান্ত কঠিন বর্জ্য: সুচ, সিরিঞ্জ, কাঁচি, ছুরি, কাপড়, ব্যান্ডেজ, গজ, তুলো ইত্যাদি চিকিৎসা সংক্রান্ত কঠিন বর্জ্যের অন্তর্গত।

⑤ নির্মাণ শিল্পের বর্জ্য: ইট, কাঠ, বালি, সিমেন্ট, লোহার টুকরো, প্লাস্টিক, সেরামিক টালি ইত্যাদি হল নির্মাণ শিল্পের কঠিন বর্জ্য।

Fil in the blanks

  1. একটি ধারালো চিকিৎসা সংক্রান্ত বর্জ্য হল__

উত্তর: ছুরি

  1. _ আবর্জনা থেকে দাহ্য গ্যাস তৈরি করা হয়।

উত্তর: জৈব

  1. পারদ ঘটিত জলদূষণে _ রোগের সৃষ্টি হয়।

উত্তর: মিনামাটা

  1. 3R কথার পুরো অর্থ হল Reduce, Recycle and______

উত্তর: Reuse

  1. ক্যাথিটার এক ধরনের __ বর্জ্য।

উত্তর: চিকিৎসা সংক্রান্ত

  1. __ দহনের ফলে ফ্লাই অ্যাশ সৃষ্টি হয়। উত্তর: কয়লা

✏️

এই Post টো Update কৰাত সহায় কৰিব বিচাৰে নেকি?

ইয়াত কিবা ভুল, অসম্পূৰ্ণ তথ্য বা নতুন তথ্য থাকিলে আপুনি এটা উন্নত version প্ৰস্তুত কৰিব পাৰে। Live Post তৎক্ষণাৎ সলনি নহ'ব।

Update This Post

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to Top